a
ফাইল ছবি
ভারতের ওড়িষ্যা ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’। আজ রবিবার সন্ধ্যায় দেশটির আবহাওয়া অফিস টুইট করে এ তথ্য জানিয়েছে।
ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি আগামী ৩ ঘণ্টায় অন্ধ্রপ্রদেশের কলিঙ্গাপত্তনম এবং ওড়িষ্যার গোপালপুরের মধ্যবর্তী উপকূল অতিক্রম করবে।
আইএমডি টুইট বার্তায় জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় গুলাব উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে আঘাত হেনেছে এবং এইভাবে উত্তর উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ উপকূলীয় ওড়িষ্যায় ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
পরবর্তী ৩ ঘণ্টার মধ্যে কলিঙ্গাপত্তনম থেকে ২৫ কিলোমিটার উত্তরে কলিঙ্গাপত্তনম এবং গোপালপুরের মধ্যে উপকূল অতিক্রম করবে।
মে মাসে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আঘাত হানার পর চার মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার ওডিশায় আঘাত হানল গুলাব নামে আরেকটি ঘূর্ণিঝড়।
ওড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পাটনায়েক বলেন, সাতটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলা গঞ্জাম, গজপতি, কান্ধমাল, কোরাপুট, রায়গড়া, নবারংপুর ও মালকানগিরিতে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কোনো প্রাণহানি হয়েছে কিনা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে।
বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের খবরে বলা হয়, গুলাব আঘাত হানার পর অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলামের কালেক্টর সুমিত কুমার বলেছেন, ‘পরবর্তী দুই ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করছি ৯০-১০০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইবে। সূত্র: এনডিটিভি
ফাইল ছবি
আজ ১৫ এপ্রিল, শনিবার ১৯৬৫ সালের পর রাজধানী ঢাকায় সবচেয়ে বেশি গরম পড়েছে। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ।
তিনি বলেন, ‘ঢাকায় আজ শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ১৯৬৫ সালের পর সর্বোচ্চ। ১৯৬৫ সালে ঢাকায় ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।’
অর্থাৎ ৫৮ বছর পর আজ শনিবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হলো। আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গতকাল শুক্রবার রাজধানী ঢাকায় রেকর্ড করা সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা সর্বশেষ ৯ বছর আগে ২০১৪ সালের ১৪ এপ্রিল রেকর্ড করা হয়েছিল। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
চীনের সিনোফার্মের তৈরি ৫ লাখ করোনার টিকা ১২ মে বাংলাদেশে আসছে বলে জানা গেছে। আজ সোমবার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত লি ঝিমিং এ তথ্য জানান।
লি ঝিমিং বলেন, চীনের টিকার চাহিদা বিশ্বের অন্যান্য দেশে প্রচুর চাহিদা। তাই বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশ যেসব টিকা পেতে চায়, তা পেতে একটু সময় লাগবে। তা ছাড়া বাংলাদেশ এক সপ্তাহ আগে শুধু সিনোফার্মের টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, চীনের উপহারের টিকার জন্য বাংলাদেশকে ৩ ফেব্রুয়ারি প্রস্তাব দিয়েছিল। আর বাণিজ্যিকভাবে টিকা পেতে ৩০ এপ্রিল প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ যদি আগে অনুমোদন দিত, তাহলে আগেই টিকা পেত।