a মোখা সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে বিকাল ৩টা ডাণ্ডব চালাতে পারে: আবহাওয়া অধিদপ্তর
ঢাকা শনিবার, ১৯ পৌষ ১৪৩২, ০৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

মোখা সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে বিকাল ৩টা ডাণ্ডব চালাতে পারে: আবহাওয়া অধিদপ্তর


আবহাওয়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৪ মে, ২০২৩, ০১:২৩
মোখা সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে বিকাল ৩টা ডাণ্ডব চালাতে পারে: আবহাওয়া অধিদপ্তর

ফাইল ছবি

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা কক্সবাজার ও উত্তর মিয়ানমার উপকূলে আঘাত হেনেছে। কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন ও টেকনাফ উপকূলে বিকেল ৩টা পর্যন্ত তাণ্ডব চালাতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। এরপর বিকেল ৬টা কিংবা সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশ অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান।

রবিবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক বলেন, সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সময়ে দেখা গেছে, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা ঘণ্টায় ১৭ থেকে ১৮ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে। অতি প্রবাল ঘূর্ণিঝড় মোখার মূল কেন্দ্রটি টেকনাফের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার দূর দিয়ে যাচ্ছে। এতে করে ঝুঁকির যে আশঙ্কা করা হয়েছে তা কমে আসছে। ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করার সময় দুর্বল হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, এ সময়ে দ্রুত বেগে জলোচ্ছ্বাস প্রবাহিত হবে। তখন ঘণ্টায় ১২০-১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। যা বর্তমানে (সাড়ে দশটায়) প্রতি ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাচ্ছে। আমরা আশঙ্কা করছি জলোচ্ছ্বাসের মাত্রা যদি ৮ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত হয়, তাহলে টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা থাকবে। তবে পর্যায়ক্রমে তা কেটে যাবে।

এর আগে, সকালে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম শুরু করে ঘূর্ণিঝড় মোখা।সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পার্বত্য চট্টগ্রামের ঘটনা অন্তবর্তী সরকারকে অস্থিতিশীল করার গভীর চক্রান্ত: বিএনপি মহাসচিব


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০৭:৪৯
পার্বত্য চট্টগ্রামের ঘটনা অন্তবর্তী সরকারকে অস্থিতিশীল করার গভীর চক্রান্ত: বিএনপি মহাসচিব

ফাইল ছবি: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

পার্বত্য চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক অস্থিরতার ঘটনা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত হিসেবে দেখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ঘটনাকে আমি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা মনে করি না। এর সঙ্গে অনেক কিছু জড়িত আছে। একদিকে শূন্যতার সুযোগ নেয়া, অন্যদিকে জিও পলিটিক্সে যে পরিবর্তন ঘটছে মিয়ানমারকে কেন্দ্র করে আশ-পাশের অঞ্চলে, ওইদিকে ভারতবর্ষের মনিপুরে যে বিদ্রোহ, এসবগুলোকে যদি আপনি আনেন, জিওপলিটিক্সের এই ঘটনাগুলো ভেরি সিগনিফিকেন্ট বলে আমি মনে করি। যেহেতু এখন কমেন্ট করাটা ঠিক হবে না।

সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে যে, একটা বিরাজনীতিকরণের প্রক্রিয়াকে শুরু করার চেষ্টা করা। অন্যদিকে শেখ হাসিনা পার্শ্ববর্তী দেশে থেকে যে সমস্ত কথা বলছেন, সেগুলো কতটুকু সত্য-মিথ্যা আমি জানি না। তবে সেই কথাগুলো এখানে বড় ইম্প্যাক্ট তৈরি করছে। বলা যায় যে, উদ্বিগ্ন হবার কারণ আছে। আর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর সচিবালয়ে আনসার বাহিনীর ঘেরাও, বিভিন্ন সংগঠনের নানা দাবি-দাওয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মব লিঞ্চিং’, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার বিভিন্ন ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ উল্লেখ করে সরকারকে অস্থিতিশীল করতেই করা হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের অস্থিরতার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, যেমন শুক্রবার মেইন ঘটনাটা ঘটছে। আমাদের দলে যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন দীপেন দেওয়ান, উনি আগে এমপি প্রার্থী ছিলেন, তিনি আমাকে ফোন করে বললেন যে, স্যার ইমিডিয়েটলি কারফিউ দিতে বলেন, কারফিউ ছাড়া একে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। তখন আমি জানার পরে যাদেরকে চিনি, তাদেরকে জানানোর পরে কারফিউ হয়নি, ১৪৪ ধারা দিয়ে চেষ্টা করা হয়েছে। ঠিক এফেক্টিভ কন্ট্রোল তারা করতে পারেনি, এর মধ্যে এটা (ঘটনা) বিস্তারলাভ করেছে। এই যে দেরি হচ্ছে, এই দেরিটা কিন্তু ক্ষতির ব্যাপার হচ্ছে। এটাতে আমি তাদেরকে (অন্তর্বর্তীকালীন সরকার) দোষারোপ করছি না। যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারকে সঠিকভাবে পরামর্শ দেয়া, এটা করা উচিত। আমার কাছে মনে হয়েছে যে, এক্ষেত্রে অনেকটা গ্যাপ আছে। সমস্যাটা ওই জায়গায়।

তিনি বলেন, এই সরকার খুবই সিরিয়াস, তারা করতে চান, তারা সব কিছু করতে পারেন। আমার কথা হচ্ছে, আমরা সহযোগিতা করি। ইতিমধ্যে তারা অনেক বড় বড় কাজে হাত দিয়েছেন- সেগুলো আমরা দেখি। এই অবস্থার প্রেক্ষিতে বিএনপির পরামর্শ কি জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, আমাদের পরামর্শ হচ্ছে,  প্রধান প্রধান দলগুলোর সঙ্গে কথা বলতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের বিষয়ে হলো, পার্বত্য চট্টগ্রামে তো আমাদের চুক্তি আছে, এতো দিন কোনো সমস্যা হয়নি। এখানে শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা তা নয়, সামাজিক সমস্যা আছে। দীর্ঘকাল ধরে এসব সমস্যা সমাধান করা হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার এতো কথা বলেছে, চুক্তি করেছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই করেনি। এসব কাজ একদিনে হবে না, ওদের সঙ্গে বসতে হবে, কথা বলতে হবে, বিষয়গুলোকে আলাপ-আলোচনা করেই সমস্যা সমাধান করতে হবে। সূত্র: মানবজমিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

দীর্ঘ লং মার্চ পরবর্তী কৃষক ঐক্য পরিষদের ১০ দফার বাস্তবায়ন দাবি


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫, ০৩:৫১
দীর্ঘ লং মার্চ পরবর্তী কৃষক ঐক্য পরিষদের  ১০ দফার বাস্তবায়ন দাবি

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  মাননীয় কৃষি উপদেষ্টা মহোদয় এর দৃষ্টি আকর্ষণে ১০ দফা দাবিসূমহ নিয়ে লং মার্চ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন করে কৃষক ঐক্য পরিষদ বাংলাদেশ।

আজ ২৭/০৪/২০১৫ ইং বিকাল তিনটায় জাতীয় প্রেসক্লাব ঢাকার তৃতীয় তলায় মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খা হলে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাই-আগস্ট ২০২৪ এর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন ও বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। ছাত্র জনতার আন্দোলনের ফসল বিগত পতিত সরকারের অবসান পরবর্তী আপনার ও আপনাদের মত ব্যক্তিত্বকে রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে পেয়ে আমরা বাংলাদেশের আপমর কৃষক সমাজ আনন্দিত ও গর্বিত। আপনাদের শক্তিশালী ও দৃঢ় নেতৃত্বে দেশের কৃষি খাতকে আগামী দিনের কৃষি অর্থনীতিতে শক্তিশালী বুনিয়াদ তৈরি করবে বলে আমরা কৃষক সমাজ বিশ্বাস করি। কিন্তু আপনাকে সম্মানের সহিত জানাতে চাই যে, আমাদের কৃষির উপর বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার দুই তৃতীয়াংশ নির্ভরশীল কিন্তু কৃষকরা এখনও অবহেলিত ও ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত।

কৃষিই আমাদের একমাত্র অবলম্বন। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় এই যে আমরা সবসময়ই আমাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্যে পাই না। আমরা লক্ষ্য করেছি যে কৃষি পণ্য বিপণনে অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে ফড়িয়া, পরিবহন সংশ্লিষ্ট লোকজনের অসহযোগিতা এবং মজুদকারী চক্রের তৎপরতায় আমরা আমাদের বিনিয়োগকৃত পুঁজি হারিয়ে ফেলছি।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা যৌক্তিক কতগুলো দাবিগুলো তুলে ধরেন। দাবীগুলো হল-
১) আলু, পেয়াঁজ কমিশন গঠন, উপজেলা ভিত্তিক কাচাঁমাল সংরক্ষনাগার ও রপ্তানী কেন্দ্র স্থাপন করা।
২) ঢাকাসহ সারাদেশে কৃষকের বাজার স্থাপন করা।
৩) কৃষি প্রনোদনা ও কৃষিঋণ বিতরণ সহজ করা ও সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি করা।
৪) সিন্ডিকেট মুক্ত করে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা।
৫) কৃষিপণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি, টোলপ্রথা বাতিল করা ও কৃষিপণ্য পরিবহনে রেল বগি বরাদ্দ করা।
৬) কৃষকদের জন্য খাস ও পতিত জমি বরাদ্দ করা সহ কৃষকদের জন্য বিশেষ ভাতা চালু করা ।
৭) সরকারীভাবে কৃষিবীমা চালু করা ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।
৮) সরকারী হাসপাতালে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, বেসরকারী হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ৫০ ভাগ ছাড়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান নিশ্চিত করা।
৯) জাতীয় সংসদ,অন্যান্য জাতীয় কমিটি, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মাসিক সভায় অনুপাতিকহারে কৃষক প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা।
১০) বীজ ও সার সিন্ডিকেট মুক্ত করে ডিলারদের ছয় মাসের প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা, প্রযুক্তি ও অ্যাপস আধুনিকায়ন ও বাস্তবমুখী করা।

এমতাবস্থায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে উপরোক্ত বিষয়ে আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অতএব মহোদয় সমীপে আকুল আবেদন এই যে, দেশের কৃষকদের অভিভাবক হিসেবে অধিকার বঞ্চিত কৃষক ও কৃষিজীবী বিপুল জনগোষ্ঠীর স্বার্থে কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্যে ও উপরোক্ত দাবীগুলো বাস্তবায়নের জন্য আপনার মূল্যবান কার্যক্রম কামনা করছি।

সর্বশেষ তারা আশা পোষণ করে বলেন, আমরা আশা করি আপনার সদয় সহযোগিতায় দেশের কৃষি ও কৃষকের উন্নতির এক মাইল ফলক স্থাপিত হবে ইনশা আল্লাহ্।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - জাতীয়