a
ফাইল ছবি: বেগম খালেদা জিয়া
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। আজ সোমবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় খালেদা জিয়াকে কেবিন থেকে গতকাল রোববার রাতে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়। তাঁকে এখন নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার কথা জানালেন চিকিৎসকেরা।
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন আজ গণমাধ্যমকে বলেন, খালেদা জিয়ার সবশেষ শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করতে গতকাল রাত সাড়ে ১১টায় দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড বৈঠকে বসে। ওই বৈঠকে তাঁকে সিসিইউতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার ও হৃদ্রোগে ভুগছেন। তাঁর পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ ও লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা। সূত্র: প্রথম আলো
ফাইল ছবি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সবাইকে সতর্ক থাকতে বললেন। সোমবার (১৩ জুন) সচিবালয়ে বেসরকারি মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া অটোমেশন বিষয়ক সভা শেষে তিনি এ আহ্বান জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কোভিড কিছুটা বেড়েছে। সতর্ক হতে হবে। মাস্ক পড়তে হবে, সামাজিক দূরত্ব ভুলে গেলে হবে না। রোগী বাড়ছে। গত কয়েক দিন থেকে ৫০-৭০ এর ঘরে সংক্রমণ থাকলেও সবশেষ শনিবার (১২ জুন) দেশে ১০৯ জনের শরীরে সংক্রমণের তথ্য পাওয়া যায়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে কোভিড কিছুটা বেড়েছে। গত কয়েক মাস আমরা দেখেছি ৩০-৩৫ জন সংক্রমিত হতো, গতকাল ছিল ১০৯ জন। সেই তুলনায় বেশ বেড়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের কোভিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। কোভিড এখনও নির্মূল হয়নি। আমরা এখন একটা স্বাভাবিক অবস্থায় আছি, আমরা যেন অস্বাভাবিক অবস্থায় না যাই সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জরুরিভিত্তিতে সম্পদের হিসাব দিতে বলা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৮ জুলাই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াসহ সম্পদ বিবরণী জরুরিভিত্তিতে সংস্থাপন অধিশাখায় পাঠানোর নির্দেশনা দেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ অনুযায়ী পাঁচ বছর পর পর সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদ বিবরণী দাখিল এবং স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা বিক্রির অনুমতি নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এ নিয়ম মানছেন না।
এ প্রেক্ষাপটে বিধিমালাটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সম্পদ বিবরণী দাখিল ও স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা বিক্রির নিয়ম মানতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব/সচিবদের কাছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে গত ২৪ জুন চিঠি পাঠানো হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-৪ শাখার উপসচিব নাফিসা আরেফীন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ এর বিধি ১১, ১২ ও ১৩-তে সরকারি কর্মচারীদের স্থাবর সম্পত্তি অর্জন, বিক্রয় ও সম্পদ বিবরণী দাখিলের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সুশাসন নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী উল্লিখিত বিধিসমূহ কার্যকরভাবে কর্মকর্তাদের অনুসরণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে জোর নির্দেশনা দিয়েছেন।
এমতাবস্থায়, ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর আওতাভুক্তদের তাদের নিয়ন্ত্রণকারী প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়/দফতর/অধীনস্থ সংস্থায় কর্মরত সব সরকারি কর্মকর্তার সম্পদ বিবরণী দাখিল, উক্ত সম্পদ বিবরণীর ডাটাবেজ তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে স্থাবর সম্পত্তি অর্জন ও বিক্রয়ের অনুমতি গ্রহণের বিষয়ে ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ এর ১১, ১২ এবং ১৩ বিধি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রতিপালনের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হয় ওই চিঠিতে।
এছাড়া সরকারি কর্মচারীর জমি/বাড়ি/ফ্ল্যাট/সম্পত্তি ক্রয় বা অর্জন ও বিক্রির অনুমতির জন্য আবেদনপত্রের নমুনা ফরম এবং বিদ্যমান সম্পদ বিবরণী দাখিলের ছকও চিঠির সঙ্গে পাঠানো হয়েছে। সেই চিঠির প্রেক্ষাপটে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই উদ্যোগ নিল। সূত্র: যুগান্তর