a ৭ জেলায় লকডাউনের ফলে বিচ্ছিন্ন ঢাকা শহর
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ মাঘ ১৪৩২, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

৭ জেলায় লকডাউনের ফলে বিচ্ছিন্ন ঢাকা শহর


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১, ১০:৪২
৭ জেলায় লকডাউনের ফলে বিচ্ছিন্ন ঢাকা শহর

সংগৃহীত ছবি

মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় ঢাকার চারপাশের নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জসহ সাত জেলায় কঠোর লকডাউন (বিধিনিষেধ) শুরু হয়েছে। মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জও আছে এই লকডাউনের আওতায়।

এই লকডাউন বহাল থাকবে মঙ্গলবার (২২ জুন) সকাল ৬টা থেকে ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত। এতে ঢাকা প্রায় বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
 
ইতিমধ্যে ঢাকা থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করা দূরপাল্লার বাসও বন্ধ রয়েছে। এই জেলাগুলোর মধ্যে যেগুলোতে ট্রেন চলাচল করে, সেখানে বন্ধ থাকবে।

গত সোমবার রাতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিটিএ) জানিয়েছে যে, কঠোর লকডাউন দেয়া ৭টি জেলার মধ্যে ছাড়াও ঢাকার সঙ্গে সারা দেশের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল মঙ্গলবার (২২ জুন) সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
 
অন্যদিকে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচলকারী দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ।

সোমবার রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সরকার যে সাত জেলায় লকডাউন ঘোষণা দিয়েছে, তার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, রাজবাড়ী জেলায় রেল যোগাযোগ রয়েছে। এই তিনটি জেলায় ট্রেনে যাত্রী পরিবহন বন্ধ থাকবে। এসব জেলায় ট্রেন থামবে না। গাজীপুরে ক্রসিংয়ে ট্রেন থামলেও যাত্রী ওঠানামা করতে পারবে না। বাকি চারটি জেলা-মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ, গোপালগঞ্জে ট্রেন যোগাযোগ নেই।

সোমবার (২১ জুন) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জরুরি ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, রাজবাড়ী, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জে বিধিনিষেধ (লকডাউন) আরোপ করা হয়েছে।

লকডাউন চলাকালে সার্বিক কার্যাবলি চলাচল (জনসাধারণের চলাচলসহ) সকাল ৬টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় শুধু আইন-শৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন-কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের (নদীবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাকসেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এবং পণ্যবাহী ট্রাক/লরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

‘ড. ইউনূসের পক্ষে বিশ্ব নেতাদের বিবৃতি, বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ’


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২৯ আগষ্ট, ২০২৩, ০১:২৫
‘ড. ইউনূসের পক্ষে বিশ্ব নেতাদের বিবৃতি, বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ’

ফাইল ছবি

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ এবং গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে চলমান বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত করতে প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্ব নেতাদের দেওয়া চিঠিকে বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন মামলা সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এনেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের কাছে আইনজীবী খুরশীদ আলম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিশ্ব নেতারা বাংলাদেশের আইন, বিচার বিভাগকে না জেনে, পর্যালোচনা না করে অযাচিতভাবে বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ করছেন। তারা আদালতে ড. ইউনূসের মামলা নিয়ে এত মাতামাতি করছেন কেন আমার বুঝে আসে না।

বিশ্ব নেতাদের বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানিয়ে খুরশীদ আলম খান বলেন, বাংলাদেশে আসুন, দেখুন কত স্বচ্ছতার সঙ্গে ড. ইউনূসের মামলার বিচারকাজ চলছে। শুধু ড. ইউনূসের কথায় বাংলাদেশের বিচার বিভাগ নিয়ে বিরূপ ধারণা পোষণ করবেন না।

এর আগে ড. মুহম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে চলমান বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত করা এবং বাংলাদেশের আগামী সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক করার জন্য শেখ হাসিনাকে খোলা চিঠি দিয়েছেন ১৭৫ জন বৈশ্বিক নেতা।

সোমবার প্রকাশিত সেই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি তাকে (ড. ইউনূস) লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করায় আমরা উদ্বিগ্ন এবং এটি তাকে বিচারকভাবে হেনস্তা করার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া বলে আমাদের বিশ্বাস।’

চিঠির শুরুতে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’ সম্বোধন করে লেখা হয়েছে—

‘আমরা নোবেল পুরস্কার বিজয়ী, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের নেতার পাশাপাশি বাংলাদেশের বন্ধু হিসেবে লিখছি। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকে আপনাদের জাতি যেভাবে প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে আমরা তার প্রশংসা করি।

কিন্তু সম্প্রতি বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি যে হুমকি পরিলক্ষিত হচ্ছে, তাতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমরা বিশ্বাস করি, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া এবং নির্বাচনের সময় প্রশাসন দেশের সব বড় দলের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়াটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগের দুটি জাতীয় নির্বাচনে বৈধতার অভাব ছিল।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে মানবাধিকারের প্রতি যে হুমকি আমাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে তা হলো— নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের মামলা। আমরা উদ্বিগ্ন এই কারণে যে, আমাদের মনে হচ্ছে তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এটা ক্রমাগত বিচারিক হয়রানি বলেই আমাদের বিশ্বাস। এর আগেও ৪০ জন বিশ্বনেতা তার নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে আপনার কাছে যে আবেদন করেছিলেন। এই চিঠিটি তার ওপর ভিত্তি করেই লেখা হয়েছে। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আপনি অবিলম্বে অধ্যাপক ইউনূসের বিরুদ্ধে বর্তমান বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত করুন। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বঙ্গবাজারে ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর দল


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২৩, ০৯:৪৬
বঙ্গবাজারে ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর দল

ছবি সংগৃহীত

বঙ্গবাজারে ভয়াবহ আগুনে জ্বলছে পুরো বঙ্গবাজারসহ আশে-পাশে আরও ৪টি ভবন। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫০টি ইউনিট। একইসঙ্গে যোগ দিয়েছে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সাহায্যকারী দল। আকাশে ৩টি হেলিকপ্টার আগুন নেভাতে কাজ করছে। মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) ভোরের দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রায় ৪ হাজার দোকান আছে বলে উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে জানা যায় এবং এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু হায়দার মো. রাসেলুজ্জামান জানান, বঙ্গবাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি সম্মিলিত সাহায্যকারী দল কাজ করছে।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক বলেন, মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৬টা ১০ মিনিটে বঙ্গবাজার মার্কেট আগুন লাগার খবর পাই। সংবাদ পাওয়ার পর আমাদের একের পর এক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে ৪৭টি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছে। সঙ্গে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সাহায্যকারী দল যুক্ত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগুনে এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও জানানো যাচ্ছে না। এদিকে ভয়াবহ এই আগুন নেভাতে পানির সংকটে পড়েছে কর্মীরা। দ্রুত সেই সমস্যা সমাধানে বঙ্গবাজারের পার্শ্ববর্তী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদুল্লাহ হলের পুকুর থেকে আনা হচ্ছে পানি।

ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মার্কেটের চার দিক থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তবে বাতাসের কারণে আগুন ছড়িয়ে পড়ছে। বঙ্গবাজার মার্কেটে লাগা আগুন পাশের এনেক্সকো টাওয়ারেও ছড়িয়ে পড়েছে। আগুনের কারণে ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে ছেয়ে গেছে বঙ্গবাজারের আকাশ। ভয়াবহ এ আগুনের কারণে প্রচণ্ড তাপ অনুভূত হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আগুনের তীব্রতা বাড়ছে।

মার্কেটের দোকানিরা জানান, প্রথমে আগুন লাগে গুলিস্তান মার্কেটে। সেখানে থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বঙ্গবাজার মার্কেটে। এখন পাশের অন্য ভবনগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। কাপড়ের মার্কেট হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - জাতীয়