a কবির গভীর অভিমান
ঢাকা সোমবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

কবির গভীর অভিমান


ফেসবুক ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০১ জুন, ২০২১, ১১:৫৮
কবির গভীর অভিমান

ফাইল ছবি। কাজী নজরুল ইসলাম

 
কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে বিদ্রাহী কবি বিশেষণটি না দিলে মন ভরে না। এই মহান কবিকে আমরা এখনও বিদ্রোহী বলে জানি এবং সেভাবেই জানতে ও ভাবতে আমরা বেশি পছন্দ করি। যৌবনের কবিও বলা হয়। যে কবি যৌবনের তার বিদ্রোহী হতে কোনো বাধা নেই। একালের কবিও তো সে কথাই বলেন। ‘এখন যৌবন যার , যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়' " (হেলাল হাফিজ)। যুদ্ধ আর বিদ্রোহের মধ্যে ব্যবধান আছে। সব যুদ্ধ বিদ্রোহ নয়। পক্ষান্তরে বিদ্রোহ থেকে যুদ্ধ উৎপন্ন না হয়েই পারে না। সে যুদ্ধ  হতে পারে সশস্ত্র , হতে পারে সামাজিক প্রতিরোধ কিংবা সাংস্কৃতিক লড়াই। বাংলাদেশের মানুষ তো বটেই, গোটা উপমহাদেশের জনগণ দু’শ বছর লড়াই করেছেন্। বুকের ভেতর দ্রোহের আগুন জ্বেলে তারা ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। সেই সংগ্রামের বিচিত্রতা ও বহুমাত্রিকতার ইতিহাস কমবেশি আমরা সবাই জানি। দুই শতাব্দির লালিত দ্রোহে ভাষা দিলেন কাজী নজরুল ইসলাম।

সেই সংগ্রাম আবারও আমরা প্রত্যক্ষ করেছি পাকিস্তানের তেইশ বছরের দুঃশাসনের মধ্যে। একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে  নজরুলের কবিতা ও গান আমাদের সাহস জুগিয়েছে, প্রাণিত করেছে যুদ্ধের ময়দানে, অবরূদ্ধ জনপদে। তবু, বিদ্রোহ বা যুদ্ধ প্রৌঢ়- প্রাচীনের জন্য সহজ নয়। নজরুল যখন বলেন, আমি অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খল, আমি দ’লে যাই যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃঙঙ্খল!’Ñতখন বিচলিতবোধ করেন শান্তিপ্রিয় কোনো কোনো প্রৌঢ়বোদ্ধা।  কিন্তু ক্ষুব্ধ তরুণ বলেন, এই তো  আমার প্রাণের কথা। অতঃপর বিদ্রোহ আর যৌবনকে সমান্তরাল বলে ভেবে নেয়া যায় বৈ কি!
 
নিশ্চয়ই কবি  জানতেন যে, লোকে তাঁকে বিদ্রোহী বলেই বেশি ভালবাসেন। তাসত্তে¡ও মাঝে মাঝে মনেহয়, তিনি নিজেও এই অভিধায় বিব্রতবোধ করতেন। সে জন্যে তিনি কৈফিয়ৎ দিতেও কুণ্ঠিত হননি। চির-বিদ্রোহী কবিতায় তিনি বলছেন,
‘বিদ্রোহী করেছে মোরে আমার গভীর অভিমান।
তোমার ধরার দুঃখ কেন
আমায় নিত্য কাঁদায় হেন?
বিশৃঙ্খল সৃষ্টি তোমার, তাই তো কাঁদে আমার প্রাণ!
বিদ্রোহী করেছে মোরে আমার গভীর অভিমান।’
বোঝাই যায়, অভিমানী কবির এই কৈফিয়ৎ কোনো মানুষের কাছে নয়, এই কৈফিয়ৎ ;নাকি জিজ্ঞাসা তাঁর স্রষ্টার কাছে । অন্তর্যামীর প্রতি কতটা গভীর ভালবাসার দাবি বুকের ভেতর লালন করলে পরে এমন উদ্ধত ভাষাভঙ্গি প্রয়োগ করা যায়, তা সহজেই অনুমেয়।  এ-ও একধরণের সমর্পণ। রবীন্দ্রনাথও সমর্পিত কবি। কিন্তু দু’জনের প্রকাশভঙ্গি আলাদা। একজন রাগী , অভিমান ক্ষুব্ধ, আরেকজন বিনীত, মার্জিত প্রার্থনায় আনত।

নজরুল বিদ্রোহী। তিনি দার্শনিকও বটে। তিনি যখন বলেন, আমরা যদি না জাগি মা কেমনে সকাল হবে? Ñ তখন চট করে মাথায় প্রশ্ন এসে যায়, সকাল হলে মানুষ জাগে নাকি মানুষ জাগলে সকাল হয়? প্রশ্নটি খুবই জটিল নিঃসন্দেহে। একজন কিশোর পাঠক যখন কবিতাটি পাঠ করে, তখন তার মনে কোনো প্রশ্নের উদ্রেক নাও হতে পারে। তার কাছে এ শুধু একটি ভাললাগার পদ্য। কিন্তু প্রাপ্তমনস্ক মানুষ আপনমনে প্রশ্নবিদ্ধ হতেই পারেন। এই জিজ্ঞাসার জবাব খুঁজতে গেলেই আমরা মুখোমুখি হই কঠিনতর জীবন সত্যের। রাত পোহালে , সূর্য উঠলেই সকাল হয়। ভোরের আলো ফোটে। আলো ফুটলেও সব সময় কিন্তু সে আলোতে জীবনের অন্ধকার ঘুচে যায় না। মানুষ জাগলে, তার দীর্ঘ, দীর্ঘতর সংগ্রামের মধ্য দিয়েই আলোকমন্ডিত হয় জীবন। কাল হতে কালান্তরের, দেশ হতে দেশান্তরের ইতিহাসের পাতায় পাতায় তার প্রমাণ রয়েছে। সেই সত্যেরই প্রতিধ্বনি করেন বিদ্রোহী কবি।  উষার দুয়ারে আঘাত হেনে তিমির রাত টুটাবার আহবান শুনি আমরা তাঁর  কণ্ঠে। তিনি ভীত- সন্ত্রস্ত মানুষকে শোনান অভয়ের বাণী, মাভৈঃ,মাভৈঃ। তাঁর অভয় মন্ত্র;
ওরে    যে যায় যাক সে, তুই শুধু বল ‘আমার হয়নি লয়’।
বল    আমি আছি, আমি পুরুষোত্তম, আমি চির দুর্জয়!
বল    নাহি ভয়, নাহি ভয়,
বল    মাভৈঃ মাভৈঃ, জয় সত্যের জয়।’

এ হলো আত্মশক্তি উদ্বোধনের গান। ব্যক্তি বা  জাতির সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে তার নিজের মনের শক্তি। ইংরেজিতে একে বলা হয়, পাওয়ার অব পজেটিভিটি। মানুষ যতদিন নিজেকে ভয় থেকে মুক্ত করতে না পারে, ততদিন তার মুক্তি নাই। ভয়ের হাত ধরেই আসে পরাজয়। ভয় থেকে পলায়ন করার সুযোগ নেই বরং জয় করতে হয়, জয় করতে হবে। একে জয় না করে স্বাধীনতাও আসে না। আবার সমাজে ভয় কায়েম রেখে স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় না। রুজভেল্টের ফোর ফ্রিডম তত্তে¡ও বলা হয়েছে একই কথা। নজরুল তাই সবসময় প্রাসঙ্গিক এবং সর্বজনীন। তিনি দূত মানবমুক্তির।

 

--------- ফাইজুস সালেহীন, বৃহত্তর ময়মনসিংহ লেখক-সাংবাদিক ফাউন্ডেশন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আইএইচআরসি বাংলাদেশ ন্যাশনাল বোর্ডের প্রেসিডেন্ট পদে পুনর্নিয়োগ পেলেন এম এ হাশেম রাজু


সাইফুল আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৩ জুলাই, ২০২৫, ০৫:৩৩
আইএইচআরসি বাংলাদেশ ন্যাশনাল বোর্ডের প্রেসিডেন্ট পদে পুনর্নিয়োগ পেলেন এম এ হাশেম রাজু

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশনের (আইএইচআরসি) বাংলাদেশ ন্যাশনাল বোর্ডের বর্তমান প্রেসিডেন্ট, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা পরিবেশ পরিষদের সাবেক সদস্য এম এ হাশেম রাজু ২য় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট পদে পুনর্নিয়োগ পেয়েছেন। ৩০ জুন আইএইচআরসি ডেনমার্ক হেড অফিস হইতে জারিকৃত রেফারেন্স নং-আইএনটি৮৩৯/আইএইচআরসি৮৯৪৫বি এর মাধ্যমে এই নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়।

নিয়োগ রেফারেন্সে বলা হয়, মানবাধিকারের প্রতি আপনার অসাধারণ নিষ্ঠা, অঙ্গীকার এবং মানবতার জন্য অসামান্য সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ, আইএইচআরসি বাংলাদেশ ন্যাশনাল বোর্ডের সভাপতি হিসেবে আপনার পুনর্নিয়োগের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে পেরে আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি। আপনার জীবন এবং কর্মকাণ্ড সেই মূল্যবোধের প্রতিফলন যা আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাহস, আত্ম-সেবা এবং সকল প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সত্যকে ধারণ করি। বাংলাদেশে তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত জনাব পিটার ডি হাস এবং নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মুহাম্মদ ইউনূসকে হুমকি প্রদানকারী দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে আপনার নির্ভীক আইনি পদক্ষেপ ন্যায়বিচার এবং সততার প্রতি আপনার অটল অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। বিষয়টি এখন বাংলাদেশের মাননীয় আদালতের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যা নীরবতার চেয়ে আইনানুগ প্রতিরোধে আপনার বিশ্বাসের প্রমাণ।

এমন এক সময়ে যখন বিশ্বকে শান্তির জন্য সত্যিকারের কণ্ঠস্বরের প্রয়োজন, আপনার নেতৃত্ব কেবল সময়োপযোগীই নয় বরং গভীরভাবে অর্থবহও। আপনি জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন, অন্যরা যখন নীরব ছিল তখন আপনি আপনার আওয়াজ তুলেছেন এবং যেখানে অন্ধকার আছে সেখানে আপনি আলো হয়ে আছেন। আমরা নিশ্চিত যে আপনার উপস্থিতি বাংলাদেশের প্রতিটি ব্যক্তির অধিকার এবং মর্যাদা রক্ষার জন্য আইএইচআরসি’র লক্ষ্যকে আরও জোরদার করবে। এই পুনর্নিয়োগ আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিক যে আপনার প্রচেষ্টা বিশ্বব্যাপী দেখা, মূল্যবান এবং সম্মানিত। আপনি কেবল পদবিতে নেতা নন, বরং ন্যায়বিচার, শান্তি এবং মানবতার মশালবাহক।

এই পুনর্নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং জারির তারিখ থেকে দুই বছরের জন্য বৈধ থাকবে, আপনার অব্যাহত অবদান এবং কর্মক্ষমতার উপর ভিত্তি করে মেয়াদ বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকবে।আমরা আপনার নেতৃত্বে আস্থা রাখি এবং আশা ও দৃঢ়তার প্রতীক হিসেবে আইএইচআরসি’র সাথে আপনার অব্যাহত যাত্রার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।

আইএইচআরসি বাংলাদেশ ন্যাশনাল বোর্ডের প্রেসিডেন্ট পদে পুনর্নিয়োগ পাওয়ায় এম এ হাশেম রাজু কে অভিনন্দন জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আইএইচআরসি’র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী, আইএইচআরসি বাংলাদেশ ন্যাশনাল বোর্ডের অ্যাম্বাসেডর প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান, প্রফেসর ড. জিনুবধি ভিক্ষু, সাবেক বিচারপতি আব্দুস সালাম মামুন, প্রফেসর ড. এম এ গফুর, বীরমুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. মো. ইদ্রিস আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মাহফুজুর রহমান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী, আইএইচআরসি’ নির্বাহী পরিচালক সাইফুদ্দিন সালাম মিঠু, পরিচালক বিপ্লব পার্থ, প্রফেসর মো. ইকবাল হোসেন, প্রফেসর ড. আক্তার হোসেন, আইনজ্ঞ মো. আব্দুল মমিন চৌধুরী, ব্যারিস্টার পারভেজ আহমেদ, গোলাম সরোয়ার খান, এ্যাড. নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, সোনিয়া সরোয়ার খান, এ্যাড. মোহাম্মদ আলী, এ্যাড. মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইসরাইল এক লক্ষ ইউক্রেনীয় ই্হুদিকে নাগরিকত্ব দেবে!


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৭ মার্চ, ২০২২, ০৯:০৩
ইসরাইল এক লক্ষ ইউক্রেনীয় ই্হুদিকে নাগরিকত্ব দেবে!

ফাইল ছবি

ইসরাইলের উগ্র ইহুদিপন্থী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আয়লেত শাকেদ বলেছেন, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে পলাতক এক লাখ  ইউক্রেনীয়কে তাৎক্ষণিকভাবে নাগরিকত্ব দিতে প্রস্তুত। তবে ইউক্রেনীয় ই্হুদি নাগরিকদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। রোববার ইসরাইলের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে এমন সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

টাইমস অব ইসরাইল জানায়, ইসরাইলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আয়লেত শাকেদ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার ল্যাপিড দেশটিতে দীর্ঘ মেয়াদী বসবাস ও কাজের অনুমোদন দিয়ে একটি আইন করতে যাচ্ছে। এ আইনের আওতায় ইউক্রেনীয় (ই্হুদি) নাগরিকদের ইসরাইলে বসবাসের অনুমতি দেয়া হবে।
 
শুক্রবার ইসরাইলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আয়লেত শাকেদ বলেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ শুরু হলে এক হাজার ৫৫৫ ইউক্রেনীয় নাগরিক ইসরাইলে আশ্রয় নেয়। এদের মধ্যে ১৫০ জন (ই্হুদি) ইসরাইলের ‘ফিরে আসার ভিত্তিতে নাগরিকত্ব’ আইন অনুসারে নাগরিকত্ব পাবেন।

ইসরাইলের ‘ফিরে আসার ভিত্তিতে নাগরিকত্ব’ আইন অনুসারে, যেকোনো ই্হুদি তাদের পবিত্র ভূমি ইসরাইলে ফিরে এলে তারা দেশটির নাগরিকত্ব পাবেন। ওই ই্হুদি ব্যক্তি বিশ্বে যে কোনো দেশ থেকে আসলেও তিনি ইসরাইলের নাগরিকত্ব পাবেন।

অপরদিকে কোনো ফিলিস্তিনি শরণার্থী অন্য দেশ থেকে এলে তাকে নাগরিকত্ব দেয়া হয় না। অনেকের ধারণা ফিলিস্তিনিদের চেয়ে ই্হুদিদের জনসংখ্যা বাড়ানোর জন্য ইসরাইল এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
 
এ বিষয়ে ইসরাইলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আয়লেত শাকেদ বলেন, ইউক্রেনে রাশিয়ান আক্রমণ শুরু হওয়ার পর যে সকল ইউক্রেনীয় ইসরাইলে আসবে তাদের মধ্যে এক লাখ ব্যক্তিকে দেশটির নাগরিকত্ব দেয়া হবে। তবে এসব ইউক্রেনীয় নাগরিকদের মধ্যে যারা ইহুদি তাদের অগ্রাধিকারভিত্তিতে দ্রুত নাগরিকত্ব দেয়া হবে। সূত্র : মিডল ইস্ট মনিটর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - শিল্প ও সাহিত্য