a শিশুদের সামনে ৭টি কাজ ভুলেও করা যাবে না
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৪ পৌষ ১৪৩২, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

শিশুদের সামনে ৭টি কাজ ভুলেও করা যাবে না


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১, ০৮:৪৫
শিশুদের সামনে ৭টি কাজ ভুলেও করা যাবে না

সংগৃহীত ছবি

শিশুদের সবচেয়ে বড় শিক্ষক হচ্ছে মা বাবা। সবচেয়ে বড় শেখার জায়গাই হচ্ছে তার পরিবার। পরিবারে মা-বাবা যা করেন, সন্তানরাও তাই শেখে। বড়দের আচরণের ছাপ ছোটদের মধ্যে পড়ে। তবে এমন কিছু কাজ কিংবা আচরণ আছে, যা শিশুদের সামনে মোটেও করা যাবে না। আসুন জেনে নিই সে সম্পর্কে—

ফোন ও টিভির ব্যবহার কম করা:
শিশুরা যদি সবসময় মা-বাবাকে টিভি বা ফোনে ব্যস্ত থাকতে দেখে, তা হলে সেও তাদের মতোই একইভাবে সময় কাটানো শিখবে। তাই শিশুদের সময় দিতে হবে বেশি এবং তাদের সামনে টিভি ও ফোনের পেছনে সময় যতটা সম্ভব কম ব্যয় করতে হবে।

কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার নয়:
মা-বাবা তাদের পরিবারের অন্য কোনো সদস্য, প্রতিবেশী বা বন্ধুর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে থাকলে, শিশুদের ওপর সেটির বাজে প্রভাব পড়বে। কারও সঙ্গে মতের অমিল হলে বা কাউকে অপছন্দ করলেও শিশুদের সামনে তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করা যাবে না। সেটি করলে শিশুরাও সেই ব্যক্তিকে কোনো সময় অপমান করতে পারে বা খারাপ ব্যবহার করতে পারে।

খাবার নষ্ট নয়:
জীবনে খাবারের গুরুত্ব কতটা তা শিশুদের বোঝাতে হবে, তাদের কাছে খাওয়ার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে হবে। তাই তাদের সামনে কখনও খাবার অপচয় করা যাবে না। তাদের এটা বোঝাতে হবে যে খাবার নষ্ট করা খুব খারাপ অভ্যাস।

ভদ্রতা বজায় রাখা:
শিশুরা আশপাশে থাকলে স্বামী-স্ত্রীর ভদ্রতা বজায় রাখতে হবে। তাদের সামনে এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যা তাদের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। সবসময় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ভালো আচরণ করতে হবে।

চিৎকার না করা:
রেগে গেলে বা খুব বিরক্তের সময় আমরা চিৎকার চেচামেচি করি। যেটির প্রভাব শিশুদের ওপর পড়ে। এমন পরিস্থিতি আসলে মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আর যদি শিশুদের সামনে এমনটি করা হয়, তা হলে তাদের মনে হবে যে এমনটি করা ঠিক কাজ।

বাজে মন্তব্য না করা:
কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে শিশুদের সামনে বাজে মন্তব্য করা যাবে না। কারও গায়ের রঙ, রূপ, শরীর বা খারাপ গুণাবলি নিয়ে মন্তব্য করা যাবে না। এটি করলে তারাও এই অভ্যাস পেয়ে বসবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আজ বিশ্ব মা দিবস


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ০৯ মে, ২০২১, ১২:১২
আজ বিশ্ব মা দিবস

ফাইল ছবি

 

"মা" ছোট শব্দ কিন্তু এই শব্দের মাঝেই লুকিয়ে থাকে অকৃতিম ভালবাসা। মা কথাটি শুনলেই সকলের কষ্ট অর্ধেক হয়ে আসে। যিনি শত বাধা আর বিপত্তিকে পাশ কাটিয়ে আমাদের মুখে সব সময় হাসি ফুটিয়ে রাখেন তিনি হলেন মা। 

যার কল্যাণে আমরা এই বসুন্ধরার  আলোর মুখ দেখার সৌভাগ্য লাভ করেছি তিনিই মা। সেই জননির স্মরণে প্রত্যেক বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার ‘বিশ্ব মা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। প্রকৃতপক্ষে মাকে ভালোবাসা-শ্রদ্ধা জানানোর নির্দিষ্ট কোনো তারিখ বা দিন ঠিক করা যায় না। তারপরও মা দিবসে মাকে গভীর মমতায় স্মরণ করার দিন আজ।

ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, প্রথম দিকে প্রাচীন গ্রিসে বিশ্ব মা দিবসের পালন করার সূত্রপাত হলেও বর্তমানকালে মা দিবসের প্রবর্তন করেন এক মার্কিন নারী। ১৯০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আনা জারভিস নামের নারী মারা গেলে তার মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জারভিস মায়ের কাজকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য সচেষ্ট হন।

১৯০৫ সালে প্রথম তিনি তার সান ডে স্কুলে এ দিনটি মা দিবস হিসেবে পালন করেন। ১৯০৭ সালের এক রোববার আনা মারিয়া স্কুলের বক্তব্যে মায়ের জন্য একটি দিবসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন।

১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেস মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে ‘মা’ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এভাবেই শুরু হয় মা দিবসের যাত্রা। তারই ধারাবাহিকতায় আমেরিকার পাশাপাশি মা দিবস এখন বাংলাদেশসহ অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, রাশিয়া ও জার্মানসহ শতাধিক দেশে মর্যাদার সঙ্গে দিবসটি পালিত হচ্ছে। 

প্রতিটি মায়ের জন্য অকৃতিম ভালবাসা আর শ্রদ্ধায় ভরে উঠুক প্রতিটি মূহুর্ত। করোনাকালীন সময় হওয়াতে এ বছরব হয়ত কোন অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে না কিন্তু মাকে ভালবাসার ত কোন নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানেরও দরকার হয় না। মাকে সবসময় ই ভালবাসা যায়। ভাল থাকুক পৃথিবীর সকল মা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সনাতন পার্টিকে শক্তিশালী করতে কর্মিদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান ও ৮ দফা দাবী 


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:১৯
সনাতন পার্টিকে শক্তিশালী করতে কর্মিদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান ও ৮ দফা দাবী 

ছবি : মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  বাংলাদেশ সনাতন পার্টি এর কর্মী সম্মেলন উপলক্ষে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তি ও সনাতনী সম্প্রদায়ের পুর্ব ঘোষিত ৮ দফা দাবির বাস্তবায়ন এবং নিবন্ধন সংক্রান্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। 

আজ রোজ শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে এটি আয়োজন করে বাংলাদেশ সনাতন পার্টি। উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সনাতন পার্টি এর সভাপতি আশিষ কুমার দাশ এর সভাপতিত্বে ও প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সুমন কুমার রায় এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনিন্দ্র কুমার নাথ।

উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক অশোক তরু, মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কলামিষ্ট সুরঞ্জন ঘোষ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহবায়ক অনিক রায়, সম্মিলিত সনাতন পরিষদের অ্যাড. জিতেন বর্মন শ্যামল সরকার, বাংলাদেশ সনাতন পার্টি এর স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য সাংবাদিক শ্যামল কান্তি নাগ, অ্যাড. লিটন বনিক, প্রাণতোষ তালুকদার, মোহন সরকার, দিলিপ অধিকারী, অনিল সাধু, বাংলাদেশ সনাতন পার্টি এর চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক অজয় ভট্টাচার্য, নয়ন বিশংগ্রী, গৌরঙ্গ দে, বাংলাদেশ হিন্দু লীগের সাধারণ সম্পাদক শংকর, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোটের সভাপতি প্রদীপ কান্তি দে, রনি 
রাজবংশী, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসংঘের পিযুস দাস, সনাতন সংগঠনের মিঠুন ভট্টাচার্য শুভ এছাড়াও বাংলাদেশ সনাতন পার্টি এর দপ্তর সম্পাদক সুজীৎ দাস, জয় চক্রবর্তী, বিকাশ অধিকারী, অমিত মালী, রাহুল, জয়পুর হাটের বন্ধন বাগচী, শায়ান বালা, জন্টু জয়ন্তসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। 

অনুষ্ঠানে বক্তারা অনতিবিলম্বে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে মুক্তি ও সনাতনী সম্প্রদায়ের ৮ দফাদাবী বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ সরকাররের প্রধান উপদেষ্টা দৃষ্টি আকর্ষন করেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি অনিক রায় সনাতনী সম্প্রদায়ের অস্থিত্ব রক্ষায় ও নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে সকলকে একসাথে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান। 

মূখ্য আলোচক কলামিষ্ট ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যান ফ্রন্ট এর ভাইস প্রেসিডেন্ট সুরঞ্জন ঘোষ বলেন হিন্দু সম্প্রদায় একচেটিয়া আওয়ামীলীগ কে ভোট দিলেও হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরাই বেশি লুটপাট ও দখল করছেন। 

বাংলাদেশ সনাতন পার্টি এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সুমন কুমার রায় বলেন সব সকারের আমলেই আমরা নির্যাতিত ও নীপিড়িত কোন সরকারের আমলেই আমাদের সঠিক অধিকার দেয়নি। সনাতনীরাই সবসময় বিভিন্ন দলের ভোটব্যাংক বা বলির পাঠা হিসেবে ব্যাবহার হয়েআসছে। বাংলাদেশ সনাতন পার্টি নিবন্ধন পেলে সনাতনীরা আগামী দিনে কারো ভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার হবে না এবং সনাতনী সম্প্রদায়কে বাদ দিয়ে কেউ ক্ষমতায় যেতে পারবে না। 

প্রধান অতিথি বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনিন্দ্র কুমার নাথ বলেন, বাংলাদশের সংখ্যালঘুর নির্যাতন হলেও সব সরকার তা বার বার অস্বীকার করেন যা জাতি হিসেবে আমাদের খুব লজ্জাজনক। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন বন্ধে দ্রুত সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মাননীয় উপদেষ্টা বরাবর দ্রুত বিচারের দাবী জানায়। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে বাংলাদেশ সনাতন পার্টি এর সভাপতি আশিষ কুমার দাশ বলেন সনাতনী সম্প্রদায়ের উপর সংগঠিত নির্যাতন ও নিপিড়নের ঘটনা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক তাই আগামীদিনে সনাতনী সম্প্রদায়ের অস্থিত্ব রক্ষার জন্য রাজনৈতিক দলের কোন বিকল্প নাই। তাই বাংলাদেশ সনাতন পার্টিকে শক্তিশালী করতে কর্মিদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। এবং তিনি নির্বাচন কমিশনকে বাংলাদেশ সনাতন পার্টি (BSP) কে নিবন্ধন দিয়ে সনাতনী সম্প্রদায়ের অস্থিত্ব রক্ষায় ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ