a শতাধিক যাত্রী মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে রক্ষায় ক্যাপ্টেন নওশাদের অবস্থা গুরুতর
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ ১৪৩২, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

শতাধিক যাত্রী মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে রক্ষায় ক্যাপ্টেন নওশাদের অবস্থা গুরুতর


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ২৯ আগষ্ট, ২০২১, ০৮:৫৩
শতাধিক যাত্রী মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে রক্ষায় ক্যাপ্টেন নওশাদের অবস্থা গুরুতর

ফাইল ছবি

শুক্রবার (২৬ আগস্ট) মধ্য আকাশে বড় ধরনের হার্ট অ্যাটাকের শিকার হওয়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ কাইয়ুম এখন ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) ‘কোমা’য় আছেন।

হাসপাতালের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রোশান ফুলবান্ধে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে বলেন, ‘ক্যাপ্টেন নওশাদের অবস্থা গুরুতর... তিনি সম্পূর্ণ ভেন্টিলেশনের সহায়তায় বেঁচে আছেন... তার মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে... তিনি কোমায় আছেন।’

হাসপাতালের মেডিকেল সার্ভিসেস ডিরেক্টর ডা. সুভরজিৎ দাশগুপ্ত, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ফিজিশিয়ান ডা. রঞ্জন বারোকার, এবং ডা. বীরেন্দ্র বেলেকারের অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ক্যাপ্টেন নওশাদ কাইয়ুম।

শুক্রবার সকালে ওমানের মাস্কাট থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে বিজি-০২২ ফ্লাইটটি নিয়ে ঢাকা আসার পথে ভারতের আকাশে থাকা অবস্থায় ক্যাপ্টেন কাইউম অসুস্থ বোধ করেন। 

পরবর্তীতে বিমানটিকে মহারাষ্ট্রের নাগপুরের ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়।

আকাশে অসুস্থ হয়ে পড়ার সাথে সাথেই ক্যাপ্টেন কাইউম কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের কাছে জরুরি অবতরণের অনুরোধ জানান। একই সময় তিনি কো-পাইলটের কাছে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করেন।

কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বিমানটিকে তার নিকটস্থ নাগপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করার নির্দেশ দিলে কো-পাইলটই বিমানটিকে অবতরণ করান। বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের বিমানটিতে ১২৪ জন যাত্রী ছিল। তারা সবাইই নিরাপদে ছিলেন।

এদিকে শুক্রবারই আরেকটি ফ্লাইটে করে আট সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল নাগপুরে যায়। মধ্যরাতের পর বিমানটিকে যাত্রীসহ ঢাকার বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হয়। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আজ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ১৭ মে, ২০২১, ১১:৩৫
আজ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

ফাইল ছবি

 

আজ ১৭ মে, আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনার ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ। দীর্ঘ ৬ বছর নির্বাসিত থেকে ১৯৮১ সালের আজকের এই দিনে দেশে ফেরেন তিনি। এ দিন বিকেলে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে কলকাতা হয়ে তাকে বহনকারী উড়োজাহাজটি ঢাকায় নামলে বিমানবন্দরে লাখো মানুষ তাকে স্বাগত জানান। 
 
১৯৮১ সালে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ওই দিনটি ছিল রোববার। সারা দেশ থেকে আসা লাখো মানুষ সেদিন তাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান, ভালোবাসায় সিক্ত হন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে তাকে একনজর দেখার জন্য কুর্মিটোলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শেরেবাংলা নগর পর্যন্ত লাখো মানুষের ঢল নামে। 

ঝড়-বাদল আর জনতার আনন্দাশ্রুতে অবগাহন করে শেরেবাংলা নগরে লাখো জনতার সংবর্ধনার জবাবে সেদিন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘সব হারিয়ে আপনাদের মাঝে এসেছি, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তার আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই।’

এর আগে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করার সময় তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রবাসে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। 
 
এদিকে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশে ফেরার আগেই ওই বছরের (১৯৮১) ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার হোটেল ইডেনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে তার অনুপস্থিতিতেই তাকে সর্বসম্মতিক্রমে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।

স্বদেশ প্রবর্তন দিবসের কর্মসূচিঃ
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের চার দশক পূর্তি উপলক্ষে ‘শেখ হাসিনার চার দশক: বদলে যাওয়া বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক তথ্যচিত্র প্রদর্শনী। আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটি আয়োজিত এই তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম এবং রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তার নেতৃত্বে অপ্রতিরোধ্য গতিতে উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে। দুই দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে বেলা ১১টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ও বিকেল ৩টায় মহানগর নাট্য মঞ্চে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠান। এছাড়াও সারাদেশে মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা করা হবে। 

দিনটি উপলক্ষে আজ বাংলাদেশ টেলিভিশনও বিটিভি ওয়ার্ল্ডসহ বেশ কয়েকটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচারিত হবে ডকুড্রামা- ‘হাসিনা: এ ডটারস টেল’। প্রচারিত হবে দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটে। এ চলচ্চিত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজের মুখ থেকে তার বিদেশ জীবন, দেশে ফিরে আসার কথা শোনা যায়। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের কথাও বর্ণনা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হিসেবে নয়, বরং এ ডকুড্রামার মূল উপজীব্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বঙ্গবাজারে ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর দল


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২৩, ০৯:৪৬
বঙ্গবাজারে ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর দল

ছবি সংগৃহীত

বঙ্গবাজারে ভয়াবহ আগুনে জ্বলছে পুরো বঙ্গবাজারসহ আশে-পাশে আরও ৪টি ভবন। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫০টি ইউনিট। একইসঙ্গে যোগ দিয়েছে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সাহায্যকারী দল। আকাশে ৩টি হেলিকপ্টার আগুন নেভাতে কাজ করছে। মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) ভোরের দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রায় ৪ হাজার দোকান আছে বলে উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে জানা যায় এবং এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু হায়দার মো. রাসেলুজ্জামান জানান, বঙ্গবাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি সম্মিলিত সাহায্যকারী দল কাজ করছে।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক বলেন, মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৬টা ১০ মিনিটে বঙ্গবাজার মার্কেট আগুন লাগার খবর পাই। সংবাদ পাওয়ার পর আমাদের একের পর এক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে ৪৭টি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছে। সঙ্গে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সাহায্যকারী দল যুক্ত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগুনে এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও জানানো যাচ্ছে না। এদিকে ভয়াবহ এই আগুন নেভাতে পানির সংকটে পড়েছে কর্মীরা। দ্রুত সেই সমস্যা সমাধানে বঙ্গবাজারের পার্শ্ববর্তী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদুল্লাহ হলের পুকুর থেকে আনা হচ্ছে পানি।

ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মার্কেটের চার দিক থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তবে বাতাসের কারণে আগুন ছড়িয়ে পড়ছে। বঙ্গবাজার মার্কেটে লাগা আগুন পাশের এনেক্সকো টাওয়ারেও ছড়িয়ে পড়েছে। আগুনের কারণে ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে ছেয়ে গেছে বঙ্গবাজারের আকাশ। ভয়াবহ এ আগুনের কারণে প্রচণ্ড তাপ অনুভূত হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আগুনের তীব্রতা বাড়ছে।

মার্কেটের দোকানিরা জানান, প্রথমে আগুন লাগে গুলিস্তান মার্কেটে। সেখানে থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বঙ্গবাজার মার্কেটে। এখন পাশের অন্য ভবনগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। কাপড়ের মার্কেট হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়