a
প্রতিকী ছবি
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল খুলনার দিকে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ধেয়ে আসছে। অন্যান্য সময়ের ন্যায় এটি সুপার সাইক্লোনে রূপ নিয়ে বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। তবে এখনি ঘূর্ণিঝড়টি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু হয়নি বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান।
আজ শনিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন যেহেতু এটি এখন পর্যন্ত লঘুচাপ হয়ে আছে, এখনই আতঙ্ক কিংবা শঙ্কার কিছু নেই। আরেকটা বিষয় হলো ঘূর্ণিঝড় এগোনোর সময় প্রতিমুহূর্তে দিক পরিবর্তন করে। দিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন এলাকা আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা বাড়ে। সেজন্য আমরা আমাদের পুরো উপকূলকে সতর্ক করব, প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আবহাওয়া অফিস ইঙ্গিত দিয়েছে , ভারতের উত্তর আন্দামান সাগর ও পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আঘাত হানতে পারে। সবশেষ উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ হয়ে আগামী বুধবারের দিকে বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে মত দেন আবহাওয়া অফিস।
ফাইল ছবি
অনলাইনেই জমির ই-নামজারির ফি পরিশোধ করা যাবে এবং একই সঙ্গে অনলাইনে ফি পরিশোধ করলেই দেওয়া হবে কিউআর কোডযুক্ত অনলাইন ডিসিআর। এই ডিসিআর ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে দেওয়া বা বিজি প্রেস থেকে ছাপানো ডিসিআরের মতো ব্যবহার করা যাবে।
গতকাল এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। পরিপত্রে বলা হয়, ২০১৫ সালের ৩ জুনের ভূমি মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রের ধারাবাহিকতায় নাগরিকদের ই-নামজারি, জমাভাগ ও জমা একত্রীকরণ বাবদ ফি সম্পূর্ণভাবে অনলাইনে দিতে মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তাই, আবেদনকারী ই-নামজারি আবেদনের সময় আবশ্যিকভাবে প্রথমেই কোর্ট ফি বাবদ ২০ টাকা এবং নোটিস জারি ফি বাবদ ৫০ টাকাসহ মোট ৭০ টাকা অনলাইনে জমা দেবেন। নামজারি অনুমোদনের পর রেকর্ড সংশোধন বা হালনাগাদ ফি বাবদ এক হাজার টাকা এবং প্রতি কপি নামজারি খতিয়ান সরবরাহ বাবদ ১০০ টাকা, অর্থাৎ মোট এক হাজার একশত টাকা আবেদনকারী অনলাইনে জমা দেবেন।
এক হাজার ১০০ টাকা পরিশোধ করে আবেদনকারী কিউআর কোডযুক্ত অনলাইন ডিসিআর সংগ্রহ করতে পারবেন। এ ডিসিআর ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে প্রদত্ত বা বিজি প্রেস হতে ছাপানো ডিসিআরের সমপর্যায়ের এবং আইনগতভাবে বৈধ ও সর্বক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য ও ব্যবহার করা যাবে।
ফাইল ছবি
ইমরুল কায়েসের শ্রীলংকার বিপক্ষে ওয়ানডে স্কোয়াডে এবারও ঠাঁই হয়নি। যদিও তিনি প্রাথমিক স্কোয়াডে ছিলেন। এ বাহাঁতি ব্যাটম্যানের জন্য ব্যাপারটা দুর্ভাগ্যই বটে।
মূল স্কোয়াড ঘোষণার পর ইমরুলের ঠাঁই না পাওয়া নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে বারংবার প্রশ্ন শুনতে হচ্ছে নির্বাচক প্যানেলকে। নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু এতে কিছুটা।
বিতর্কিত সব প্রশ্নের অবসান ঘটাতে অবশেষে ইমরুলকে মূল স্কোয়াডে না রাখার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। তবে প্রাথমিক স্কোয়াডে রাখার কারণ খোলাশা করেছেন প্রধান নির্বাচক।
নান্নু বলেন,‘ডমেস্টিকে কি আউটস্ট্যান্ডিং পারফরম্যান্স করছে ও? দলের লিস্ট লম্বা আমি তো করতেই পারি। ৩০ জনের তালিকা আমি করি সবসময়ই। যেহেতু আমাদের ‘এ’ দলের কোনো খেলা নেই, তাই আমাদের কিছু খেলোয়াড় তৈরি রাখতে হবে। সামনে তো অনেক খেলা, পর্যাপ্ত খেলোয়াড় না থাকলে অসুবিধা।’
নান্নু আরও বলেন, ‘এই কোভিড সিচুয়েশনে বায়োবাবলে রেখে খেলোয়াড়দের খেলানো অনেক কষ্টকর। আল্লাহ না করুক, কেউ অসুস্থ হলে কী করব? তখন এই লম্বা তালিকা কাজে লাগবে। কারণ বলা যায় না কাকে কখন দরকার হয়। সেজন্য এরকম করছি আমরা।’
২০১৯ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের জার্সিতে ইমরুল সর্বশেষ খেলেছেন, ভারতের বিপক্ষে টেস্টে। তিনি ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছেন।