a দেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে যেসব জেলা
ঢাকা শনিবার, ২৪ মাঘ ১৪৩২, ০৭ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

দেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে যেসব জেলা


আবহাওয়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০৯ জুন, ২০২১, ০৬:১৪
দেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে যেসব জেলা

সংগৃহীত ছবি

দেশে  প্রবণতা বাড়ছে ভূমিকম্পের। সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার মধ্যে রয়েছে সিলেট। গত কয়েকদিনে উল্লেখযোগ্যহারে সিলেটে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। সিলেটের ঘন ঘন ভূমিকম্প আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সারাদেশে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, বড় ধরনের ভূমিকম্পের আগে বা পরে এমন ছোট ছোট ভূকম্পন অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পের অন্যতম প্রধান কারণ হলো ভূত্বকীয় পাত (টেকটনিক প্লেট)। বাংলাদেশ তিনটি প্লেটের সংযোগস্থলে রয়েছে। বার্মিজ ও ইন্ডিয়ান প্লেটের মধ্যে অবস্থান করছে সিলেট। সিলেটের উত্তরে রয়েছে ডাউকি ফল্ট। টেকটনিক প্লেটগুলোতে প্রচুর পরিমাণে শক্তি জমা হচ্ছে এবং এই জমে থাকা শক্তিই ভূমিকম্পের মাধ্যমে বের হয়ে আসে।
 
নেচার জিওসায়েন্স জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার মানচিত্র অনুযায়ী, সিলেট ও চট্টগ্রাম উচ্চ ঝুঁকিপ্রবণ অঞ্চল।

বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুরের গবেষকরা বলছেন যে, কক্সবাজার, সিলেট, রাঙামাটি, বান্দরবান, ঢাকা ও চট্টগ্রাম জেলা মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ এবং পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল সর্বাপেক্ষা কম ঝুঁকিপূর্ণ। ডাউকি ফল্ট বা সিলেট থেকে চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল গত ৫০০ থেকে এক হাজার বছরে বড় ধরনের কোনো ভূমিকম্প হয়নি। যার ফলে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পগুলো বড় ধরনের ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ২৯ মে সাতবার এবং ৩০ মে একবার সিলেটে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সোমবার (৭ জুন) দেড় মিনিটের মধ্যে দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘মুকুট মণি’ উপাধি পেলেন


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৮:৩৮
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘মুকুট মণি’ উপাধি পেলেন

ফাইল ছবি

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ক্রাউন জুয়েল’ বা ‘মুকুট মণি’ উপাধিতে ভূষিত করেছে আর্থ ইনস্টিটিউট, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গ্লোবাল মাস্টার্স অব ডেভেলপমেন্ট প্র্যাকটিস এবং ইউএন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্ক। 

“২০৩০” সালের মধ্যে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন নিয়ে নবম বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানানোর সময় ২০ সেপ্টেম্বর সোমবার ‘ক্রাউন জুয়েল’ বা ‘মুকুট মণি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

সম্মেলনে অংশ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান ইউএন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্কের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ জেফ্রি স্যাক্স। অধিবেশনে জেফ্রি স্যাক্স বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার সঙ্গে এক হতে পেরে আমরা আনন্দে উদ্বেলিত।

আমরা আপনার কথা শুনতে চাই, বিশেষ করে এই জন্যে যে, আমরা যখন পৃথিবীর দেশগুলোর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের অগ্রগতি বিশ্লেষণ করি যা প্রতি বছর জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সমাধান নেটওয়ার্ক করে থাকে, ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অগ্রগতিতে বিশ্বে প্রথম হয়েছে। তাই আমরা সেই অর্জনের জন্য আপনাকে অভিনন্দন জানাতে চাই।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

বাংলাদেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নীতি’ ইস্যুতে পিটার হাসের পদত্যাগ


খোরশেদ আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০২৪, ১২:৪৩
বাংলাদেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ইস্যুতে পিটার হাসের পদত্যাগ

ফাইল ছবি: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস

 

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির প্রতিবাদে তিনি পদত্যাগ করেছেন।

একজন বাংলাদেশী কূটনীতিক দ্য মিরর এশিয়া (টিএমএ) কে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর ‘বাংলাদেশ নীতি’র প্রতিক্রিয়ায় তিনি পদত্যাগ করেছেন।

গত ৭ জানুয়ারি, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের আগে পিটার হাস বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য দিয়েছিলেন। এই সময় জোরপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’ এর একটি অনুষ্ঠানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দ্বারা তিনি  আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে।

কিন্তু ডিসেম্বরে পরিস্থিতি বদলে যায়। তখন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ নিয়ে তার ‘নীতি’ পরিবর্তন করে। সূত্রের খবর, যুক্তরাষ্ট্র ইন্দো-প্যাসিফিকে তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ভারতের বিরক্তির কারণ হতে চায়নি। ফলস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতন্ত্র সংস্কার নিয়ে তার কর্মকাণ্ডে লাগাম টানে।

শাসক দল আওয়ামী লীগ নির্বাচনে কারচুপি করেছে এমন অভিযোগ উঠলেও বাংলাদেশ কিংবা কোনো ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখযোগ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি। যুক্তরাষ্ট্রের এই নীতি পরিবর্তনের কারণে কিছু ভারতীয় কূটনীতিকের ঠাট্টা এবং সমালোচনার শিকার হন পিটার ডি হাস।

দ্য মিরর এশিয়ার খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশি নীতি পরিবর্তনের কারণে দেশটির কূটনীতিকদের পদত্যাগের ঘটনা নতুন নয়। উদাহরণস্বরূপ, মার্চ মাসে ইউক্রেন সম্পর্কিত আমেরিকান নীতির প্রতিবাদে রাজনীতি বিষয়ক মার্কিন আন্ডার সেক্রেটারি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড তার পদ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে পদত্যাগ করেন। গত এপ্রিলে ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন নীতির প্রতিবাদে পদত্যাগ করা পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক আরব ভাষার মুখপাত্র হালা হারারিট আরেকটি উদাহরণ। কংগ্রেসের শুনানি শেষে শিগগিরই ঢাকায় নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেওয়া হবে। সূত্র : দ্য মিরর এশিয়া

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়