a
ফাইল ছবি । মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি বলেছেন, তার বাহিনীর কাছে সাত হাজার কিলোমিটার পাল্লার ড্রোন রয়েছে।
আজ রবিবার তেহরানে আইআরজিসি’র তৈরি করোনাভাইরাসের ‘নূরা’ টিকার মোড়ক উন্মোচন এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
জেনারেল সালামি বলেন, বিজ্ঞান থেকে শুরু করে প্রযুক্তিসহ সব ক্ষেত্রে ইরান বিশ্বের সেরা দেশগুলোর কাতারে শামিল হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরইমধ্যে বহু ক্ষেত্রে ইরান সেরা দেশগুলোর সারিতে নিজেদের স্থান করে নিয়েছে।
তিনি বলেন, “আল্লাহর রহমতে আমরা এখন মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহের অধিকারী। ন্যানোটেকনোলজিতে আমরা সামনের কাতারে রয়েছি। আমরা পাইলটবিহীন বিমান বা ড্রোন তৈরিতে এতটা সাফল্য অর্জন করেছি যে, আমাদের ড্রোন এখন সাত হাজার কিলোমিটার দূরত্বে উড়ে গিয়ে আবার ফিরে আসতে পারে।
আইআরজিসি’র প্রধান কমান্ডার হোসেইন সালামি বলেন, শুধু সামরিক ক্ষেত্রে নয় সেইসঙ্গে বহু ক্ষেত্রে আমরা বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে এগিয়েও রয়েছি।
ইরানের সামরিক বাহিহনী সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম তৈরিতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। তবে তিনি এও বলেন যে, তেহরান বারবার বলে এসেছে কোনো দেশের বিরুদ্ধে হুমকি সৃষ্টি তার দেশের উদ্দেশ্য নয় বরং আত্মরক্ষার স্বার্থে সামরিক খাতে শক্তিমত্তা অর্জন করে চলেছে ইরান।
ফাইল ছবি
দেশের রেলপথে কিছু পণ্য রুশ ভূখণ্ড কালিনিনগ্রাদে পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে লিথুয়ানিয়া। এতে রাশিয়া বাল্টিক রাষ্ট্রটিকে কয়েকদিন ধরে কঠোর পরিণতির হুমকি দিয়ে আসছে।
কিন্তু লিথুয়ানিয়ার বিরুদ্ধে রাশিয়া কী পদক্ষেপ নেবে তা স্পষ্ট না করলেও রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাকারোভা কিছুটা ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, রাশিয়ার জবাব ‘শুধুমাত্র কূটনীতিক’ হবে না।
মারিয়া জাকারোভা বলেন, অনেকগুলো প্রশ্নের মধ্যে একটা প্রশ্ন হলো- লিথুনিয়ার বিরুদ্ধে জবাব শুধুমাত্র কূটনীতিক উপায়ে হবে কি-না। উত্তর হলো ‘না’। রাশিয়ার জবাব হবে কার্যকরী বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে মস্কো বলছে, লিথুয়ানিয়ার সিদ্ধান্তের জবাবে রাশিয়া এমন ব্যবস্থা নেবে যার ফলে ওই দেশের জনগণের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। অন্যদিকে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, রাশিয়ার ‘জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ সূত্র: রয়টার্স
ফাইল ছবি
আমেরিকা ২০ বছর ধরে যুদ্ধ করে পরাজিত হয়ে আফগানিস্তান থেকে পালিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির একজন কর্মকর্তা।
আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সারওয়ার দানিশের প্রেস সচিব মোহাম্মদ হেদায়েত শনিবার কাবুলে এক বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন। খবর তাসনিম নিউজের।
আফগানিস্তানে দুই দশক ধরে মার্কিন সেনা মোতায়েন রাখার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমেরিকা যেসব স্লোগান দিয়ে আফগানিস্তানে সেনা মোতায়েন করেছিল তার একটিও বাস্তবায়িত করেনি।
মোহাম্মদ হেদায়েত বলেন, আমেরিকা ২০ বছর পর যা রেখে গেছে তা নিশ্চিতভাবে শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা নয়; বরং এখন আফগানিস্তানে যুদ্ধ ও সহিংসতা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে।
২০০১ সালের শেষের দিকে ইঙ্গো-মার্কিন বাহিনী আফগানিস্তানে আগ্রাসন চালিয়ে তৎকালীন তালেবান সরকারের পতন ঘটায় এবং দেশটিতে একরকম বিশৃংখলা সৃষ্টি করে।
আমেরিকা ঘোষণা করে, আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে আফগানিস্তানে সেনা মোতায়েন করেছে। কিন্তু ২০ বছরে এসব লক্ষ্যের একটিও অর্জন করতে পারেনি আমেরিকা।
মার্কিন সরকার ঘোষণা করেছে, চলতি বছরের ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে আমেরিকার সকল সৈন্য সরিয়ে নেবে।