a
ফাইল ছবি
ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে আজও (রোববার) দেখা গেছে ঈদের অগ্রিম টিকিটপ্রত্যাশীদের দীর্ঘ লাইন। অগ্রিম টিকিট বিক্রির আজ তৃতীয় দিন। আজ সকালে টিকিট প্রত্যাশীদের চাপ গত দুই দিনের তুলনায় আরো বেশি ছিল।
কমলাপুর স্টেশনের মূল প্ল্যাটফর্মের বাইরে চলে গেছে টিকিট প্রত্যাশীদের লাইন। লাইনে যারা সামনের দিকে আছেন, তাঁদের অধিকাংশই গতকাল শনিবার থেকে অবস্থান করছেন। অপেক্ষায় থাকা অনেকে ক্লান্ত হয়ে প্ল্যাটফর্মের মেঝেতে বসে পড়েছেন।
এদিকে, পেছনের দিকে থাকা অধিকাংশই মনে করছেন, তাঁরা টিকিট পাবেন না। টিকিট না পেলে কেউ কেউ চলে যাবেন, আবার কেউ আগামীকাল সোমবার যেন পান, সেই আশায় অবস্থান করবেন। সূত্র: সমকাল
ফাইল ছবি
আগামী ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ঈদুল ফিতরের আগাম টিকিট বিক্রি। এবার কাউন্টারে কোনো টিকিট বিক্রি হবে না, শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হবে। একই সঙ্গে আগামী ১ এপ্রিল থেকে কাউন্টারে রেলের কোনো টিকিট বিক্রি হবে না।
গতকাল মঙ্গলবার রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন রেল ভবনে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
রেলমন্ত্রী বলেন, এবার ঈদ উপলক্ষ্যে ১০টি স্পেশাল ট্রেন পরিচালনা করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আগামী ৭ এপ্রিল থেকে ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে এবং শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: একটা ট্রাক রাতের বেলায় লাশ নিয়ে বরিশাল থেকে ঢাকা যাচ্ছে। পথের মধ্যে ড্রাইভার এবং হেলপারের চায়ের নেশা ধরলো। তাই তারা রাস্তার পাশে গাড়ি থামিয়ে ড্রাইভার ও হেলপার দোকানে চা খেতে নামলো।
তারা দোকানে বসে চা খাচ্ছে। এইদিকে এক লোক ঢাকার উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হয়ে গাড়ীর অপেক্ষায় রাস্তার পাশে থাকতে থাকতে অনেক রাত হয়ে গেলে গাড়ি না পেয়ে রাস্তায় বসেছিলো।
হঠাৎ লোকটা ট্রাকটি দেখে ভাবলো এই ট্রাকটি খালি ড্রাইভার এবং হেলপারকে না দেখিয়ে উঠে পড়ি। যেমন ভাবনা তেমনি কাজ উঠে পড়ল ট্রাকে। ট্রাকে উঠে অন্ধকারে লাশের ওপর বসে পড়ল।
কারন, অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। অতঃপর ( ড্রাইভার & হেলপার) চা খাওয়া শেষ করে যথারীতি গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে।
কিছুক্ষণ পর ট্রাকে বসা লোকটা একটা সিগারেট ধরে মনের সুখে টানতে লাগলো। হঠাৎ হেলপারের চোখ পিছনে পড়তেই দেখলো পিছনে লাশটা বসে সিগারেট টানছে।
হেলপার ভয়ে ভয়ে ড্রাইভারকে বললঃ
হেলপারঃ-- ওস্তাদ গাড়ি থামান!
ওস্তাদঃ-- কেন?
হেলপারঃ-- পিছনে তাকিয়ে দেখেন লাশ বসে সিগারেট টানছে!
ওস্তাদঃ-- দূর বেটা এইটা কেমনে হয়?
হেলপারঃ-- দেখেন না আপনি?
এবার দুইজনে ( ড্রাইভার & হেলপার) গাড়ি থেকে নামল দেখার জন্য যে ব্যাপারটা কি?
লাশের ওপর বসে থাকা লোকটা সিগারেট টানতে টানতে বললঃ-- কিরে গাড়ি থামালি কেন?
এই শুনে ওস্তাদ বলল কাম সারছে অতঃপর দূইজনে মিলে দিল খিচ্ছা দৌড়!
দৌড়ের দৃশ্য দেখে লোকটা ভাবলো মনে হয় কোনো সমস্যা হইছে!
নইলে ওরা দৌড় দিল কেন!
বসে থাকলে সে বিপদে পড়বে ভেবে সেও ওদের পিছনে পিছনে দিল দৌড়।
হেলপার পিছনে তাকাইয়া দেখে লাশটা ওদের পিছনে পিছনে দৌড়াইতাছে!
হেলপার বললঃ ওস্তাদ আজ আর রক্ষা নেই ঐ লাশটাও আমাদের পিছনে দৌড়াচ্ছে তাড়াতাড়ি জান বাঁচাইয়া ভাগেন,
সত্যি করে বলেন মন খুলে কত দিন পর হাসলেন? পড়া শেষে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না কিন্তু।