a
খালেদা জিয়া । ফাইল ছবি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসায় নিয়োজিত সকলে করোনামুক্ত হয়েছেন। আজ পহেলা মে ২০২১ শনিবার বিকালে চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ড.মামুন বলেছিলেন যে বাসার নয়জন লোক সবাই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
ওই সময় তিনি আরও বলেছিলেন বাসার গৃহকর্মী ফাতেমাসহ আটজন করোনা আক্রান্ত হওয়ার কারনে খালেদা জিয়ার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দিক চিন্তা করে প্রথমদিকে তারা করোনা আক্রান্তের বিষয়টি গোপন রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন’
গত ১৪ এপ্রিল রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে সিটি স্ক্যান করার জন্য নেয়া হয়। তারপর তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা গণমাধ্যমকে বলেন, সিটি স্ক্যান করার পর জানা যায় খালেদা জিয়ার ফুসফুসে খুবই সামান্য সংক্রমণ হয়েছে।
এরপর ১৬ এপ্রিল বুধবার বেগম জিয়া করোনায় আক্রান্ত হলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা.এ জেড এম জাহিদ বলেন, সেখানে তিনি নন-কভিড ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সার্বক্ষনিক দেখভালের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফ রয়েছে।
ফাইল ছবি
লক্ষ্মীপুর-২, সিলেট-৩, ঢাকা-১৪ এবং কুমিল্লা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনের তফসিল আগামী ২৪ মে ঘোষণা করা হবে। আর ভোটের তারিখ জুলাই মাসে নির্ধারন করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৯ মে) নির্বাচন কমিশন ভবনে এক সভা শেষে ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর খন্দকার সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
করোনা পরিস্থিতি যেমনই হোক এর মধ্যেই নির্বাচন আয়োজন করার পক্ষে আছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। করোনা পরিস্থিতি যেননই হউক না কেন আইন অনুযায়ী কমিশনকে নির্বাচন করতেই হবে।
গত ১১ মে কমিশনের অনানুষ্ঠানিক এক বৈঠকে এ সভা আহ্বান করা হয়েছিল। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য সভায় চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর-২ ও সিলেট-৩ আসনে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হওয়ার থাকলেও ইতোমধ্যে ৯০ দিনও পার হয়ে গেছে। করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণে ১ মার্চ সব ধরণের নির্বাচন স্থগিত করেছিল কমিশন। বিভিন্ন আসনের নির্বাচনের মেয়াদ শেষ হলেও সিইসির বিশেষ ক্ষমতাবলে এসব নির্বাচন মেয়াদ ৯০ দিন বৃদ্ধি করা হয়। এই ৯০ দিনও অতিক্রম হয়ে যাচ্ছে। তাই এখন এসব নির্বাচন আয়োজন করার কথা ভাবছে দেশের সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি।
ফাইল ছবি
ভোক্তা-গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে চটকদার, লোভনীয় ও অসত্য বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে কর্তৃপক্ষের নিস্ক্রিয়তা কেনো অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে এ ধরনের বিজ্ঞাপন দাতাদের বিরুদ্ধে কেনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হোসেন তালকুদারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। তার সঙ্গে ছিলেন তামজিদ হাসান পাপুল ও রবিউল আলম।
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে তথ্য সচিব, বাণিজ্য সচিব, সংস্কৃতি সচিব এবং ভোক্তা অধিদফতরের মহাপরিচালক এবং প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর লোভনীয় বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তাকে নিয়ে চ্যালেঞ্জ রিট দায়ের করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী কামরুল ইসলাম।