a
ফাইল ছবি
সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলন সমর্থিত সামরিক বাহিনী। ইয়েমেন জানায়, এই হামলা তাদের বিরুদ্ধে সৌদি আরব ও তার মিত্র কয়েকটি আরব দেশের বর্বরোচিত আগ্রাসন এবং সর্বাত্মক অবরোধের জবাব।
গতকাল মঙ্গলবার ইয়েমেনি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারিয়ির জানান, তাদের সেনারা সৌদি আরবের খামিস মুশাইত শহরের কিং খালিদ বিমানঘাঁটির কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। জেনারেল সারিয়ির বরাত দিয়ে ইয়েমেনের আল-মাসিরা টেলিভিশন চ্যানেল জানায়, অভ্যন্তরীণভাবে তৈরি দুটি কাসেফ-টু কে কম্ব্যাট ড্রোন দিয়ে ওই হামলা চালায়।
জেনারেল সারিয়ি আরও জানান, নিখুঁতভাবে ড্রোনগুলো তাদের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। গত মাসেও ইয়েমেনের বিমান বাহিনী সৌদি আরবের স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা করেছে। এর মধ্যে আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও কিং খালিদ বিমানবন্দর প্রায়ই হুথি সমর্থিত সেনাদের হামলার শিকার হচ্ছে। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
এক ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে ফিলিস্তিনের গাজায় আলজাজিরা, এপি, মিডল ইস্ট আইসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের ব্যবহার করা একটি ভবনে হামলা করেছে ইসরাইল।
আজ শনিবার ১২তলা বিশিষ্ট আল-জালা ভবনটিতে বিমান হামলা চালিয়েছে হায়েনা ইসরাইলি বাহিনী।
এর আগে ইসরাইলি বাহিনী আলজাজিরা টিভি চ্যানেল ও অন্যান্য মিডিয়ার স্থানীয় অফিসকে বিমান হামলা থেকে বাঁচতে অবরুদ্ধ গাজার এ অফিসটি থেকে সরে যেতে আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছিল। আলজাজিরা লাইভ আপডেটে এসব কথা জানানো হয়।
আলজাজিরার প্রতিনিধি জানান, তারা গত ১৫ বছর যাবত এ অফিসটি ব্যবহার করে আসছিলেন। তারা অফিসটি থেকে গুরুত্বপূর্ণ আর্কাইভ এবং যন্ত্র ও সরঞ্জামাদি স্থানান্তর করতে পারেননি।
আলজাজিরা ভবন মালিক ও ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তার সাথে তাদের কথোপথনও প্রচার করা হয়েছে, যেখানে তারা মালামাল স্থানান্তরে আরো সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু ওই কর্মকর্তা তাদের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছেন।
অনেক সাংবাদিক ইসরাইলি বোমাবর্ষণ ও স্বল্প সময়ের নোটিশের কথা উল্লেখ করার বিষয়টি টুইটে আপডেট দিয়ে যাচ্ছেন। সূত্র : মিডিল ইস্ট আই
ফাইল ছবি
কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে আজ মঙ্গলবার কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে লুকা মডরিচদের বিপক্ষে মাঠে নামবে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় শুরু হবে ম্যাচটি।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পাঁচবারের মুখোমুখি দেখায় সমানে সমান দল দুটি। লে আলবিসেলেস্তেদের দুই জয়ের বিপরীতে ক্রোয়াটরাও জিতেছে দুটি ম্যাচ, ড্র হয়েছে একটি ম্যাচ।
জানা যাক, আর্জেন্টিনা-ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি দেখায় কেমন ছিল তাদের কৌশল-
আর্জেন্টিনার কৌশল: ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনা খানিকটা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে একাদশ সাজায়। গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান বলছে, ব্যাকলাইনে চারজন রেখে মাঝমাঠ তিনজন আবার কখনও চারজনকে নিয়ে ফরমেশন সাজানো হয়। সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচে দুই দলের হেড টু হেড ম্যাচ বিশ্নেষণ করলে দেখা যায়, আর্জেন্টিনা ক্রোয়েশিয়াকে আটকাতে শুরুতে বলের পজেশনটা ঠিক রাখে। এরপর দ্রুত আক্রমণ শানায়। লং পাসে খেলতে কমই দেখা যায় তাদের। মাঝমাঠ থেকে দুই উইং বা ডি বক্সের ভেতরে জটলা ভেঙে সাফল্য পেতে চায়।
ক্রোয়েশিয়া কৌশল: বল দখলে রাখার প্রতি বেশি মন নেই তাদের। মাঝমাঠে বলটা কিছুক্ষণ আটকে লং শটে বা কাউন্টার অ্যাটাকে রক্ষণ ভাঙতে চায়। সে ক্ষেত্রে আগের ম্যাচগুলোতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার গোলমুখে তেমন একটা শট না নিতে পারলেও অল্প শটেও দারুণ সফল দলটি। আর ম্যাচের লিড নেওয়ার পর রক্ষণ দেয়ালে নতুন কোনো সেনানী যোগ করে না। উল্টো পিছিয়ে থাকা আর্জেন্টিনার ওপর আক্রমণের চাপ বাড়িয়ে দেয়। যেটা ক্রোয়েশিয়ার ভয়ংকর একটা রূপ। সূত্র: সমকাল