a
ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সদ্য গঠিত কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা সুব্রত সরকার । গত (২৪ জুলাই) রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সুব্রত সরকার কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হওয়ায় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্রাচার্য এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। নব- মনোনীত যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুব্রত সরকার এর বাড়ি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার পাঁচগাছিয়া (পশ্চিম) ইউনিয়নের হরিণা বাজার খোলা গ্রামে।
সুব্রত সরকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। সুব্রত সরকার জানান, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন ছাত্রলীগের কর্মী। আমি সততা এবং নিষ্ঠার সাথে আমার দায়িত্ব পালন করবো। জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে দিন রাত নিরলস ভাবে কাজ করে যাব।
ফাইল ছবি
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আমাদের সুরুক্ষা দিতে দিন-রাত প্রস্তুত থাকেন। সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হয় মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়তে। তবে এত সবের মাঝে কতটুকুই বা সময় নিজেকে দিতে পারেন? তার পুরোটাই অজানা তাদের। কিন্তু সেই অবসরে যদি মনের সুখে গান গেয়ে ফেলেন, আর সেই গান মানুষ মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনছেন তাহলে ব্যাপারটা অস্বাভাবিক হয়ে দাঁড়ায়।
তবে সম্প্রতি এই অস্বাভাবিক ব্যাপারটিকেও স্বাভাবিক করেছেন দীপু নামের একজন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী। ‘আমার মতো এতো সুখী নয় তো কারো জীবন…’ এই গানটি বাবা কেন চাকর চলচ্চিত্রে নায়ক রাজ রাজ্জাকের ঠোঁটে শোনা গেছে। এই গানের সঙ্গে চোখের জল ঝরেছে বাংলা চলচ্চিত্রের কত শত দর্শকের। এই গানটি গেয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মী দীপু।
উক্ত ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছেন দীপু একটি অব্যবহৃত তরলের প্লাস্টিকের ড্রামের মতো পাত্রের মধ্যে বসে সেটাকেই বাদ্যযন্ত্র বানিয়েছেন। নিজে সেটা বাজাচ্ছেন আর গাইছেন- ‘আমার মতো এতো সুখী, নয়তো কারো জীবন, কি আদর স্নেহ ভালোবাসায়, জড়ানো মায়ার বাধন, জানি এ বাঁধন ছিঁড়ে গেলে কভু, আসবে আমার মরণ…’ খালিদ হাসান মিলুর অসংখ্য জনপ্রিয় গানের মধ্যে একটি এই গান।
মিলুর গানটি মানুষ শোনেন এখনো। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী দীপুর খালি গলায় গাওয়া এই গান শুনেছেন এক কোটি ২০ লাখ মানুষ। অবিশ্বাস্য হলেও। ফেসবুকের ওই পেইজের মাধ্যমে ১২ মিলিয়ন বার শোনা হয়েছে গানটি।
দীপুর গানটি ভাইরাল হলেও দীপুর সবিস্তার পরিচয় জানা যায়নি। জানা যায়নি কোন ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে বসে তিনি গানটি গেয়েছেন। একটি ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে গানটি ভাইরাল হয়েছে। আর পেইজটিও চালানো হয় দেশের বাইরে থেকে।
উল্লেখ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার আদলে দীপুর মতো হাজার হাজার মানুষ তাদের সোশ্যাল এক্টিভিটিসের মাধ্যমে তাদের মেধার বিকাশ করে থাকে এবং নিজেদের তুলে ধরে।
ফাইল ছবি
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের (ইপিএল) হাইভোল্টেজ ম্যাচে দশজন নিয়েও লিভারপুলকে তাদের মাঠেই আটকে দিল চেলসি। শনিবার (২৮ আগস্ট) রাতে তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচে অলরেডদের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে ব্লুরা।
চেলসির হয়ে কাই হাভার্টজ আর লিভারপুলের হয়ে সালাহ করেন একটি করে গোল। প্রথমার্ধে যোগ করা সময়ে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন চেলসি প্লেয়ার রিস জেমস। লাল কার্ডের বদৌলতে পেনাল্টি পায় লিভারপুল সেই শটে গোল করেন মিশরের তারকা মোহাম্মদ সালাহ।
করোনার কারনে গত সিজনে মাঠে দর্শক প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এবার অনুমতি পেয়েছে দর্শকরা। তৃতীয় রাউন্ডে এসেই লিভারপুল চেলসির হাইভোল্টেজ ম্যাচ উপভোগের সুযোগ পেয়েছে ফুটবলপ্রেমীরা। লিভারপুল বস ইয়্যুর্গেন ক্লপ ৪-৩-৩ ফরম্যাশন নিয়ে মাঠে নামে। অন্যদিকে, থমাস টুখেল তার দল সাজান ৩-৪-২-১ এ। যেখানে আছেন গেল ম্যাচেই অভিষেক হয়ে গোল করা বেলজিয়ান তারকা রোমেলু লুকাকু।
শুরু থেকেই আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। সুযোগ তৈরি হয় দু’দলেরই। কিন্তু সেই সুযোগ শেষমেশ কাজে লাগায় চেলসি। ম্যাচের ২২তম মিনিটে রেইসের অ্যাসিস্টে দারুণ এক গোল করেন কাই হাভার্টজ। গোল খেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে লিভারপুল। আক্রমণ থামায়নি চেলসিও। ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিল ব্লুরা। তবে, সে যাত্রায় তা ব্যর্থ হয় ফরোয়ার্ডদের ভুলে।
এদিকে সমতায় ফিরতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি স্বাগতিকদের। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সাদিও মানের শট গোললাইনে দাঁড়িয়ে থাকা চেলসি ডিফেন্ডার রেইসের হাতে লাগলে পেনাল্টি পায় লিভারপুল। তা থেকেই গোল করে ম্যাচ সমতায় ফেরান মিসরীয় ফরোয়ার্ড মোহামেদ সালাহ।
ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষে দশজন নিয়ে খেলতে হবে এটা হয়তো ভাবেনি চেলসি। কিন্তু কোচ টুখেল ঠিকই নতুন গেম প্ল্যান নিয়ে বিরতির পর ফিরেছেন। একের পর এক খেলোয়াড় পরিবর্তন করে মজবুত করেছেন রক্ষণভাগ। কারণ আর যাই হোক গোল খাওয়া যাবে না। হয়েছেও তাই। পুরোটা সময় আর কোনো গোল হজম করতে হয়নি তাদের। ফলে ড্র করেই ঘরে ফিরেছে ব্লুরা।