a
ফাইল ছবি
ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে আজও (রোববার) দেখা গেছে ঈদের অগ্রিম টিকিটপ্রত্যাশীদের দীর্ঘ লাইন। অগ্রিম টিকিট বিক্রির আজ তৃতীয় দিন। আজ সকালে টিকিট প্রত্যাশীদের চাপ গত দুই দিনের তুলনায় আরো বেশি ছিল।
কমলাপুর স্টেশনের মূল প্ল্যাটফর্মের বাইরে চলে গেছে টিকিট প্রত্যাশীদের লাইন। লাইনে যারা সামনের দিকে আছেন, তাঁদের অধিকাংশই গতকাল শনিবার থেকে অবস্থান করছেন। অপেক্ষায় থাকা অনেকে ক্লান্ত হয়ে প্ল্যাটফর্মের মেঝেতে বসে পড়েছেন।
এদিকে, পেছনের দিকে থাকা অধিকাংশই মনে করছেন, তাঁরা টিকিট পাবেন না। টিকিট না পেলে কেউ কেউ চলে যাবেন, আবার কেউ আগামীকাল সোমবার যেন পান, সেই আশায় অবস্থান করবেন। সূত্র: সমকাল
ফাইল ছবি: রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন
দেশে করোনা বেড়ে যাওয়ায় আবারও লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। লকডাউনের সময় জরুরি খাদ্যবাহী ট্রেন ছাড়া সব প্রকার যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।
শনিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে গণমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, লকউনের মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা ও সভা-সমাবেশ বন্ধ রাখা। এ জন্য জরুরি খাদ্যবাহী ট্রেন ছাড়া সব প্রকার যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
ফাইল ছবি
ডেঙ্গু এখন নীরব ঘাতক। উপসর্গ ও লক্ষণ আছে, কিন্তু পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট আসছে। এরপর দেখা যায় অবহেলা করে আর চিকিৎসকের কাছে যায় না রোগী। কিন্তু ধীরে ধীরে প্লাটিলেট কমে যাওয়ায় নানা জটিলতা শুরু হয়। এক পর্যায়ে রোগী হাঁটতে পারে না, বিছানায় পড়ে যায়। তখন তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু ততক্ষণে তার শরীরে ডেঙ্গু নীরব ঘাতকের মতো সিংহভাগ ক্ষতি করে ফেলে। বিলম্বে আসার কারণে চিকিৎসক শত চেষ্টা করেও অনেক রোগীকে বাঁচাতে পারে না।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, রিপোর্ট নেগেটিভ হলেও ডেঙ্গুর লক্ষণ ও উপসর্গ থাকলে অবশ্যই চিকিৎসাসেবা নিতে হবে। উপসর্গ দেখে বাসায় থেকেই চিকিৎসা ব্যবস্থা নেওয়া যায়, হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা শিশু হাসপাতাল, ডেঙ্গু ডেডিকেটেড হাসপাতাল ও মুগদা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছেন, ডেঙ্গু রোগী মৃত্যুর অন্যতম কারণ বিলম্বে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা। হাসপাতালের চিকিৎসকরাও একই অভিমত প্রকাশ করেছেন। শিশু ও নারীরা ডেঙ্গুতে বেশি মারা যাচ্ছে। কারণ তারা চিকিৎসাসেবা নিতে অবহেলা করছে, বিলম্বে হাসপাতালে আসছে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, রিপোর্ট যাই আসুক, লক্ষণ ও উপসর্গ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ভয়ংকর হয়ে ওঠা ডেঙ্গুর প্রকোপের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মোট সংখ্যায় অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ২ হাজার ১৯৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাতে দেশে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ১৯১ জনে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর এই সংখ্যা এযাবতকালে সর্বোচ্চ। সূত্র: ইত্তেফাক