a শিশুদের সামনে ৭টি কাজ ভুলেও করা যাবে না
ঢাকা শনিবার, ১ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৪ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

শিশুদের সামনে ৭টি কাজ ভুলেও করা যাবে না


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১, ০৮:৪৫
শিশুদের সামনে ৭টি কাজ ভুলেও করা যাবে না

সংগৃহীত ছবি

শিশুদের সবচেয়ে বড় শিক্ষক হচ্ছে মা বাবা। সবচেয়ে বড় শেখার জায়গাই হচ্ছে তার পরিবার। পরিবারে মা-বাবা যা করেন, সন্তানরাও তাই শেখে। বড়দের আচরণের ছাপ ছোটদের মধ্যে পড়ে। তবে এমন কিছু কাজ কিংবা আচরণ আছে, যা শিশুদের সামনে মোটেও করা যাবে না। আসুন জেনে নিই সে সম্পর্কে—

ফোন ও টিভির ব্যবহার কম করা:
শিশুরা যদি সবসময় মা-বাবাকে টিভি বা ফোনে ব্যস্ত থাকতে দেখে, তা হলে সেও তাদের মতোই একইভাবে সময় কাটানো শিখবে। তাই শিশুদের সময় দিতে হবে বেশি এবং তাদের সামনে টিভি ও ফোনের পেছনে সময় যতটা সম্ভব কম ব্যয় করতে হবে।

কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার নয়:
মা-বাবা তাদের পরিবারের অন্য কোনো সদস্য, প্রতিবেশী বা বন্ধুর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে থাকলে, শিশুদের ওপর সেটির বাজে প্রভাব পড়বে। কারও সঙ্গে মতের অমিল হলে বা কাউকে অপছন্দ করলেও শিশুদের সামনে তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করা যাবে না। সেটি করলে শিশুরাও সেই ব্যক্তিকে কোনো সময় অপমান করতে পারে বা খারাপ ব্যবহার করতে পারে।

খাবার নষ্ট নয়:
জীবনে খাবারের গুরুত্ব কতটা তা শিশুদের বোঝাতে হবে, তাদের কাছে খাওয়ার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে হবে। তাই তাদের সামনে কখনও খাবার অপচয় করা যাবে না। তাদের এটা বোঝাতে হবে যে খাবার নষ্ট করা খুব খারাপ অভ্যাস।

ভদ্রতা বজায় রাখা:
শিশুরা আশপাশে থাকলে স্বামী-স্ত্রীর ভদ্রতা বজায় রাখতে হবে। তাদের সামনে এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যা তাদের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। সবসময় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ভালো আচরণ করতে হবে।

চিৎকার না করা:
রেগে গেলে বা খুব বিরক্তের সময় আমরা চিৎকার চেচামেচি করি। যেটির প্রভাব শিশুদের ওপর পড়ে। এমন পরিস্থিতি আসলে মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আর যদি শিশুদের সামনে এমনটি করা হয়, তা হলে তাদের মনে হবে যে এমনটি করা ঠিক কাজ।

বাজে মন্তব্য না করা:
কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে শিশুদের সামনে বাজে মন্তব্য করা যাবে না। কারও গায়ের রঙ, রূপ, শরীর বা খারাপ গুণাবলি নিয়ে মন্তব্য করা যাবে না। এটি করলে তারাও এই অভ্যাস পেয়ে বসবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

কুচবিহার জেলার দিনহাটায় ২ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত


অমৃতরায়, বিশেষ প্রতিনিধি, ভারত, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৪, ০১:২১
কুচবিহার জেলার দিনহাটায় ২ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

              সংবাদ সম্মেলন

 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি কুচবিহার জেলার দিনহাটায় ২ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত দিনহাটা বনেজ রিক্রেয়শন ক্লাবের উদ্যোগে ও সার্ক কালচারাল সোসাইটির সহযোগিতায় সম্প্রতি ২ দিনব্যাপী ৮ম আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কুচবিহার জেলার বিশিষ্ট সাহিত্যিক রামকুমার মুখোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সম্মানিত বিশেষ অতিথি ছিলেন কুচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য্য ড. নিখিল চন্দ্র রায়, সার্ক কালচারাল সোসাইটির ভারতীয় সভাপতি ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সাবেক যুগ্নসচিব ড. অমল কান্ত রায়, নেপালের সভাপতি রাজেন্দ্রগুড়াগাই, ভুটানের সভাপতি পুরকা বিশ্ব ও শ্রীলংকার প্রতিনিধি ড. চন্দ্রানী কস্তুরী আচার্য।

অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট লেখক সাদাত হোসাইন। বক্তব্য রাখেন প্রকাশক মাজহারুল ইসলাম, কবি আজিজুল হক, ..সম্পাদক আমিনুর রহমান, শান্তি নিকেতনের অধ্যাপক সুভাষ মুখার্জি। অনুষ্ঠানে শতাধিক কবি-সাহিত্যিক কবিতা পাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন।

সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশভাগ হলেও সংস্কৃতিতে ভাগ করা যায় না। সার্কভুক্ত দেশের জনগনের সঙ্গে জনগনের বন্ধুত্ব স্থাপন করাই হলো এ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য। সার্ক কালচারাল সোসাইটি বাংলাদেশের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.টি.এম. মমতাজুল করিম বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ১৯৭১ সালে ইন্দিরা গান্ধি সরকার যেভাবে সাহায্য করেছেন তা বাংলার জনগন আজীবন স্মরণ করবে। সম্মেলনে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট এর এডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ সামছুল আলম স্বপন, মোঃ আবদুল কুদ্দুস ও মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

 

FROM SAARC CULTURAL SOCIETY

65/4, GRAHAM ROAD

P.O & P.S.- REGENT PART

TOLLYGUNGE, KOLKATA-700040

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সৌদিতে ফ্রি স্কলারশিপে আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরাও


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১, ০১:৩১
সৌদিতে ফ্রি স্কলারশিপে আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরাও

ফাইল ছবি

সৌদি আরবের কিং আবদুল আজিজ ইউনিভার্সিটি বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল ফ্রি স্কলারশিপ (বৃত্তি) ঘোষণা করেছে। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের স্নাতক, মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে এই স্কলারশিপ দেওয়া হবে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে।

বিজ্ঞান, মানবিক, চারুকলা ব্যবসায় প্রশাসন, প্রকৌশল, কম্পিউটার প্রকৌশলসহ বেশকিছু একাডেমিক প্রোগ্রামে বৃত্তি দেওয়া হবে। চার বছরের স্নাতক, দুই বছরের স্নাতকোত্তর এবং তিন বছরের পিএইচডি ডিগ্রির জন্য এই বৃত্তি দেওয়া হবে।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সব খরচ বহন করবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে বিমানের টিকিট (রিটার্নসহ), পিএইচডি ও মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের জন্য ৪,০০০ রিয়াল ও ৩,০০০ রিয়াল থিসিস প্রিন্টিং ভাতা, বই কেনার ভাতা, থাকা-খাওয়া, স্বাস্থ্যসেবা, প্রস্তুতি ভাতাসহ মাসিক ভাতাও থাকবে। 

আবেদনে যোগ্যতা
ভালো একাডেমিক রেকর্ডের পাশাপাশি প্রার্থীদের বয়স মাস্টার্সের জন্য ১৭-২৫ বছর এবং পিএইচডির জন্য সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। সমাজবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় আবেদনকারীদের আরবি ভাষায় দক্ষতা লাগবে। বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে এখানে (https://dsa-scholarships.kau.edu.sa/404.htm) ক্লিক করুন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়