a
ফাইল ছবি
জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে মুসল্লি ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলি বর্বোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।
আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী কর্তৃক শেখ জাররাহ এলাকায় ফিলিস্তিনি পরিবার উচ্ছেদ এবং সেখানে ইসরায়েলি বেসামরিক জনগোষ্ঠীকে স্থানান্তরিত করার উদ্যোগে এক অমানবিকতা প্রকাশ পেয়েছে।
এটা মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন এবং চুক্তি লঙ্ঘন। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি এই ধরনের সন্ত্রাসী আক্রমণ বন্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।
বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, “টেকসই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রে জনগণের সার্বভৌম ও স্বাধীন স্বদেশ নিশ্চিতের অলঙ্ঘনীয় অধিকারের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানাচ্ছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে যে রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা প্রতিষ্ঠিত হবে।”
ইসরায়েলের ‘জেরুজালেম দিবস’ পালনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। রবিবার সন্ধ্যা থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আল আকসা মসজিদের আশেপাশে বিক্ষোভকারী ফিলিস্তিনিদের উপর পুলিশ ব্যাপক হামলা চালিয়ে শত শত ফিলিস্তিনীকে গুলি করে আহত করেছে।
ফাইল ছবি । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে সংক্রমণের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে আশার কথা শোনালেন। তিনি বলেছেন, করোনা ভাইরাসের টিকার ব্যবস্থা হয়ে গেছে এবং ৮০ শতাংশ মানুষকেই এই টিকার আওতায় আনা হবে।
শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের টিকা দিয়ে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কথাও জানান তিনি।
আজ মঙ্গলবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, টিকার ব্যবস্থা হয়ে গেছে। এখন আর কোনও সমস্যা হবে না। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা আসবে। জুলাই থেকেই আবারও শুরু হবে গণটিকা দান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, টিকা সংগ্রহে যত টাকাই লাগুক না কেন আমরা সেই টাকা দেব। ১৪ হাজার কোটি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। টিকা বাজারে আসার আগে থেকেই আমরা যোগাযোগ রেখেছি।
দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকেই টিকার আওতায় আনা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, টিকাকরণের মাধ্যমেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দ্রুত খুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার।
ছবি সংগৃহীত
আমায় নাইবা রাখিলে তব বক্ষে ধরে,
নাইবা বাধিলে প্রাণডোরে,
নাইবা করলে পথ চলার অঙ্গীকার।
নাইবা সঁপিলে তব হিয়া খানি,
তবু তো আমি ভালবাসিতে চাই,
তোমারে বহুকাল ধরে।
যদি কাছটিতে ডেকে নিতে,
শুনতে পেতে কত বেলায় ডেকেছে
মোর প্রাণ তব নাম ধরে।
হে প্রিয়,তুমি যদি সুখী হও আমায় ছাড়িয়া,
তবে আমি শতবার তোমার বিরহ সইতে রাজি।
__রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর