a বইমেলার স্টলে হামলার নিন্দা প্রধান উপদেষ্টার, দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার তাগীদ
ঢাকা শনিবার, ২৫ মাঘ ১৪৩২, ০৭ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বইমেলার স্টলে হামলার নিন্দা প্রধান উপদেষ্টার, দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার তাগীদ


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১১ ফেরুয়ারী, ২০২৫, ০৯:৪৫
বইমেলার স্টলে হামলার নিন্দা প্রধান উপদেষ্টার, দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার তাগীদ

ফাইল ছবি: প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. ইউনুস


অমর একুশে বইমেলার স্টলে মব হামলার (মব অ্যাটাক) কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল সোমবার রাতে প্রথমে ইংরেজিতে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই হামলা বাংলাদেশি নাগরিকদের অধিকার ও দেশের আইনের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন।

পরে বাংলায় পাঠানো প্রধান উপদেষ্টার বিবৃতিতে বলা হয়, একুশে বইমেলা এ দেশের লেখক ও পাঠকদের প্রাণের মেলা। এ দেশের সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, চিন্তক, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশা-বয়সের মানুষের মিলনস্থল।

বইমেলায় এই ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বাংলাদেশের উন্মুক্ত সাংস্কৃতিকচর্চাকে ক্ষুণ্ন করে, ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের মর্যাদার প্রতি অবমাননা প্রদর্শন করে।  

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার পুলিশ ও বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষকে এ ঘটনার তদন্ত এবং দোষী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছে। মেলায় নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং এই তাৎপর্যপূর্ণ স্থানে যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া দেশে ‘মব ভায়োলেন্সের’ (দলবদ্ধ সহিংসতা) যেকোনো ঘটনা প্রতিরোধে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় একদল ব্যক্তি বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে থাকা ‘সব্যসাচী’ নামের স্টলে গিয়ে হট্টগোল করেন। তাঁরা ওই স্টল থেকে তসলিমা নাসরিনের বইগুলো সরিয়ে ফেলতে বলেন। স্টলে থাকা ব্যক্তি তাঁদের কথার প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। স্টলের সামনে জড়ো হওয়া ব্যক্তিদের বিভিন্ন স্লোগানের মধ্যে স্টলের ওই ব্যক্তি পাল্টা স্লোগান দেন। উত্তপ্ত পরিস্থিতি চলার মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে স্টলের ওই লোককে সরিয়ে নেয়। পরে স্টলটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

৮০ শতাংশ মানুষকেই টিকার আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১, ০৬:১৮
৮০ শতাংশ মানুষকেই টিকার আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে সংক্রমণের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে আশার কথা শোনালেন। তিনি বলেছেন, করোনা ভাইরাসের টিকার ব্যবস্থা হয়ে গেছে এবং ৮০ শতাংশ মানুষকেই এই টিকার আওতায় আনা হবে।
 
শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের টিকা দিয়ে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কথাও জানান তিনি।  

আজ মঙ্গলবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, টিকার ব্যবস্থা হয়ে গেছে। এখন আর কোনও সমস্যা হবে না। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা আসবে। জুলাই থেকেই আবারও শুরু হবে গণটিকা দান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, টিকা সংগ্রহে যত টাকাই লাগুক না কেন আমরা সেই টাকা দেব। ১৪ হাজার কোটি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। টিকা বাজারে আসার আগে থেকেই আমরা যোগাযোগ রেখেছি।

দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকেই টিকার আওতায় আনা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, টিকাকরণের মাধ্যমেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দ্রুত খুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

পরিবেশবাদী তরুণ সংগঠন ‘গ্রীন ভয়েস’- এর ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:৫১
পরিবেশবাদী তরুণ সংগঠন গ্রীন ভয়েস এর ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:   গ্রীন ভয়েস এর ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশ ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত। আজ ১৭ এপ্রিল ২০২৫, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পরিবেশবাদী তরুণ সংগঠন ‘গ্রীন ভয়েস’- এর ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। “শব্দ, বায়ু ও বর্জ্য দূষণ অকাল মৃত্যুর অন্যতম কারণ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত মানববন্ধনে জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভরতা কমানো, পুরাতন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করা এবং কালো ধোঁয়া নির্গমন ঠেকাতে বাধ্যতামূলক ফিটনেস পরীক্ষার দাবি জানানো হয়।

গ্রীন ভয়েসের সহ-সমন্বয়ক হুমায়ূন কবির সুমনের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন গ্রীন ভয়েসের উপদেষ্টা স্থপতি ইকবাল হাবিব, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, সিনিয়র সাংবাদিক শুভ কিবরিয়া, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সদস্য সচিব রোস্তম আলী খোকন, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন আন্দোলনের (পরিজা) সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জল, শিল্পী ও শিক্ষক আবু সেলিম, গ্রীন ভয়েস তেজগাঁও কলেজ শাখার সভাপতি শাহ্রিন সেঁজুতি এবং বহ্নিশিখা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সমন্বয়ক ফাতেহা শারমিন এনী প্রমুখ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সেফটি ম্যানেজমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা শাখাওয়াত হোসেন স্বপন, গ্রীন ভয়েসের কেন্দ্রীয় পরিষদের সহ- সমন্বয়ক তরিকুল ইসলাম রাতুল, আরিফুর রহমান, শাকিল কবির, ফাহমিদা নাজনীন তিতলি, কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য স্বপন মাহমুদ, আলী আহসানসহ প্রায় ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীগণ।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন গ্রীন ভয়েসের প্রধান সমন্বয়ক এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির। মানববন্ধন থেকে সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবিসমূহ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় সহ-সমন্বয়ক মোনছেফা তৃপ্তি। রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, “শব্দ, বায়ু ও বর্জ্য দূষণ একটি পুঁজিকেন্দ্রিক উন্নয়ন ব্যবস্থার ফল। মুনাফার জন্য কিছু গোষ্ঠী জনগণের স্বাস্থ্য ও প্রকৃতিকে ত্যাগ করছে। উন্নয়ন মানে যদি মানুষের অকাল মৃত্যু হয়, তাহলে সে উন্নয়ন অগ্রহণযোগ্য। আমরা চাই এমন একটি দেশ যেখানে উন্নয়ন হবে পরিবেশবান্ধব, টেকসই এবং মানবিক। গ্রীন ভয়েসের মতো সংগঠনগুলোই আজ সত্যিকার উন্নয়নের পথ দেখাচ্ছে।”

স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, “বাংলাদেশের পরিবেশ আজ তিনটি প্রধান দূষণে বিপর্যস্ত—শব্দ, বায়ু ও বর্জ্য। প্রতিটি দূষণই জনস্বাস্থ্যের ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। সরকার এবং নীতিনির্ধারকদের উচিত এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। পরিবেশ আন্দোলন আর বিলাসিতা নয়, এটি এখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। গ্রীন ভয়েস যে সচেতনতা তৈরি করছে, তা শুধু প্রশংসনীয় নয়, বরং সময়োপযোগী ও জরুরি। তরুণদের এই উদ্যোগে সমাজ ও রাষ্ট্রের সক্রিয় অংশগ্রহণ দরকার।”

সাংবাদিক শুভ কিবরিয়া বলেন, “পরিবেশ দূষণের খবর শুধু কাগজে ছাপলে হবে না, সেটিকে জনতার আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। ঢাকার বায়ু আজ বিষে পরিণত হয়েছে, শিশুরা শব্দ দূষণে শ্রবণ শক্তি হারাচ্ছে। এ বাস্তবতা পাল্টাতে হলে আমাদের গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ, তরুণ প্রজন্ম সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। গ্রীন ভয়েসের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো নতুন প্রজন্মকে নেতৃত্ব দিতে শেখাচ্ছে। এটা শুধু একটি সংগঠন নয়, এটি একটি সচেতনতা আন্দোলন।”

শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পক্ষ থেকে রোস্তম আলী খোকন বলেন, “আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবেশচেতনা গড়ে তোলার সুযোগ এখনো খুব সীমিত। ছোটবেলা থেকেই শিশুদের মধ্যে গাছ ভালোবাসা, নদীকে রক্ষা করা, শব্দ কমানো এসব শিক্ষা দিতে হবে। পরিবেশ আন্দোলনকে শুধু বিজ্ঞানের আলোচনায় সীমাবদ্ধ না রেখে সাংস্কৃতিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। গানের, নাটকের, কবিতার মাধ্যমে পরিবেশচেতনা ছড়িয়ে দিতে হবে। গ্রীন ভয়েস এর মধ্য দিয়ে সেই পথেই এগোচ্ছে।”

সভাপতির বক্তব্যে আলমগীর কবির বলেন, আজকের আমাদের সমাবেশের বার্তা পরিষ্কার—শব্দ, বায়ু ও বর্জ্য দূষণ আমাদের নীরবভাবে হত্যা করছে। এটি শুধু পরিবেশ সমস্যা নয়, এটি এক জাতীয় সংকট। এই বার্তাকে সামনে রেখে, আমরা প্রতিশ্রুতি নিচ্ছি—শব্দহীন সহনশীলতা, বিশুদ্ধ বাতাস, এবং দূষণমুক্ত এক নতুন বাংলাদেশ গড়তে আমরা আরও শক্তভাবে, আরও সংগঠিতভাবে কাজ করে যাব। শুধু গাছ লাগিয়ে নয়, চেতনার বীজ বুনে—তরুণদের হাত ধরে একটি সচেতন, সচল ও সবুজ ভবিষ্যৎ নির্মাণ করাই হবে আমাদের আগামী দিনের লক্ষ্য। আমরা চাই, আগামী প্রজন্মের জন্য আমরা রেখে যাই একটি বাসযোগ্য পৃথিবী—যেখানে প্রকৃতি আর মানুষ একে অপরের শত্রু নয়, সহযাত্রী। আর সেই পথচলায় তরুণরাই হবে আমাদের কাণ্ডারি।
মানববন্ধন শেষে প্রেসক্লাব থেকে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয় যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে অবস্থিত রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে সমাপ্ত হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে কর্মসূচির ইতি ঘটে এবং দূষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাই একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সমাবেশ থেকে নিম্নোক্তদাবীগুলো উত্থাপন করা হয়-
বায়ুদূষণ:
১. জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর ও পুরাতন যানবাহনের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে এবং কালো ধোঁয়া নির্গমন ঠেকাতে ফিটনেস পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
২. দুই-স্ট্রোক ইঞ্জিনচালিত যানবাহন সারা দেশে নিষিদ্ধ করতে হবে।
৩. সব অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করতে হবে, নদীপাড়ের ইটভাটা ভেঙে ফেলতে হবে এবং কাঠ বা গাছ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করতে হবে।
৪. মাটির ইটের পরিবর্তে কংক্রিট ব্লকের মতো পরিবেশবান্ধব বিকল্প ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহ দিতে হবে এবং সরকারি প্রকল্পে তা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
৫. নির্মাণকাজের সময় বায়ু ও শব্দ দূষণ কমাতে ঘের দেওয়া, ঢাকনা ব্যবহার এবং ধুলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর নিয়ম মানতে
হবে।
৬. ঢাকাসহ সব বড় শহরে বায়ুর মান পরিমাপের ব্যবস্থা বাড়াতে হবে এবং আগাম দূষণের পূর্বাভাস দেওয়ার ব্যবস্থা চালু
৭. শুষ্ক মৌসুমে নিয়মিতভাবে রাস্তা ভেজাতে হবে এবং এজন্য সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা, ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে।

শব্দদূষণ:
১. শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে হবে এবং হাসপাতাল ও স্কুলের সামনে হর্ণ বাজানো
বন্ধ করতে হবে।
২. হাইড্রোলিক হর্ণের আমদানি ও তৈরি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে এবং হর্ণ বাজালে কড়াভাবে জরিমানা দিতে হবে। ৩. গাড়ি চালানোর লাইসেন্স দেওয়ার আগে চালকদের শব্দ বিষয়ে সচেতনতা যাচাই করতে হবে এবং শব্দমাত্রা মেপে গাড়ির ছাড়পত্র দিতে হবে।
৪. আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে শব্দ নিয়ন্ত্রণের সাইনবোর্ড লাগাতে হবে এবং নিয়মিত মনিটরিং চালাতে হবে।
৫. যেকোনো নির্মাণকাজ বা কারখানার অনুমোদনের আগে শব্দদূষণ কমানোর ব্যবস্থা আছে কি না, তা ভালোভাবে যাচাই
করতে হবে।
৬. রাতে ছাদ বা কমিউনিটি হলে গান-বাজনা বন্ধ করতে হবে এবং ড্রিল মেশিন, ব্লেন্ডার বা প্রেসার কুকারের মতো জোরে শব্দ করা যন্ত্র ব্যবহার কমাতে হবে।

বর্জ্য দূষণ (তরল, কঠিন, ইলেকট্রনিক ও চিকিৎসা):
১. ওয়াসার তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে এবং ঢাকার তরল বর্জ্য সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনার জন্য ওয়ার্কশপ আয়োজন করতে হবে।
২. তরল বর্জ্য ব্যবস্থায় আনতে হবে। ওয়াসার দায়িত্ব নিশ্চিত করতে হবে এবং দেশের সবাইকে স্যানিটারি ল্যাট্রিন ব্যবহারের আওতায় আনতে হবে।
৩. কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থায় বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে—ছোট ছোট প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র গড়ে তুলে বড় কেন্দ্রগুলোর উপর চাপ কমাতে হবে।
৪. বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঘর থেকেই আলাদা করে ফেলতে হবে, প্রথমে ধনী পরিবার ও প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে সারা এলাকায় ছড়িয়ে দিতে হবে।
৫. ই-বর্জ্য ব্যবস্থায় Reduce, Reuse, Recycle পদ্ধতি চালু করতে হবে এবং সরকার-বেসরকারি অংশীদারিত্বে বিধিমালা অনুযায়ী কার্যক্রম চালাতে হবে।
৬. হাসপাতালের বর্জ্য অবশ্যই আলাদা করে ফেলতে হবে এবং নিয়মিত তদারকি করে সঠিকভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে। ৭. সাভারের ট্যানারি সিটিতে ইটিপি যেন ঠিকমতো কাজ করে তা নিশ্চিত করতে হবে এবং সব ট্যানারির বর্জ্য পরিশোধন করতে হবে।
৮. শিল্প এলাকার দূষণের জন্য পরিচিত জায়গাগুলোতে মনিটরিং যন্ত্র বসিয়ে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং প্রয়োজন হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়