a শতাধিক যাত্রী মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে রক্ষায় ক্যাপ্টেন নওশাদের অবস্থা গুরুতর
ঢাকা বুধবার, ১৫ মাঘ ১৪৩২, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

শতাধিক যাত্রী মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে রক্ষায় ক্যাপ্টেন নওশাদের অবস্থা গুরুতর


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ২৯ আগষ্ট, ২০২১, ০৮:৫৩
শতাধিক যাত্রী মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে রক্ষায় ক্যাপ্টেন নওশাদের অবস্থা গুরুতর

ফাইল ছবি

শুক্রবার (২৬ আগস্ট) মধ্য আকাশে বড় ধরনের হার্ট অ্যাটাকের শিকার হওয়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ কাইয়ুম এখন ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) ‘কোমা’য় আছেন।

হাসপাতালের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রোশান ফুলবান্ধে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে বলেন, ‘ক্যাপ্টেন নওশাদের অবস্থা গুরুতর... তিনি সম্পূর্ণ ভেন্টিলেশনের সহায়তায় বেঁচে আছেন... তার মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে... তিনি কোমায় আছেন।’

হাসপাতালের মেডিকেল সার্ভিসেস ডিরেক্টর ডা. সুভরজিৎ দাশগুপ্ত, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ফিজিশিয়ান ডা. রঞ্জন বারোকার, এবং ডা. বীরেন্দ্র বেলেকারের অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ক্যাপ্টেন নওশাদ কাইয়ুম।

শুক্রবার সকালে ওমানের মাস্কাট থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে বিজি-০২২ ফ্লাইটটি নিয়ে ঢাকা আসার পথে ভারতের আকাশে থাকা অবস্থায় ক্যাপ্টেন কাইউম অসুস্থ বোধ করেন। 

পরবর্তীতে বিমানটিকে মহারাষ্ট্রের নাগপুরের ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়।

আকাশে অসুস্থ হয়ে পড়ার সাথে সাথেই ক্যাপ্টেন কাইউম কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের কাছে জরুরি অবতরণের অনুরোধ জানান। একই সময় তিনি কো-পাইলটের কাছে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করেন।

কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বিমানটিকে তার নিকটস্থ নাগপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করার নির্দেশ দিলে কো-পাইলটই বিমানটিকে অবতরণ করান। বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের বিমানটিতে ১২৪ জন যাত্রী ছিল। তারা সবাইই নিরাপদে ছিলেন।

এদিকে শুক্রবারই আরেকটি ফ্লাইটে করে আট সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল নাগপুরে যায়। মধ্যরাতের পর বিমানটিকে যাত্রীসহ ঢাকার বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হয়। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

১৮ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইসির বৈঠক, ডিসেম্বরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে: ইসি


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ১২ ফেরুয়ারী, ২০২৫, ০৯:১৫
১৮ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইসির বৈঠক ডিসেম্বরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি

ফাইল ছবি

আগামী ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষে প্রস্তুতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে অন্য কোন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেনা নির্বাচন কমিশন। তবে যদি সরকার চায় তাহলে জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করবে ইসি।

গতকাল মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এর আগে ইউএনডিপিসহ উন্নয়ন সহযোগী ১৮টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করে ইসি।

নির্বাচন কমিশনার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ১৬ ডিসেম্বরের বক্তব্যে বলেছিলেন, যদি অল্প পরিমাণে সংস্কারসহ নির্বাচন করতে হয়, সেখানেই যদি রাজনৈতিক মতৈক্য গিয়ে দাঁড়ায়, তাহলে এ বছরের শেষ নাগাদ ডিসেম্বরে ইলেকশন। আর যদি আরেকটু বেশি সংস্কার করার সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে ২০২৬ এর জুন নাগাদ ইলেকশন করা সম্ভব। আমরা বলেছিলাম, আমাদেরকে আর্লিয়েস্ট ডেটটা (ডিসেম্বর) ধরে নিয়ে প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। আমাদের অবস্থান এখনো অপরিবর্তিত।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে আবুল ফজল বলেন, বৈঠকে একটি প্রশ্ন এসেছিল দুটো নির্বাচন একসঙ্গে করা যায় কিনা। এতে কেমন সময় লাগতে পারে, এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, জাতীয় ও স্থানীয় সরকারের নির্বাচন একসঙ্গে করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে সবগুলো স্থানীয় সরকারের নির্বাচন ধাপে ধাপে করতে গেলে এক বছর লেগে যায়। পুরোপুরি এভাবে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন করতে হলে জাতীয় নির্বাচনের সময় পিছিয়ে যাবে। এখন নির্বাচন কমিশনের অগ্রাধিকার জাতীয় নির্বাচন। এই মুহূর্তে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে সরকার যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে সেভাবেই বাস্তবায়ন করতে হবে। এটা সরকারের সিদ্ধান্ত।

আরেক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন কতটুকু হবে, কোন কোন প্রতিষ্ঠানের হবে সে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। তখন ইসি বলতে পারবে এটা জাতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে কিনা। তার আগে এটি বলা সম্ভব নয়। এ সময় জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি-ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার জানান, ইসি গত বছরের ডিসেম্বরে নির্বাচন সংক্রান্ত সহায়তা চেয়ে তাদের কাছে অনুরোধ করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের একটি দল জানুয়ারিতে দুই সপ্তাহ বাংলাদেশ সফর করেন। জাতিসংঘ কী ধরনের কারিগরি সহায়তা দিতে পারে তা ওই দলটি নির্ধারণ করেছে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনকে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তা করছি। আমরা আশা করি, এটি হবে বাংলাদেশের সেরা নির্বাচন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ করবে অন্তর্বর্তী সরকার ও ইসি। এখানে আমাদের করণীয় কিছু নেই। সভায় আগামী নির্বাচনে কমিশনকে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে ইউএনডিপি ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, স্পেন, কানাডা, জার্মানি, চীন, নেদারল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া, ইইউ ও তুরস্কের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন


সাইফুল আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫, ০৭:০১
শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সাইফুল আলম, ঢাকা:  বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজের সর্ববৃহৎ এবং প্রতিনিধিত্বশীল প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন এর পক্ষ থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবে আজ এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা শিক্ষক-কর্মচারীদের যুক্তিক দাবীসমূহ তুলে ধরেন। যা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা একটি নতুন গতিপথে প্রবেশ করবে। 

জুলাই মাস আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায়-এক গণজাগরণের মাস। যা আমরা ‘জুলাই বিপ্লব' নামে স্মরণ করি। এই বিপ্লব ছিল একটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-শিক্ষক জনতার অভ্যুত্থান, যার সফল পরিণতি ঘটে ৫ আগস্ট ২০২৪। আমরা বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জুলাই বিপ্লবের সকল শহীদ, আহত এবং অংশগ্রহণকারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, সমবেদনা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমরা লক্ষ্য করছি যে, অন্তর্বর্তী সরকার প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করলেও দেশের শিক্ষা খাত এখনো দৃশ্যমান কোনো মৌলিক সংস্কার করেনি। শিক্ষা খাতে বৈষম্য, অবহেলা ও বিশৃঙ্খলা অনেকাংশে পূর্বের ন্যায়ই বহাল রয়েছে।

শিক্ষকদের প্রতি অব্যাহত বঞ্চনা, স্বীকৃতিহীনতা, প্রায় বেতনহীন চাকরি, মূল্যায়নের অভাব এবং প্রশাসনের গড়িমসি গ্রহণযোগ্য নয়। বর্তমানে শিক্ষা খাতের যে সংকট, তা জাতীয় জীবনের ভিত্তি আদর্শ বিনষ্ট করছে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ ও এর সৃষ্ট বিতর্কিত শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে দেশে ঈমান আকিদা বিরোধী, নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধহীন প্রজন্ম তৈরির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। 

বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন দীর্ঘদিন ধরে একটি গঠনমূলক ও অংশগ্রহনমূলক শিক্ষা সংস্কার দাবি করে আসছে এবং শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবী-দাওয়া উত্থাপন করে আসছে। কিন্তু বর্তমানে উক্ত দাবীগুলো বাস্তবায়নের ব্যাপারে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ আমরা দেখছি না। দাবিগুলো হলো-
■ বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত এবং কারিগরিসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণ এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তন করতে হবে।
চাকুরী জাতীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত নিম্নের দাবীগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

১. শিক্ষক-কর্মচারীদের শতভাগ উৎসব বোনাস, সরকারি নিয়মে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিতে হবে।
২. প্রাথমিকে ২০২৬ সাল থেকে ধর্মীয় শিক্ষা চালু এবং ধর্মীয় বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বেতন-ভাতা নবম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ১০ম গ্রেডে প্রদান করতে হবে।
৩. শিক্ষার সকল স্তরে ধর্মীয় শিক্ষা চালু করতে হবে এবং সকল শ্রেণীর পাঠ্য পুস্তক থেকে ধর্মীয় মূল্যবোধ বিরোধী বিষয় বাদ দিতে হবে।
৪. পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও মানোন্নয়নের জন্য সকল স্তরের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা ও গবেষণা কর্মের সুযোগ দেয়া এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলীর ব্যবস্থা করা।
৫. সচল স্বীকৃতি প্রাপ্ত সকল নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্তির গেজেট ঘোষণা করে আগস্ট মাস থেকে বেতন ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
৬. বেসরকারি কলেজ ও মাদরাসা শিক্ষকদের ৮ বৎসর পূর্ণ হওয়ার পর অটো সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া এবং সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপকের পদ সৃষ্টি করতে হবে।
৭. বৈষম্যের শিকার ও চাকুরিচ্যুত, সাময়িক বরখাস্ত ও বিতাড়িত সকল শিক্ষক-কর্মচারীকে স্ব-স্ব কর্মস্থলে পূণর্বহাল ও বকেয়া বেতনভাতা, অবসরকালীন সকল পাওনা পরিশোধ করা এবং অবসরে যাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ভাতাসহ সকল পাওনাদি প্রাপ্তির বিষয়ে সরকারিভাবে নির্বাহী আদেশ প্রদান করতে হবে।
৮. সৎ ও যোগ্য শিক্ষকদের সমন্বয়ে অবিলম্বে অবসর সুবিধাবোর্ড ও কল্যাণ ট্রাষ্টের কমিটি গঠন করতে হবে।
৯. প্রতিটি উপজেলায় অবিলম্বে একটি করে ফাজিল ও জেলায় কামিল মাদরাসা সরকারিকরণ করতে হবে। 
১০. কিন্ডারগার্টেন স্কুলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজিকরণ ও সকল শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
১১. নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের আলোকে শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন করার লক্ষ্যে অবিলম্বে শিক্ষা কমিশন গঠন করতে হবে। মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সপ্তাহে একদিন মাঠ পর্যায়ে কিংবা শিল্প কলকারখানায় শ্রমের শিক্ষা দেওয়া এবং পার্ট টাইম ইন্টার্নিশীপের সুযোগ প্রদান করতে হবে।
১২. ভোকেশনাল শিক্ষাকে সাধারণ শিক্ষার মূল ধারায় যুক্ত করে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কারিগরি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠাকরণ সহজ করতে হবে।
১৩. দেশীয় প্রযুক্তিকে উন্নত করার মাধ্যমে মেধাবীদের মূল্যায়নের পাশাপাশি দেশের বেকারত্ব দূর করার জন্য কারিগরি প্রশিক্ষনের এবং বেকারদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে ।
১৪. শিক্ষার সকল স্তরের পাঠ্যপুস্তকে ধর্মীয় ও নৈতিকতাবোধের আলোকে এবং ২০২৪ এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস গুরুত্বের সাথে তুলে ধরতে হবে।
১৫. সকল শ্রেণিতে মহানবী (সা:) এর জীবনীসহ মহামানবদের জীবনী সম্বলিত প্রবন্ধ, গল্প ও কবিতারসংযোজন করতে হবে।
১৬. কওমী মাদরাসা শিক্ষার স্তরগুলোকে সাধারণ শিক্ষার সমমান দেওয়া। কওমী মাদরাসাসমূহের সকল বোর্ডকে একটি বোর্ডে রুপান্তর এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মতত্ত্ব অনুষদের মাধ্যমে বিষয় ভিত্তিক মাস্টার্সের সার্টিফিকেট প্রদান করা।
১৭. ধর্মীয় দায়িত্ব পালন ও মধ্যপ্রাচ্যে দক্ষ জনশক্তি সরবরাহের লক্ষ্যে স্কুল, কলেজসমূহে ধর্মীয় বা আরবী ভাষা শিক্ষক হিসাবে এনটিআরসিএ দ্বারা নিয়োগ প্রদান করতে হবে ।
১৮. প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়ী মনোভাব দূর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে যেমন সরকারি খাস জমি বরাদ্দ দেয়া, ইউনিভাসিটি উদ্যোক্তাদের থেকে শিক্ষা সেবা মর্মে অঙ্গীকার নেয়া এবং IQAC নিশ্চিত করা ।
১৯. বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বেতন কাঠামো রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারণ করে দেয়া।
২০. স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা স্থাপন, পাঠদান অনুমতি, স্বীকৃতি প্রদান এবং এমপিওকরণ নীতিমালা বাস্তবায়নে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তাদের দীর্ঘসূত্রীতা অবলম্বন বন্ধ করতে হবে। 
২১. স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা নীতিমালা ২০২৫ পরিপূর্ণ অনুসরণ করতে প্রতি ৩ মাস পর পর যেসকল মাদ্রাসা এমপিও অর্জনের উপযোগিতা পূরণ করেছে তাদেরকে এমপিওভুক্ত করতে হবে।
২২. যে সকল মাদ্রাসা জাতীয়করণের শর্ত পূরণ করবে তাদেরকে নিয়মিত এবং ধারাবাহিকভাবে এমপিও ও জাতীয়করণ করতে হবে।
২৩. ৫ আগস্টের পর বেশ কয়েকটি শিক্ষক সংগঠনের শিক্ষকরা ক্লাসরুমে পাঠদান ছেড়ে তাদের পেটের ক্ষুধা নিবারণের জন্য রাজপথে দিন-রাত তাদের দাবী পুরণের জন্য সরকারের নিকট দাবী জানিয়ে আসছে। কিন্তু তাদের দাবি পূরণে সরকার কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা। অথচ এই শিক্ষকরা বৃষ্টিতে ভিজে, রোদ্রে পুরে, মশার কামড় খেয়ে তারা অসুস্থ হয়ে পরছে। তাই সরকারের প্রতি আমাদের জোরদাবি এই সকল শিক্ষক সংগঠনের যুক্তি সংগত দাবীগুলো মেনে নিন। সম্মিলিত নন-এমপিও ঐক্য পরিষদ, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদসহ অন্যান্য শিক্ষক সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন যাবত তাদের দাবী- দাওয়া আদায়ের জন্য রাজপথে আন্দোলন করছে।
২৪. অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ তহবিলে ইতোমধ্যে যারা আবেদন করেছে তাদের প্রাপ্য অবিলম্বে সরকারি তহবিল থেকে প্রদান করতে হবে ।
২৫. ১৭ ও ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তির্ণ হয়েও যারা বাদ পরেছে অবিলম্বে তাদের নিয়োগ প্রদান করতে হবে।

উপরে উল্লেখিত দাবিসমূহ যদি অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা না হয় তাহলে শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের লক্ষে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন রাজপথে আন্দোলন করতে বাধ্য হবে। আশা করি আপনারা শিক্ষক সমাজের অতীত ভূমিকাকে মূল্যায়ন করে উপরেউল্লেখিত দাবিগুলো বাস্তবায়নে আপনাদের সহযোগীতা প্রত্যাশা করছি। পরিশেষে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ও শিক্ষা উপদেষ্টা মহোদয়ের নিকট আমাদের উল্লেখিত দাবিসমূহ বাস্তবায়নে আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি। 

আমরা চাই, শিক্ষা হোক জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি,শিক্ষক সমাজ হোক মর্যাদার প্রতীক এবং আদর্শ ও আলোকিত মানুষ তৈরির সত্যিকারের কারিগর। তাই আসুন আমরা সকলে একসাথে মিলিত হয়ে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা এবং বাংলাদেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাই। একটি শিক্ষিত,আত্মমর্যাদা ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আল্লাহ তাআলা আমাদের সহায় হোন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - জাতীয়