a
ফাইল ছবি
করোনার বিস্তৃতি মোকাবেলায় বন্ধ আছে লঞ্চ চলাচল কিন্তু লঞ্চ শ্রমিকদের থাকতে হচ্ছে লঞ্চেই। পাহাড়া দিতে হবে কোটি কোটি টাকা দামের এই জলযান। কিন্তু ঈদের পূর্বে বেতন ও বোনাস পাওয়া নিয়ে তাদের ভিতর শঙ্কাবিরাজ করছে। লঞ্চমালিকরা শুধু খাওয়া খরচ দিয়ে দায় সাড়ছেন বলে অভিযোগ।
এদিকে লঞ্চ মালিকদের অভিযোগ তাদেরও দৈনিক ক্ষতি হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। টানা লকডাউনে বন্ধ থাকা কিছু লঞ্চ সদরঘাট এলাকায় দেখা গেলেও সেখানে দেখা যায় শ্রমিকরা অলস সময় পার করছেন। লঞ্চ চললে তাদের জন্য মিলবে বেতন বোনাস। তবে আদৌ এবার কি ঈদ উদযাপন করতে পারবেন এ সংশয় নিয়ে দিন পান করছেন লঞ্চ শ্রমিকরা।
শ্রমিকদের বিষয়ে নৌযান ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক, চৌধুরী আশিকুল আলম বলেন, সরকার শ্রমিকদের জন্য প্রনোদনার কথা বললেও এখনো পাইনি। অধিকাংশ শ্রমিকরাই বেতন বোনাস থেকে বঞ্চিত থেকে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
ফাইল ছবি
রোমানিয়ার রাজধানী বুখারেস্ট থেকে দেশে ফিরেছেন ইউক্রেনে আটকেপড়া বাংলার সমৃদ্ধির জাহাজের ২৮ বাংলাদেশি নাবিক। বুধবার দুপুরে বুখারেস্ট থেকে ঢাকায় পৌঁছান তারা।
গতকাল মঙ্গলবার রাত পৌনে দুইটায় রোমানিয়া থেকে ২৮ নাবিক টার্কি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে রওয়ানা দেন। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন।
ইউক্রেন থেকে ২৮ নাবিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হলেও হাদিসুর রহমানের মৃতদেহ এখনো দেশে আনা সম্ভব হয়নি। তার মৃতদেহ ইউক্রেনে ফ্রিজিং করে রাখা হয়েছে। পরে সুবিধামতো সময়ে তার মৃতদেহ দেশে আনা হবে বলে জানানো হয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
লাল মাংসের স্বাদই আলাদা। তবে লাল মাংস নিয়ে বেশি সতর্কতার ফলে এই মাংসের প্রতি আমাদের এক ধরণের ভীতি জন্মেছে। সঠিক উপায়ে লাল মাংস থেকে তা শরীরের জন্য উপকারী।
কুরবানির ঈদে গরু, খাশি বা যে কোনো ধরনের লাল মাংস সচরাচর বেশি খাওয়া হয়।
লাল মাংস প্রচুর জিংকসমৃদ্ধ, যা আমাদের রক্তশূন্যতা পূরণ করে। তবে এর কিছু ক্ষতিকর দিকও রয়েছে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন নিউট্রিশনিস্ট অ্যান্ড ডায়েট কনসালট্যান্ট পুষ্টিবিদ জান্নাত আরা ঊর্মি।
লাল মাংসে (রেডমিট) প্রচুর পরিমাণে সাচুরেটেড ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল থাকে, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, গ্যাস্টিক ও কোলেস্টেরলের সমস্যা হতে পারে।
আমরা আজ জানবো যেভাবে লাল মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো-
১. মাংস ছোট টুকরো করে কাটুন। মাংস সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে খেলে সবচেয়ে ভালো। এতে মাংস থেকে অতিরিক্ত চর্বি ও তেল থাকে না।
২. মাংসের দৃশ্যমান চর্বি ছড়িয়ে রান্না করুন।
৩. গরুর মাংসের যেসব জায়গায় অতিরিক্ত চর্বি থাকে, যেসব জায়গায় জীবাণু থাকার আশঙ্কা থাকে। তাই চর্বি ছাড়িয়ে নিন।
৪. অতিরিক্ত মাংস খাওয়া যাবে না। প্রতি বেলায় ২ থেকে ৩ পিস মাংস খেতে পারেন।
৫. মাংস রান্নায় তেলের ব্যবহার কমিয়ে ফেলুন। মাংসের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে সবজি ও সালাদ খান।
৬. লাল মাংস খেলে অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে। চাহিদা মাফিক পানি পান করুন।
৭. মাংস খেয়ে ক্যালোরির পরিমাণ বাড়ে। তাই প্রতিদিন নিয়মিত ব্যায়াম করুন ও হাঁটুন। সূত্র: যুগান্তর