a
ছবি :মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টোনিও ব্লিনকেন
আগামী কয়েকদিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য সফর যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টোনিও ব্লিনকেন। সংবাদমাধ্যম এএফপি’র বরাতে জানা যায়, ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে টানা ১১ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল। যুদ্ধবিরতির সম্মত হবার পর বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রবিভাগ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগের মুখপাত্র নিড প্রাইস বলেন, ব্লিনকেন ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গবি আশকানাজির সাথে কথা বলেছেন। আশকানাজি মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ব্লিনকেনের এ অঞ্চল সফরের পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন।
প্রাইস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ শীর্ষ কূটনীতিকের আসন্ন সফরকালে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশাপাশি এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করবেন। এ সময় তিনি সংঘাত নিরসন ও ইসরাইল-ফিলিস্তিনের জন্য উন্নত ভবিষ্যত গড়ে তোলার বিষয়ে এক হয়ে কাজ করা নিয়েও আলোচনা করবেন।
ইসরায়েলর বর্বর এ আক্রমণে গাজায় এখন পর্যন্ত ২৩২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৬৪ শিশু এবং ৩৮ নারী আছেন। অপরদিকে হামাসের হামলায় ১৩ জন ইসরাইলি নিহত হয়েছেন।
ফাইল ছবি
ইরানের পরমাণু সমঝোতায় পুরোপুরি ফিরতে প্রস্তুত রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট।
মঙ্গলবার রাতে জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনের ভাষণে এই ঘোষণা দেন। এদিন ইরানের প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ড. ইব্রাহিম রায়িসিও ভাষণ দেন।
ঘোষণায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ইরানের সঙ্গে আবার কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করে পরমাণু সমঝোতায় পুরোপুরি ফেরার লক্ষ্যে তার প্রশাসন ৫+১ গ্রুপের সঙ্গে শলাপরামর্শ চালিয়ে যাচ্ছে।
জাতিসংঘের পাঁচ স্থায়ী সদস্যদেশ ও জার্মানি ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতা সই করেছিল এবং এই ছয় দেশ ৫+১ গ্রুপ নামে পরিচিত।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার বক্তব্যের অন্যত্র দাবি করেন, ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না দেওয়ার ব্যাপারে ওয়াশিংটন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।
বিশ্বের সব সমস্যা সামরিক উপায়ে সমাধান করা সম্ভব নয় বলে সরল স্বীকারোক্তি দেন বাইডেন। তিনি বলেন, আমেরিকার সামরিক শক্তিকে আমরা সর্বপ্রথম নয় বরং সবার শেষে ব্যবহার করব। যেকোনও সমস্যা হলেই সামরিক শক্তি ব্যবহারের প্রক্রিয়া থেকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসতে হবে।
ফাইল ছবি
ইরানের সঙ্গে সুস্পর্ক গড়ার সৌদি আরবের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
বুধবার নিজের অফিসিয়াল পেজে লেখেন, ‘ইরানের সঙ্গে সৌদি আরবের শান্তির উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। ইরান আমাদের প্রতিবেশী এবং সৌদি আরব আমাদের ঘনিষ্ঠতম বন্ধু। শান্তির এই উদ্যোগ মুসলিম উম্মাহকে শক্তিশালী করবে।’
সম্প্রতি সৌদি আরবের যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান আল-আরাবিয়া টিভি চ্যানেলে সাক্ষাতে বলেছেন, ইরান তাদের প্রতিবেশী দেশ এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন তেহরান ও রিয়াদের মধ্যে সুসম্পর্ক আরো উন্নত হবে।
তিনি আরও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্কের জন্য তার দেশ আঞ্চলিক দেশগুলোর পাশাপাশি অন্যদের সঙ্গেও কাজ করছে। রিয়াদ এমন সম্পর্ক চায় যা সবার জন্য কল্যাণকর।
সৌদি যুবরাজ বলেন, সৌদি আরব ও ইরানের লক্ষ্য অভিন্ন। সৌদি আরব ইরানের উন্নয়ন চায়। একইসঙ্গে গোটা অঞ্চল ও বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি প্রত্যাশা করে রিয়াদ।