a
ফাইল ছবি
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ রবিবার সন্ধ্যার দিকে ঢাকায় শক্তিশালী কালবৈশাখীর ঝড় আঘাত হানতে পারে। আজ রবিবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে সারাদেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি জানাতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহিন গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।
এদিকে, দুপুর থেকে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। জানা গেছে, বর্তমানে ময়মনসিংহ বিভাগসহ খাগড়াছড়ি, কিশোরগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যাচ্ছে।
পরবর্তীতে ঝড়টি যশোর, কুষ্টিয়া অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর সন্ধ্যার দিকে ঝড়টি ঢাকার দিকে প্রবাহিত হতে পারে।
ফাইল ছবি
ভারতের ওড়িষ্যা ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’। আজ রবিবার সন্ধ্যায় দেশটির আবহাওয়া অফিস টুইট করে এ তথ্য জানিয়েছে।
ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি আগামী ৩ ঘণ্টায় অন্ধ্রপ্রদেশের কলিঙ্গাপত্তনম এবং ওড়িষ্যার গোপালপুরের মধ্যবর্তী উপকূল অতিক্রম করবে।
আইএমডি টুইট বার্তায় জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় গুলাব উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে আঘাত হেনেছে এবং এইভাবে উত্তর উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ উপকূলীয় ওড়িষ্যায় ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
পরবর্তী ৩ ঘণ্টার মধ্যে কলিঙ্গাপত্তনম থেকে ২৫ কিলোমিটার উত্তরে কলিঙ্গাপত্তনম এবং গোপালপুরের মধ্যে উপকূল অতিক্রম করবে।
মে মাসে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আঘাত হানার পর চার মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার ওডিশায় আঘাত হানল গুলাব নামে আরেকটি ঘূর্ণিঝড়।
ওড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পাটনায়েক বলেন, সাতটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলা গঞ্জাম, গজপতি, কান্ধমাল, কোরাপুট, রায়গড়া, নবারংপুর ও মালকানগিরিতে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কোনো প্রাণহানি হয়েছে কিনা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে।
বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের খবরে বলা হয়, গুলাব আঘাত হানার পর অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলামের কালেক্টর সুমিত কুমার বলেছেন, ‘পরবর্তী দুই ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করছি ৯০-১০০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইবে। সূত্র: এনডিটিভি
ফাইল ছবি
বিফলে গেল ভ্যান ডার ডাসেনের অপরাজিত শতরান। রান তাড়া করতে নেমে অধিনায়ক বাবর আজমের পালটা শতরানে সেঞ্চুরিয়নে শেষ বলে জিতে নিল পাকিস্তান। ৩ উইকেটে জয়লাভ করে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শুভ সূচনা শুরু করল পাকিস্তান। এরই সাথে ৩ ম্যাচের সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল সফরকারী দল।
গতকাল শুক্রবার (২ এপ্রিল) সেঞ্চুরিয়নে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায় পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৫৫ রানে চার উইকেট হারিয়ে বেকায়দায় পড়ে যায় প্রোটিয়ারা। জোড়া উইকেট তুলে নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। এরপর পঞ্চম উইকেটে ভ্যান ডার ডাসেন এবং ডেভিড মিলারের জুটিতে ম্যাচে ফেরে দক্ষিণ আফ্রিকা। পঞ্চম উইকেটে এই দুই ব্যাটসম্যান যোগ করেন ১১৬ রান। ডেভিড মিলার অর্ধশতরান করে আউট হয়ে যান।
অ্যান্ডাইল ফেহলুকুয়াওকে সঙ্গে নিয়ে দলের খাতায় ৬৪ রান যোগ করেন এই মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান। ৪৭তম ওভারে ফেহলুকুয়াও ব্যক্তিগত ২৯ রানে সাজঘরে ফিরে গেলে রাবাদাকে সঙ্গে নিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ওডিআই শতরানটি পূর্ণ করেন ডাসেন। ১২৩ বল খেলে তিন অঙ্কের রানে পৌঁছান তিনি।
শেষটা ১৩৪ বলে ১২৩ রান করে অপরাজিত থেকে যান ডাসেন। তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার এবং ২টি ছক্কা। রাবাদার সঙ্গে তার অবিভক্ত ৩৮ রানের জুটি প্রোটিয়াদের পৌঁছে দেয় ২৭৩ রানে।
জবাবে পাকিস্তান রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ৮ রানে ওপেনার ফখর জামান সাজঘরে ফিরে গেলেও সফরকারী দলকে চালকের আসনে বসিয়ে দেন আরেক ওপেনার ইমাম উল হক এবং অধিনায়ক বাবর আজম। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে এই দুই ব্যাটসম্যান যোগ করেন ১৭৭ রান। ১০৪ বলে ১০৩ রানের ইনিংস খেলেন আইসিসি র্যাংকিংয়ের দুই নম্বর ব্যাটসম্যান বাবর আজম।
পাকিস্তানি অধিনায়কের ইনিংস সাজানো ছিল ১৭টি চার দিয়ে। খানিকটা ব্যাকফুটে চলে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা দ্রুত চারটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে। ৭০ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় ইমামকে।
ষষ্ঠ উইকেটের জুটিতে মোহম্মদ রিজওয়ানের সঙ্গে শাদাব খানের ৫৩ রানের পার্টনারশিপে ফের ম্যাচ ফেরে পাকিস্তান। ৫২ বলে মূল্যবান ৪০ রান করে আউট হন রিজওয়ান। শেষ ওভারে পাকিস্তানের জয়ের জন্য দরকার ছিল মাত্র ৩ রান। কিন্তু প্রথম বলেই ব্যক্তিগত ৩৩ রানে ফেরেন শাদাব। এরপর ফেহলুকুয়াওয়ের টানা তিন বলে কোনও রান সংগ্রহ করতে না পেরে উত্তাপ বাড়িয়ে তোলেন ফাহিম আশরফ।
পঞ্চম ডেলিভারিটি বোলারের মাথার উপর দিয়ে ঠেলে ২ রান সংগ্রহ করেন ফাহিম। এরপর শেষ ওভারের অন্তিম বলে এক রান সংগ্রহ করে পাকিস্তানকে থ্রিলার জয় এনে দেন তিনি। ম্যাচের সেরা হন বাবর আজম। রবিবার (৪ এপ্রিল) জোহানেসবার্গে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে
আবারও মুখোমুখি হবে দুই দল।
দক্ষিণ আফ্রিকা স্কোর: ৫০ ওভারে ২৭৩/৬ (মারক্রাম ১৯, ডি কক ২০, বাভুমা ১, ফন ডার ডাসেন ১২৩*, ক্লাসেন ১, মিলার ৫০, ফেলুকওয়ায়ো ২৯, রাবাদা ১৩*; আফ্রিদি ১০-১-৬১-২, হাসনাইন ১০-২-৫২-১, ফাহিম ৯-০-২৫-১, রউফ ১০-০-৭২-২, শাদাব ৮-০-৪৫-০, আজিজ ৩-০-১৬-০)।
পাকিস্তান স্কোর: ৫০ ওভারে ২৭৪/৭ (ইমাম ৭০, ফখর ৮, বাবর ১০৩, রিজওয়ান ৪০, আজিজ ৩, আসিফ ২, শাদাব ৩৩, ফাহিম ৫*, আফ্রিদি ০*; রাবাদা ১০-১-৫১-১, এনগিডি ১০-১-৬৫-০, নরকিয়া ১০-০-৫১-৪, ফেলুকওয়ায়ো ১০-০-৫৬-২, শামসি ১০-০-৫১-০)।
সিরিজ: ৩ ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে পাকিস্তান।
ম্যান অব দা ম্যাচ: বাবর আজম।