a
ফাইল ছবি
দেশের ১২টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। রবিবার (২২ মে) রাতে এমন আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, যশোর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এ অবস্থায় সোমবার (২৩ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বিজলী চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
সারা দেশে দিন-রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। ঢাকায় দক্ষিণ/দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১০-১৫ কিলোমিটার, যা অস্থায়ীভাবে দমকা আকারে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কি. মি. পর্যন্ত বয়ে যেতে পারে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’-এর কারণে বঙ্গোপসাগরে সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে বিচরণ করতে নিষেধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে গভীর সাগরে অবস্থান করা মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে রবিবারের (২৩ মে) মধ্যে তীরে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। শনিবার সকালে ঘূর্ণিঝড় সতর্কবার্তায় এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতর।
এদিকে, ভারতে আম্ফানের স্মৃতি উস্কে দিয়ে ঠিক এক বছরের মাথায় আতঙ্ক এবং আশঙ্কা বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’। বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া নিম্নচাপকে নিয়ে এখন থেকেই যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
ভারতের আবহাওয়া বিভাগ বলছে, ২৬ মে বাংলা এবং ওড়িষ্যার উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় প্রতি ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার পর্যন্ত থাকতে পারে। আপাতত পূর্বাভাস এমনটাই দেয়া হয়েছে। ফলে এই ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের চেয়েও বিধ্বংসী হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই ঘূর্ণিঝড় প্রথম ধাক্কা পড়বে বাংলা এবং ওড়িষ্যার উপকূলে। এ রাজ্যে মোট ৬৫ টি জাতীয় বিপর্যয় মোবাবিলা বাহিনীর দল মোতায়েন করা হয়েছে। ২০টি দলকে বাড়তি পরিস্থিতি মোকাবিলার করার জন্য তৈরি রাখা হয়েছে।
ফাইল ছবি
বিশ্ব মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ থেকে দেশ ও জাতিকে শন্কামুক্ত রাখতে বাংকাদেশে ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বত্র লকডাউন ঘোষণা করেছিল সরকার করোনার ফলে বন্ধ হওয়া অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট আবারও চালু করা হয়েছে। ১৬ দিন ফ্লাইট বন্ধ থাকার পর বুধবার (২১ এপ্রিল) সকাল পৌণে ৮টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে অবতরণ করে। কিন্তু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট এখনও চালু করা হয়নি।
একসূত্র থেকে জানা যায়, গতকাল বুধবার (২১ এপ্রিল) সকাল পৌণে ৮টায় আসা ইউএস বাংলার ফ্লাইটি ঢাকার উদ্দেশ্যে সিলেট ছাড়ে সকাল ৯টা ২০ মিনিটে। এছাড়া দুপুর ১টা ২০ মিনিটে ঢাকা থেকে নভোএয়ারের একটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে সিলেট আসে। নভোএয়ার সিলেট থেকে ঢাকায় যাবে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে।
এছাড়া ইউএস বাংলার আরেকটি ফ্লাইট বুধবার রাত ৭টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে সিলেট আসবে ৭টা ৫০ মিনিটে এবং ওইদিন রাত ৮টা ২০ মিনিটে সিলেট থেকে ছেড়ে যাবে ঢাকার উদ্দেশ্যে। আর নভোয়ার বিমানের ফ্লাইটটি রাত সাড়ে ৭টায় ঢাকা থেকে সিলেট আসবে। আবার বুধবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে সিলেট থেকে ঢাকায় যাবে।
এ ব্যাপারে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক হাফিজুর রহমান বলেন, লকডাউনের কারণে বন্ধ থাকায় তা ২১ এপ্রিল থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট আবারও চালু করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ বিমানসহ আন্তর্জাতিক সব ফ্লাইট এই মূহুর্ত্ খুলে দেয়ার কথা ভাবছে না সরকার।