a
টঙ্গীতে তুলার গুদামে আগুন
টঙ্গীর মিলগেট এলাকার কো-অপারেটিভ সোসাইটি মার্কেটে বৃহস্পতিবার সকালে এক ভয়াভহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ১৫ টি তুলার গুদাম পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে।
খবর পেয়ে টঙ্গী ও উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা একযোগে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়েছে।
জানা যায়, সকাল সাড়ে ৯ টায় উল্লেখিত এলাকার জনৈক মাসুদের তুলা ভাঙ্গানোর মেশিন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ওই গোডাউনসহ আশপাশের গোডাউনগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে টঙ্গী ও উত্তরার ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে প্রায় সোয়া ২ ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়।
এ সময় ওই এলাকায় পানি সংকট দেখা দিলে আশপাশের বিল্ডিং থেকে পানির ব্যবস্থা করা হয় বলে জানান ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।
ততক্ষনে ছোট বড় প্রায় ১৫ টি ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান, রক্ষিত মালামাল ও আসবাব পত্র পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
তবে ক্ষতিগ্রস্থ তুলা ব্যবসায়ীরা তৎক্ষণাত আগুনে পুড়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষয়ক্ষতির পরিমান জানাতে পারেননি।
এব্যাপারে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন অফিসার মো. ইকবাল হাসান জানান, তুলা ভাঙ্গানোর মেশিনে স্পার্ক থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানা যায়নি।
ছবি: সুমন, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
জামালপুর, সরিষাবাড়ি ৩ নং ডোয়াইল ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে গতকাল ২৬ অক্টোবর শনিবার, স্থান ডোয়াইল ইউনিয়নের মাঠে বিশাল এক জন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। জন সমাবেশে বক্তারা বিগত স্বৈরাচার সরকার পতনের পর দেশে নানা ষড়যন্ত্র এখনো দৃশ্যমান থাকায় সবাইকে সতর্ক থাকতে এবং দলমত নির্বিশেষে সকলকে একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার উদাত্ত আহ্ববান জানান।
বিএনপি’র ডোয়াইল ইউনিয়নের সভাপতি জনাব দুলাল মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামালপুর জেলার সফল সভাপতি ও গণমানুষের নেতা জনাব ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম।
জন সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ডোয়াইল ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি জনাব দুলাল মিয়া।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন অত্র ইউনিয়নের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম। এছাড়াও বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
ফাইল ছবি
প্রয়াত রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের রাজনৈতিক জীবন নিয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংসদে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনা করার সময় তিনি মওদুদের দলবদল নিয়ে কথা বলেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি (মওদুদ) মুখে যাই বলুক তার লেখাগুলোর মধ্যে অনেক অনেক কন্ট্রভার্সি নিজের আপন মনের মাধুরী মিশিয়েও লিখেছেন। আর উনি দলবদল করতে পছন্দ করতেন। যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার কথা, সেই সুযোগে ১৯৬৯ সালে মিশে গেলেন। পরবর্তী ১৯৭৫ সালে বিএনপিতে যোগ দিলেন। এর পর যখন এরশাদ এলেন তিনি (মওদুদ) একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন এরশাদ সাহেব তার সাজা মওকুফ করে দিয়ে তার মন্ত্রিপরিষদে আইনমন্ত্রী করলেন। এর পর আবার তিনি বিএনপিতে যোগদান দেন। রাজনীতিতে বারবার দলবদল করা তার একটা অভ্যাস ছিল, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তিনি যখন মারা গেলেন, আমি নিজে ফোন করেছিলাম হাসনাকে। কারণ হাসনার সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল সবসময়। সিঙ্গাপুরেও ওর সঙ্গে কথা বলি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমদ ও আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে বৃহস্পতিবার সংসদে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। শোক প্রস্তাবের পর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মওদুদের রাজনৈতিক জীবন নিয়ে এসব কথা বলেন।