a পবিত্র আশুরা বৃহস্পতিবার, আজ মহররম মাসের চাঁদ দেখা যায়নি
ঢাকা সোমবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

পবিত্র আশুরা বৃহস্পতিবার, আজ মহররম মাসের চাঁদ দেখা যায়নি


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ০৯ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:২০
পবিত্র আশুরা বৃহস্পতিবার, আজ মহররম মাসের চাঁদ দেখা যায়নি

সংগৃহীত ছবি

আগামী বুধবার থেকে গণনা শুরু হবে নতুন হিজরী বর্ষ ১৪৪৩ হিজরী। সোমবার বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল মঙ্গলবার ৩০ দিন পূর্ণ করে জিলহজ মাস গণনা শেষ হবে। 

আগামী বুধবার থেকে শুরু হবে নতুন হিজরী বর্ষের গণনা। সে হিসাবে আগামী ২০ আগস্ট শুক্রবার মোতাবেক ১০ মহররম বাংলাদেশে পবিত্র আশুরা পালিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, সোমবার বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। বাদ মাগরিব বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। 

পবিত্র মহররম মাসের এই দিনে ইসলাম ধর্মের বিরোধীতাকারীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আল্লাহর হুকুমে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) নিজ মাতৃভূমি মক্কানগরী থেকে মদীনায় হিজরত করেন। আল্লাহর প্রিয় নবী ও রাসূল হিজরতের এই দিনটির স্মরণে মুসলিম উম্মাহ হিজরি সন পালন করে থাকেন। এছাড়া ইসলাম ধর্মের সব বিধি বিধানও হিজরি বর্ষপঞ্জী অনুযায়ী পালিত হয়।

হিজরি বর্ষপঞ্জী অনুযায়ী ১০ মহররম পবিত্র আশুরাও পালিত হয়। ইসলাম ধর্ম অনুসারী মুসলমানসহ বিশ্বেও বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায় তথা আসমানী কিতাবের অনুসারীদের কাছে আশুরা একটি অতি পবিত্র গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময় দিন। 

ইসলামের ইতিহাসের বহু উল্লেখযোগ্য নানান ধর্মীয় ঘটনাবলীর কারণে এই দিনটিকে বিশেষভাবে মহিমান্বিত করেছে। এসব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলীর মধ্যে সর্বশেষ হিজরী ৬১ সনের এদিনেই সংঘটিত হয় কারবালা প্রান্তরে ঐতিহাসিক কারবালা ট্রাজেডি বা হযরত ইমাম হোসাইনের (রা.) শাহাদাতের মর্মান্তিক ঘটনা। ফলে মুসলিম বিশ্বে কারবালার শোকাবহ ঘটনার কারণে ত্যাগ ও শোকের প্রতীক হিসেবেও দিনটি পালন করা হয়। 

এছাড়া মদীনায় হিজরতের প্রথম বছর থেকেই হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর নির্দেশে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা আশুরার আগের দিন বা পরের দিন মিলিয়ে এ উপলক্ষে দুইদিন রোজাসহ নফল ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে দিনটি পালন করে আসছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ভন্ড পীর সৈয়দ এম সাইদুর রহমান আল মাহবুবী কর্তৃক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালসহ থানার মিথ্যা মামলা দায়ের থেকে প্রতিবাদ


কামরুল হোসেন, রিপোর্টার, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৪ ফেরুয়ারী, ২০২৫, ১০:৪০
ভন্ড পীর সৈয়দ এম সাইদুর রহমান আল মাহবুবী কর্তৃক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালসহ থানার মিথ্যা মামলা দ

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

কামরুল হোসেন, ঢাকা:  ক্ষমতার বড়াই থাকলে কত কিছু করা যায় তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ দিলেন কথিত ভন্ড পীর এবং পীরের কিছু লোকজন। আজ ৩ বছরের শিশুকে নিয়ে শারমিন জাহানের ক্রন্দনের ধ্বনি স্তম্ভিত করে দেয় উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের।

আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, দুপুর ২ টায় রাজধানী ঢাকার "ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ" এর হলে ভন্ড পীর সৈয়দ এম সাইদুর রহমান আল মাহবুবী কর্তৃক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালসহ থানার মিথ্যা মামলা দায়ের থেকে প্রতিবাদে প্রেস কনফারেন্স করেন শারমিন জাহান।

সংবাদ সম্মেলনে সকলকে তিনি বলেন, উপস্থিত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সম্মানিতে সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, আমার সালাম ও আদার ! আমি শারমিন জাহান, স্বামী- এমডি জিয়াউদ্দিন রিপন, সাং- বাসা নং-১৯, রোড-৭/২, ব্লক-সি, সেকশন-৬, থানা- পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা। এ মর্মে বলছি যে, আমার স্বামী এমডি জিয়াউদ্দিন রিপন একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তি, কখনোই কোন রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না। আমার স্বামী বাংলাদেশের স্বনামধন্য শীর্ষ গ্রুপ অব কোম্পানী যমুনা গ্রুপের অন্যতম অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যমুনা ইলেকট্রনিক্স এন্ড অটোমোবাইলস লিং এর সিনিয়র জিএম (কর্পোরেট সেলস) পদে দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সাথে কর্মরত আছেন। যার উপর অর্পিত আছে উক্ত কোম্পানীর বাৎসরিক প্রায় ১০০ কোটি টাকার ব্যবসা।

কোম্পানী নির্ধারিত সকাল ৯.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬.০০ টা পর্যন্ত চাকুরীর শর্ত মোতাবেক কোম্পানীর হেড অফিসে তাকে উপস্থিত থাকতে হয় এবং প্রতিদিনের কর্ম শেষে নিয়মিত রাত্র অনুমান ৮.০০ টা নাগাদ তিনি বাসায় ফিরে আসেন। প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ, প্রতিদিনের ন্যায় বিগত ১৯/১২/২০২৫ ইং তারিখেও তিনি যথারীতি বাসায় ফিরে এসে আমাদের একমাত্র সন্তান আনাহিতা মনিকে (বয়স ৩ বছর) নিয়ে খুঁনসুটি করে ঘুম পারিয়ে দেন। ওই দিন অর্থাৎ গত- ১৯/১২/২০২৪ ইং দিবাগত রাত ১.৩০ দিকে হঠাৎ কিছু পুলিশ সাথে ভন্ড পীরের কিছু লোকজন সাথে নিয়ে আমার স্বামীকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।

পরে কাফরুল থানায় গিয়ে জানতে পারি গত-১৯/০৭/২০২৪ ইং তারিখের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একজন ভুক্তভোগীকে দিয়ে আমার স্বামীকে ১ নং আসামী করে আরো ৭ জনকে এজাহারভুক্ত আসামী করে সাথে ১০০-১৫০ অজ্ঞাতনামা আসামী করে গত-১০/১২/২০২৪ ইং তারিখে কাফরুল থানার মামলা নং-০৯ (১২) ২৪. ধারা-১৪৭/১৪৮/১৪৯/৩২৬/৩০৭/১০৯/৩৪ দন্ডবিধি দায়ের করে। আমরা পরের দিন বিজ্ঞ আদালতে জামিনের জন্য গেলে প্রকৃত ঘটনা জানতে পারি।

প্রকৃত ঘটনাঃ আমার স্বামীর পারিবারিক সম্পত্তি মিরপুর ৬ নং -এ ব্লক সি, রোড নং-৭/২ - এ আপাতত একটি বিল্ডিং পীর সাহেব জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে ঢাকার ১ম সহকারী জজ আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা- ১৬৩/২৪ বিচারাধীন আছে। তা স্বত্ত্বেও গত ২৯/১১/২০২৪ ইং তারিখে মিরপুর আর্মি ক্যাম্পের তার (স্বামী) পরিচিত এক সেনা কর্মকর্তার মাধ্যমে আমার স্বামীকে ডেকে নেওয়া হয়। যেহেতু দেওয়ানী মামলা চলমান আছে সেই কারণে তারা এ বিষয়ে আর কোন কথা বাড়ায় নি কিন্তু তার পরে গত-১০/১২/২০২৪ ইং তারিখে আমার স্বামীর বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করে এবং ১৯/১২/২০২৫ ইং তারিখে গ্রেফতার করে। এ পর্যন্ত অনেকবার বিশিষ্ট আইনজীবী নিয়োগ করে জামিন শুনানী করেছে কিন্তু কোন লাভ হয় নি। ইতিমধ্যে বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন লোক মারফত আমাদের জানানো হয়েছে যে কোনভাবেই আমার স্বামী জামিন পাবে না।

কারণ, উক্ত ভন্ড পীর সৈয়দ এম সাইদুর রহমান আল মাহবুবীর হাত অনেক লম্বা, যে ইতিপূর্বে বিতর্কিত দেওয়ানবাগী পীর সাহেবের ক্যাশিয়ার ছিল। তার পক্ষ থেকে জনানো হয় যে সিএমএম কোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট, এমনকি এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় পর্যন্ত তাদের লোক রয়েছে যাতে আমার স্বামীর জামিন না হয়। এমনকি বলা হয়েছে যদি আমার স্বামী যদি তাদের সাথে উক্ত সম্পত্তি নিয়ে ঐ ভন্ড পীরকে বুঝিয়ে না ছেড়ে দেয় তাহলে সে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় আসামী করে ফাঁশিতে ঝুলাবে। ইতিমধ্যে তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের অজান্তে মহামান্য হাইকোর্টে এক বেঞ্চ থেকে আরেক বেঞ্চে আমার স্বামীর জামিনের আবেদন করে যাচ্ছেন এবং আমাদের জানানো হয়েছে যে গত-১৬/০২/২০২৫ ইং তারিখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক অপরাধ মামলা নং ১৬ দায়ের করা হয়েছে। এখনো যদি আমরা উক্ত ভন্ড পীরের কথায় রাজি হই তাহলে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাই্যুনালসহ অন্যান্য মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বন্দ্যোবস্ত করবেন, অন্যথায় আমার স্বামীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় ফাঁশিতে ঝুলিয়ে মারার ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন।

আমি একজন কম বয়সী নারী সেই সাথে ৩ বছরের একটি কন্যা সন্তান নিয়ে এই ভন্ড পীরের লোকজনের ভয়ে আমার বাবার বাড়ীতে বসবাস করছি। এই ভন্ড পীর তার নেটওয়ার্ক মাধ্যমে আমার স্বামী সম্পর্কে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে জেল-হাজতে রেখেছে, যেখান থেকে জামিনের ব্যবস্থা করতে পারছি না, অন্যদিকে আরো মামলা মোকদ্দমা ও জীবনের ভয়-ভীতি, হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। আমরা হুমকি- দুমকির ভয়ে এক মাসের বেশি সময় ধরে নিজের বাসা ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করছি। কোন উপায়ন্তর না পেয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছি।

এই সময় শারমিন জাহান (এমডি জিয়াউদ্দিন রিপনের স্ত্রী) বলেন, আমি একজন মেয়ে হয়ে ছোট কন্যা শিশুকে নিয়ে এই কষ্ট এবং অত্যাচার সহ্য করতে পারছি না। আপনারা জাতির বিবেক, আপনারা প্রকৃত সত্য উদঘাটন করুন। একজন পীরের ভয়ে যদি বাড়ি ছাড়তে হয় নারীদের তাহলে এই দেশে আইন আর আদালতের উপর মানুষের কিভাবে ভরসা থাকবে?

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

শিক্ষামন্ত্রী বলেন ধর্ষককে কেন সম্ভ্রমহারা পুরুষ বলা হয় না


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ, ২০২১, ১০:৩৬
শিক্ষামন্ত্রী বলেন ধর্ষককে কেন সম্ভ্রমহারা পুরুষ বলা হয় না

ফাইল ফটো: বক্তব্য রাখছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপুমনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাঁচ থেকে ছয় লাখ নারী অসম্মানিত, লাঞ্ছিত, ধর্ষিত, বিধবা বা নানাভাবে হয়রানি ও অপমানের শিকার হয়েছেন। 

আর এসব লাঞ্ছণাকারী রাজাকার, আলবদর, আল শামসদের ১৯৭৫ সালের পর এদেশের রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসানো হয়েছে, তাদের গাড়িতে পতাকা ওড়ানো হয়েছে। তারা ক্ষমতায় বসে দেশকে জঙ্গিবাদে পরিণত করেছে। নারীর অবমাননাকারীরা পূনরায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরে এলে দেশে আবারও জঙ্গিবাদ ফিরে আসবে।

সোমবার ( ৮ মার্চ ) জাতীয় প্রেস ক্লাব আয়োজিত ‘মুক্তিযুদ্ধে নারী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু, প্রেস ক্লাবের প্রবীণ নারী সদস্য মাহমুদা চৌধুরী এবং নারী নেত্রী কাজী সুফিয়া আখতার। 

ডা. দীপু মনি আরও বলেন, ধর্ষক বিচারের রায়ে শাস্তি পায়। আর যে নারী ধর্ষণের শিকার হন তার জন্য প্রতিদিনই মৃত্যুদণ্ড। সারাটা জীবন তাকে অস্পৃশ্য ভাবা হয়। এটা পুরোপুরি মানসিকতার ব্যাপার। আমরা ভাষা দিয়ে কীভাবে একজন নারীকে দাবিয়ে রাখি। যখন কেউ ধর্ষণের শিকার হয় আমরা বলি সম্ভ্রমহানি হয়েছে। আমাকে কুকুর কামড় দিলে তো সম্ভ্রমহানি হয় না। একটা পুরুষ ধর্ষণ করলে একটা নারীর কীভাবে সম্ভ্রমহানি হয়? সম্ভ্রমহানি তো সেই পুরুষের হওয়ার কথা। আমরা কেন ধর্ষককে সম্ভ্রমহারা পুরুষ বলি না?’

সভাপতির বক্তব্যে ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, বীরাঙ্গনাদের অনেকেই অবজ্ঞার চোখে দেখা হয়। তাই সমাজের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন আনতে হবে। তিনি পাঠ্যসূচিতে নারী মুক্তিযোদ্ধাদের কাহিনী অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি নারী মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন কাহিনী নিয়ে চলচ্চিত্র, ডকুমেন্টারি নির্মাণের সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম কে আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - ধর্ম

সর্বোচ্চ পঠিত - ধর্ম

ধর্ম এর সব খবর