a
ফাইল ছবি
টোকিও অলিম্পিক গেমসে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে অংশ নিয়ে ৯ দশমিক ৮০ সেকেন্ড সময় নিয়ে সেরা হন মার্সেল জেকবস। অলিম্পিকে এই প্রথম স্বর্ণ পদক জয়ের স্বাদ পেলেন ২৬ বছর বয়সী এই ইতালিয়ান। হিটে (রাউন্ড-১) ৯ দশমিক ৯৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছিলেন জেকবস। কিন্তু মূল লড়াইয়ে করলেন বাজিমাত। ফ্রেড কার্লি ৯ দশমিক ৮৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে রুপা পেয়েছেন। কানাডার আন্দ্রে দে গ্রাস ৯ দশমিক ৮৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে পেয়েছেন ব্রোঞ্জ। বাঁশি বাজার আগেই গ্রেট ব্রিটেনের জার্নেল হিউজ দৌড় শুরু করে ডিসকোয়ালিফাইড হন।
২০১২ সালে লন্ডন অলিম্পিকে ৯ দশমিক ৬৩ সেকেন্ড টাইমিং করে অলিম্পিকের রেকর্ড গড়েছিলেন বোল্ট। কিংবদন্তি এই স্প্রিন্টার ২০০৯ সালে জার্মানির বার্লিনে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ্সে ৯ দশমিক ৫৮ সেকেন্ড টাইমিং করে গড়েছিলেন বিশ্বরেকর্ড। টানা তিন অলিম্পিকসে ১০০ মিটার ও ২০০ মিটারে সোনা জয়ী একমাত্র অ্যাথলেট আজ অবসরে। কিন্তু ১০০ মিটারে তার টাইমিংয়ের রেকর্ড এখনো অটুট।
আগে ১০০ মিটার মানেই জ্যামাইকান আধিপত্য। এবার টোকিওতে সব ম্লান। ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ছিলেন না কোনো বোল্টের স্বদেশী। তবে মেয়েদের ১০০ মিটার জিতে ঐতিহ্যটা ধরে রেখেছেন শেলি অ্যান ফ্রেজার।
ফাইল ছবি
ইউরোপিয়ান গার্লস ম্যাথ অলিম্পিয়াড (ইজিএমও) ২০২১-এ অংশগ্রহনকারী মেয়েরা রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছে। এই প্রথমবার বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ অলিম্পিয়াডে অংশ নেয়।
গত ১১ ও ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় ইজিএমও ২০২১। ২০১২ সাল থেকেই ইজিএমও যাত্রা শুরু হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও অনুষ্ঠিত হয় এই অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠান। এ বছর করোনা মহামারীর কারনে অনলাইনে আয়োজিত হয় এ প্রতিযোগিতা। এবার ৫৫টি দেশের ২১৩ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে।
প্রথমবার অংশগ্রহণ করেই বাংলাদেশের প্রতিযোগী নুজহাত আহমেদ দিশা ১৫ পয়েন্ট পেয়ে অর্জন করেছে রৌপ্যপদক আর রায়ান বিনতে মোস্তফা ৮ পয়েন্ট পেয়ে জয় করেছে একটি ব্রোঞ্জপদক।
এছাড়া এই প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে আরিফা আলম ও সাফা তাসনিমও ভালো নম্বর পেয়েছে। বাংলাদেশ দলের সর্বমোট পয়েন্ট ২৭। দলগত স্কোরে বাংলাদেশ দল ভারত, নেদারল্যান্ডসের মতো অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
ফাইল ফটো: মাশরাফি
বিসিবিকে নিয়ে সাকিবের বক্তব্যে এমনিতেই উত্তাল ময়দান। নতুন করে মাশরাফির দেয়া একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য যেন আগুনে ঘি ঢালছে। এবার টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়ার ব্যাপারে মুখ খুলছেন তিনি।
মাশরাফি বলেন, ২০১১ বিশ্বকাপের আগে ডাক্তার ক্লিয়ারেন্স দেয়ার পরও আমাকে দলে নেয়া হয়নি। ২০১৭ সালে যখন অবসরে গেলাম তখন আমার পাশে কেউ ছিল না, দেশের মানুষ ছাড়া। আমি যখন শ্রীলঙ্কায় হোটেলে যাই, আমি তখনও ট্রাভেল স্যুটও খুলিনি তার আগেই আমার সঙ্গে বৈঠকে বসে।
মাশরাফি আরো বলেন, ওই বৈঠকের পরই আমি ভাবি যে, কিছু একটা গোলমাল আছে। কেন? টি-টোয়েন্টি সিরিজটা যখন আসলো তখন ভাবলাম, সবার বিপরীতে থাকার প্রয়োজন নাই। অবস্থা এমন হয়েছিল, তাই অবসর নিতে বাধ্য হয়েছিলাম ওই সময়ে।