a
সংগৃহীত ছবি
জনপ্রশাসনের ৮৭ জন যুগ্মসচিবকে পদোন্নতি দিয়ে অতিরিক্ত সচিব করেছে সরকার।
মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারের এই কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা করা হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের যোগদানপত্র ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠাতে বলা হয়েছে।
রাজধানীতে বারে অভিযানে গিয়ে নিজেরাই মদ্যপানে ব্যস্ত (ভিডিও)
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আবু হানিফ মোহাম্মদ আবদুল আহাদের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দলের সদস্যরা রাজধানীর একটি বারে অভিযানে গিয়ে নিজেরাই মদ্যপানে ব্যস্ত হয়ে পড়েন । অভিযান শেষে পরদিন দাবী করা হয়, আইরিশ পাব এন্ড রেস্টুরেন্ট থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদ উদ্ধার করেছেন তারা।
রাজধানীর পোস্তগোলা এলাকার রেস্টুরেন্টটিতে অভিযানের সময় গেল বৃহস্পতিবার ১৮ মার্চ তাদের মদপানের দৃশ্য ধরা পড়ে প্রতিষ্ঠানটির সিসিটিভির ফুটেজে। খবর ডিবিসি নিউজের
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের একজন সহকারি পরিচালক বারটিতে অভিযানে প্রায় ৩০ জনের দলকে নেতৃত্বে দেন। ঘটনাস্থলে এসময় বারটির অবৈধ দেশি-বিদেশি মদ উদ্ধারে যেমন ব্যস্ত ছিলেন দলটির সদস্যরা অন্যদিকে মদপানেও ব্যস্ত ছিলেন অনেকে।
সিসি টিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায় যে, অভিযান পরিচালনাকারী দলের একজন আনসার সদস্য নিজে মদপান করেন। পরে তার কাছ থেকে নিয়ে শুল্ক গোয়েন্দার সদস্যরাও মদপান করেন।
এছাড়া সিসি টিভি ক্যামেরার ফুটেজে আরো দেখা যায় যে, অভিযান দলের একজন আনসার সদস্যও নিজে মদপান করেন। পরে তার কাছে নিয়ে শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরাও মদ্যপান করেন। অভিযানের সময় বারটিতে কর্মরত কয়েকজনকে মারধর করে বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
তাদের একজন বলেন যে, পায়ে মারতে মারতে লাঠি ভেঙে ফেলেছে। আমি শুয়ে পড়ার পর লাথি মেরেছে।
আরেকজন বলেন, দেখলাম তিন-চারজন লোক কাঠের লাঠি হাতে দৌড়চ্ছে। তখন আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কি হয়েছে? আমাকে বলে, শু… বাচ্চা, গোডাউন কোথায় বল। বলতে বলতে আমাকে পেটানো শুরু করে।
যদিও পরদিন সাংবাদিকদের কাছে অভিযানের সফলতার কথা তুলে ধরেন সংস্থাটির মহাপরিচালক নিজেই।
অভিযানে গিয়ে দলটির মদপান কতোটুকু যৌক্তিক এমন প্রশ্নে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার অনুরোধ করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বলেন, “আমার কাছে মনে হয়েছে তারা কিছু একটা খেয়েছে। আমি একদিকে বসে ছিলাম। তবে সেরকম যদি কিছু ঘটেই থাকে তাহলে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তালেবানরা আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করার পর সেখানে ইসলামিক স্টেট করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে সকলের মনে উদ্বেগ ছিল ক্রিকেট বিশ্বের আশাজাগানিয়া দল হিসেবে আত্নপ্রকাশ করা আফগানিস্তান কি তাহলে ক্রিকেট থেকে হারিয়ে যাবে? কিন্তু না বরং সে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ফরম্যাটে বেশ কিছু রদবদল করা হয়েছে। দেশটির ক্রিকেট বোর্ডে ফারহান ইউসেফ জাইকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আজিজুল্লাহ ফাযলিকে।
এর আগেও এক দফা আফগান বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছিলেন আজিজুল্লাহ। দেশটির সংবিধান অনুযায়ী, ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও চেয়ারম্যান হলেন বোর্ডের প্রধান। সমস্ত ব্যবহারিক কাজের ক্ষমতা থাকে সিইও এর হাতে। তিনি ক্রিকেটের সমস্ত কার্যক্রম দেখাশোনা করেন। এই পদে বর্তমানে আছেন ডক্টর হামিদ শিনওয়ারি। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির ক্রিকেট উন্নয়নে দারুণ আশাবাদী এসিবির নতুন বোর্ড প্রধান।
১ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজ মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান। প্রথমে আরব আমিরাতে হবার কথা থাকলেও এখন শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটায় এই সিরিজ আয়োজন করতে চায় আফগান বোর্ড।