a খালেদা জিয়ার স্নেহের পরশে স্বাস্থ্যকর্মী আবেগে আপ্লুত!
ঢাকা শনিবার, ২০ পৌষ ১৪৩২, ০৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

খালেদা জিয়ার স্নেহের পরশে স্বাস্থ্যকর্মী আবেগে আপ্লুত!


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:২৫
খালেদা জিয়ার স্নেহের পরশে স্বাস্থ্যকর্মী আবেগে আপ্লুত

ফাইল ছবি

কোভিড আক্রান্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে ২/৩ দিন ভর্তি থাকতে হবে।

মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এসময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুসহ দলটির  নেতৃবৃন্দ সেখানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন।

খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়ার পর কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তবে অনেক ছবির মধ্যে একটি ছবি সবার নজর কাড়ে। 

তাতে দেখা যাচ্ছে হলুদ পোশাকে হুইল চেয়ারে বসা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পাশে হাঁটু গেঁড়ে বসে আছেন এক নারী। তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালের একজন স্বাস্থ্যকর্মী। 

ওই স্বাস্থ্যকর্মীর মাথায় পরম মমতায় হাত রেখে স্নেহের পরশ বুলিয়ে দিচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যকর্মীর মাথায় খালেদা জিয়ার আশির্বাদের ওই ছবি মুহূর্তে ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ছবির প্রতিক্রিয়ায় খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেন দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।

ভাইরাল হওয়া ছবিটি বিএনপির ফেসবুক পেইজে পোস্ট করা হয়। সেখানে ক্যাপশনে লেখা হয়- ‘মঙ্গলবার রাতে বিএনপির চেয়ারপারসন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মা, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া চেকআপের জন্য রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সেখানে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে একজন স্বাস্থ্যকর্মীর ফটো বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল কনটেন্ট হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সেই স্বাস্থ্যকর্মীর মাথায় হাত রেখে দোয়া করছেন।’

এই পোস্টের নিচে বিএনপির নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার মহানুভবতার প্রশংসা করে অনেক কমেন্ট করেছেন। নেত্রীর দ্রুত সুস্থতার জন্য অনেকে দোয়া করেছেন।

তায়েফ হাসনাত নামের একজন লিখেছেন, ‘মানুষ দেশনেত্রীকে কতটা ভালোবাসে, এ ছবি তার প্রমাণ। ম্যাডাম করোনায় আক্রান্ত, তারপরও একজন নার্স উনার হাত মাথায় নিয়েছেন কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে।’

পার্থ হালদার নামের একজন লিখেছেন, ‘ভগবানের কাছে আকুলভাবে প্রার্থনা করছি। ভগবান দেশমাতাকে সুস্থ করে দাও।’
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পার্বত্য চট্টগ্রামের ঘটনা অন্তবর্তী সরকারকে অস্থিতিশীল করার গভীর চক্রান্ত: বিএনপি মহাসচিব


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০৭:৪৯
পার্বত্য চট্টগ্রামের ঘটনা অন্তবর্তী সরকারকে অস্থিতিশীল করার গভীর চক্রান্ত: বিএনপি মহাসচিব

ফাইল ছবি: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

পার্বত্য চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক অস্থিরতার ঘটনা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত হিসেবে দেখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ঘটনাকে আমি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা মনে করি না। এর সঙ্গে অনেক কিছু জড়িত আছে। একদিকে শূন্যতার সুযোগ নেয়া, অন্যদিকে জিও পলিটিক্সে যে পরিবর্তন ঘটছে মিয়ানমারকে কেন্দ্র করে আশ-পাশের অঞ্চলে, ওইদিকে ভারতবর্ষের মনিপুরে যে বিদ্রোহ, এসবগুলোকে যদি আপনি আনেন, জিওপলিটিক্সের এই ঘটনাগুলো ভেরি সিগনিফিকেন্ট বলে আমি মনে করি। যেহেতু এখন কমেন্ট করাটা ঠিক হবে না।

সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে যে, একটা বিরাজনীতিকরণের প্রক্রিয়াকে শুরু করার চেষ্টা করা। অন্যদিকে শেখ হাসিনা পার্শ্ববর্তী দেশে থেকে যে সমস্ত কথা বলছেন, সেগুলো কতটুকু সত্য-মিথ্যা আমি জানি না। তবে সেই কথাগুলো এখানে বড় ইম্প্যাক্ট তৈরি করছে। বলা যায় যে, উদ্বিগ্ন হবার কারণ আছে। আর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর সচিবালয়ে আনসার বাহিনীর ঘেরাও, বিভিন্ন সংগঠনের নানা দাবি-দাওয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মব লিঞ্চিং’, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার বিভিন্ন ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ উল্লেখ করে সরকারকে অস্থিতিশীল করতেই করা হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের অস্থিরতার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, যেমন শুক্রবার মেইন ঘটনাটা ঘটছে। আমাদের দলে যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন দীপেন দেওয়ান, উনি আগে এমপি প্রার্থী ছিলেন, তিনি আমাকে ফোন করে বললেন যে, স্যার ইমিডিয়েটলি কারফিউ দিতে বলেন, কারফিউ ছাড়া একে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। তখন আমি জানার পরে যাদেরকে চিনি, তাদেরকে জানানোর পরে কারফিউ হয়নি, ১৪৪ ধারা দিয়ে চেষ্টা করা হয়েছে। ঠিক এফেক্টিভ কন্ট্রোল তারা করতে পারেনি, এর মধ্যে এটা (ঘটনা) বিস্তারলাভ করেছে। এই যে দেরি হচ্ছে, এই দেরিটা কিন্তু ক্ষতির ব্যাপার হচ্ছে। এটাতে আমি তাদেরকে (অন্তর্বর্তীকালীন সরকার) দোষারোপ করছি না। যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারকে সঠিকভাবে পরামর্শ দেয়া, এটা করা উচিত। আমার কাছে মনে হয়েছে যে, এক্ষেত্রে অনেকটা গ্যাপ আছে। সমস্যাটা ওই জায়গায়।

তিনি বলেন, এই সরকার খুবই সিরিয়াস, তারা করতে চান, তারা সব কিছু করতে পারেন। আমার কথা হচ্ছে, আমরা সহযোগিতা করি। ইতিমধ্যে তারা অনেক বড় বড় কাজে হাত দিয়েছেন- সেগুলো আমরা দেখি। এই অবস্থার প্রেক্ষিতে বিএনপির পরামর্শ কি জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, আমাদের পরামর্শ হচ্ছে,  প্রধান প্রধান দলগুলোর সঙ্গে কথা বলতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের বিষয়ে হলো, পার্বত্য চট্টগ্রামে তো আমাদের চুক্তি আছে, এতো দিন কোনো সমস্যা হয়নি। এখানে শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা তা নয়, সামাজিক সমস্যা আছে। দীর্ঘকাল ধরে এসব সমস্যা সমাধান করা হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার এতো কথা বলেছে, চুক্তি করেছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই করেনি। এসব কাজ একদিনে হবে না, ওদের সঙ্গে বসতে হবে, কথা বলতে হবে, বিষয়গুলোকে আলাপ-আলোচনা করেই সমস্যা সমাধান করতে হবে। সূত্র: মানবজমিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রোজার আগে আলেমদের মুুক্তি দিন: খেলাফত মজলিস


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ০৪ মার্চ, ২০২৩, ১১:৪২
রোজার আগে আলেমদের মুুক্তি দিন: খেলাফত মজলিস

ফাইল ছবি

শুক্রবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সামনে খেলাফত মজলিসের যুব মজলিস সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

পবিত্র রমজান মাস শুরুর আগেই মাওলানা মামুনুল হকসহ কারাগারে থাকা সব আলেমদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন সরকারের উদ্দেশে বলেন, কারাগারে থাকা আলেমদের সাথে ভালো আচরণ করুন। ভবিষ্যতে আপনারাও ভালো আচরণ পাবেন।

শুক্রবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সামনে সংগঠনটির যুব মজলিস সমাবেশে মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ‘মাওলানা মামুনুল হক দুই বছর কারাগারে আছেন। কিন্তু তাঁকে তাঁর পরিবারের সাথে দেখা করতে দেওয়া হয়না। আমাদের কারাগারের কোন সুবিধা দেওয়া হয়নি। যদিও কারাগারে সব ধরনের সুযোগসুবিধা বাড়ানো হয়েছে। নতুন নতুন ভবন হচ্ছে।’

সরকারের উদ্দেশে মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন বলেন, ‘কারাগারে একটি কথা চালু আছে যে, নতুন ভবন বর্তমানে ক্ষমতাসীনদের জন্য বানানো হচ্ছে। কারাগারের সুবিধা বাড়ান। কেননা, আপনাদের জন্য কারাগার অপেক্ষা করছে। মাওলানা মামুনুল হকসহ আলেমদের সঙ্গে ভালো আচরণ করুন। ভবিষ্যতে আপনারাও ভালো আচরণ পাবেন।’

এ সময় মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন আরও বলেন, ‘রোজা শুরুর আগেই কারাগারে থাকা বন্দীদের মুক্তি দিন। তা না হলে রোজার সময় দেশ অশান্ত হলে, তার দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে।’ সমাবেশে বক্তারা পঞ্চগড়ে কাদিয়ানী ইজতেমা বন্ধেরও দাবি জানান।

যুব মজলিসে বক্তারা সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয় এমন নির্বাচন আয়োজন করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। এ ছাড়া দেশে মিথ্যা মামলা দায়েরের যে সংস্কৃতি শুরু হয়েছে তা নিকট ভবিষ্যতে বন্ধ করার কথাও যুব মজলিসে বলা হয়েছে।

যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সংগঠন বিভাগের সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান ও প্রকাশনা বিভাগের সম্পাদক মাওলানা রাকীবুল ইসলামের যৌথ পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিশেষ অতিথি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা তোফাজ্জল হুসাইন মিয়াজী, যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ও বাইতুল মাল সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ বিভাগের সম্পাদক মাওলানা শরীফ হুসাইন, মাওলানা এহসানুল হক, কেন্দ্রীয় মজলিসে খাস সদস্য মাওলানা জাহিদুজ্জামান, খেলাফত ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোল্লা মুহাম্মাদ খালেদ সাইফুল্লাহ, মাওলানা হাফেজ কাজী নিজামুদ্দীন, মাওলানা নাজমুল ইসলাম শাকিল, মাওলানা আব্দুল্লাহ আশরাফ, মাওলানা মুর্শিদ সিদ্দিকী, মাওলানা জাকির হুসাইন প্রমুখ। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - জাতীয়