a
ফাইল ফটো: মাওলানা মামুনুল হক
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) সব ধরনের ধর্মীয় সভা, সমাবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার আহ্বান জানান। ফলে সুনামগঞ্জে এই মূহুর্তে যেতে পারছেন না মামুনুল হক। জেলার শাল্লা উপজেলায় সংখ্যালঘুদের উপর হামলা ঘটনার তদন্তের স্বার্থে প্রশাসন এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
আজ শনিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের ইমাম, ওলামা ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ডিসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এ আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, আগামীকাল রবিবার জেলার জামালগঞ্জ উপজেলায় খাদিমুল কোরআন মহিলা মাদ্রাসার উদ্যোগে খতমে বুখারি ও ইসলামি মহা-সম্মেলনে বক্তব্য রাখার কথা ছিল মাওলানা মামুনুল হকের। কিন্তু প্রশাসন থেকে আয়োজকদের তাকে না আসার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ফাইল ফটো:
ভারতে কোরআন অবমাননার প্রতিবাদে রাজধানীর কুড়িলে বিশাল এক বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় প্রগতি সরণির বসুন্ধরা গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
সেখানে তারা সংক্ষিপ্ত একটি সমাবেশে বলেন, ভারতের সুপ্রিমকোর্টে পবিত্র কোরআন শরিফ সংশোধনের দাবিতে মামলা দায়েরকারী ওয়াসিম রিজভিকে গ্রেফতার করা হোক। ওয়াসিম রিজভির ছবি পদদলিত করার পাশাপাশি পোস্টারে আগুন দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মতো বাংলাদেশেও বিক্ষোভ চলছে।
ভারতের উত্তরপ্রদেশ শিয়া ওয়াকফ বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান রিজভির অভিযোগ করে বলেন, কোরআন শরিফের ২৬টি আয়াতে নাকি সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করা হয়েছে। তাই সেগুলোকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।
ওয়াসিম রিজভির ওই আবেদন বাতিল চেয়েছে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের মহাসচিব মাওলানা মাহমুদ দরিয়াবাদী।
তিনি বলেন, ‘বিগত ১৪০০ বছর ধরে পবিত্র কোরআন শরিফ অবিকৃত অবস্থায় রয়েছে। এই ঐশী গ্রন্থের একটি শব্দও পরিবর্তন করার অপচেষ্টা কেউ করেনি। কোরআন শরিফের কোনো আয়াতেই সহিংসতাকে সমর্থন করা না।
ভারতের শিয়া পার্সোনাল ল’ বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে— কোরআনের প্রত্যেকটি আয়াত চিরন্তন সত্য। এর সত্যতা নিয়ে কোনো বিতর্ক চলতে পারে না। প্রখ্যাত শিয়া আলেম মাওলানা কালবে জাওয়াদ তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘ভারতের আইনশৃঙ্খলা খারাপ করার জন্য এবং মুসলিমদের মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য ওই চেষ্টা নিন্দনীয়।
ওয়াসিম রিজভির বিরুদ্ধে অন্যসব বিষয়ে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইয়ের হাত থেকে রক্ষা পেতে তিনি এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকতে পারেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়।
রাশিয়ার সামরিক বাহিনী বলেছে, শুক্রবার রাতে ইহুদিবাদী ইসরায়েল সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক লক্ষ্য করে যে ২৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে। এরমধ্যে ২১টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম হয় সিরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী।
সিরিয়ায় রাশিয়ার রিকনসিলেশন সেন্টারের উপপ্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল ভাদিম কুলিত এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে লেবাননের আকাশসীমা ব্যবহার করে ইসরায়েলের বিমান বাহিনী এফ-১৫ বিমান থেকে দামেস্ক শহর লক্ষ্য করে ২৪টি গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
কিন্তু সিরিয়ার সামরিক বাহিনী রুশ নির্মিত বাক-এম-২ই এবং পান্তশির এস-১ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাহায্যে ২১টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে। সূত্র:পার্সটুডে ও জেরুজালেম পোস্ট