a খালেদা জিয়া আজ করোনার টিকা নেবেন
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ মাঘ ১৪৩২, ০৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

খালেদা জিয়া আজ করোনার টিকা নেবেন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১, ০২:১৪
খালেদা জিয়া আজ করোনার টিকা নেবেন

ফাইল ছবি

আজ সোমবার করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দুপুর ২টায় মহাখালী শেখ রাসেল ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে টিকা নেবেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ৮ জুলাই ‘সুরক্ষা’ অ্যাপের মাধ্যমে করোনার টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেন খালেদা জিয়া। রবিবার তার টিকা দেওয়ার ফিরতি এসএমএস আসে। 

১৪ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হন খালেদা জিয়া। ২৯ এপ্রিল তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ ৫৩ দিন চিকিৎসা শেষে ১৯ জুন গুলশানের বাসা ‘ফিরোজায়’ অবস্থান করছেন তিনি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আবারও চিনির দাম কেজিতে ২৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ২০ জুন, ২০২৩, ১১:২৫
আবারও চিনির দাম কেজিতে ২৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব

ফাইল ছবি

আবারও প্রতি কেজি চিনির দাম ২৫ টাকা বাড়ানোর আবদার করেছে চিনি পরিশোধনকারী মিল মালিকরা। গতকাল মিল মালিকদের সংগঠন সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে এই দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। কোরবানির ঈদের আগে ২২ জুন থেকে চিনির দাম বাড়াতে চান তারা। 

রোজার সময় প্রতি কেজি খোলা চিনি ১২০ টাকা এবং প্যাকেট চিনি ১২৫ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও সরকার নির্ধারিত দামে চিনি বিক্রি করেননি মিল মালিকরা। বর্তমানে প্রতি কেজি খোলা চিনি ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা এবং প্যাকেট চিনি ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন প্রস্তাবে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২৫ টাকা বাড়িয়ে প্রতি কেজি খোলা চিনি ১৪০ টাকা এবং প্যাকেট চিনি ১৫০ টাকা নির্ধারণের কথা জানানো হয়েছে। 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে চিনি বিক্রি করতে গিয়ে লোকসানের মুখে পড়ছে কোম্পানিগুলো। তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী চিনি আমদানি থেকে শুল্ক প্রত্যাহার ও হ্রাস করার পরও দাম বাড়ানোর এ দাবি অযৌক্তিক। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ডা. মিলন দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২, ১১:১৩
ডা. মিলন দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ফাইল ছবি

আজ ২৭ নভেম্বর ডা. শামসুল আলম খান মিলনের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী। দিনটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাণীতে বলেছেন, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ডা. মিলন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৯০ সালে শহিদ ডা. মিলনের মতো আরও অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে।

আবদুল হামিদ বলেন, ১৯৯০ সালে শহিদ ডা. মিলনের মতো আরো অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। দেশের প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষ ডা. মিলনসহ সকল বীর শহিদের অবদান চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে পুরোভাগে থাকা শহিদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন পুলিশের গুলিতে শাহাদত বরণ করেন উল্লেখ করে তিনি শহিদ ডা. মিলনসহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহিদকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

মো. আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ডা. মিলন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নৃশংস হত্যার মধ্য দিয়ে দেশে স্বৈরশাসনের উত্থান ঘটে। ১৯৯০ সালে শহিদ ডা. মিলনের মতো আরও অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকেও বেগবান করতে হবে। নতুন প্রজন্ম ডা. মিলনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক রীতিনীতির চর্চায় নিজেদের নিয়োজিত করবে।

রাষ্ট্রপতি শহিদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চার করে। সেদিনই দেশে জরুরি আইন ঘোষণা করা হয়। কিন্তু জরুরি আইন, কারফিউ উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতা মিছিল নিয়ে বারবার রাজপথে নেমে আসে। অবশেষে স্বৈরশাসকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়।

প্রধানমন্ত্রী ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শহীদ পেশাজীবী নেতা ডা. শামসুল আলম খান মিলনের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

ডা. মিলন ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম-মহাসচিব এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক। ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের একটি সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ঘাতকদের গুলিতে তিনি শহীদ হন। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়