a
সংগৃহীত ছবি
মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আজ বৃহস্পতিবার বরিশাল, ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে এ কথা বলা হয়েছে ।
সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
সারাদেশের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানান আবহাওয়া অধিদফতর।
উত্তরপশ্চিম বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি মৌসুমী বায়ুর অক্ষের সাথে মিলিত হয়েছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারী থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
ফাইল ছবি
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলী রেলস্টেশনে তেলবাহী ট্রেনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এর ফলে খুলনার সাথে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
রোববার রাত ১টার দিকে উথলী স্টেশনের সামনে লুপ লাইনে বগিগুলো লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনার পর উথলী রেলওয়ে স্টেশনের পার্শ্ববর্তী দর্শনা, আনছারবাড়ীয়া ও সাবদালপুর স্টেশনে চারটি যাত্রীবাহী ট্রেন আটকা পড়েছে।
সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঈশ্বরদী থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
উথলী রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ আলী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, খুলনা থেকে ডিজেল নিয়ে নাটোরের উদ্দেশে ৩০টি বগি নিয়ে মালবাহী ট্রেনটি উথলী রেলওয়ে স্টেশনে আসে। ক্রসিংয়ের জন্য ট্রেনটি ২ নম্বর লাইনে নেয়া হয়। রোববার রাত ১২টা ৪০ মিনিটের সময় ক্রসিং শেষে ট্রেনটি নাটোরের উদ্দেশে ছাড়ে। ট্রেনটি ২ নম্বর লাইন থেকে ১ নম্বর লাইনে ঢোকার ১৪/১৫ নম্বর পয়েন্ট অতিক্রম করার সময় চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এ কারণে এলাইনে ট্রেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনার পর ঈশ্বরদী থেকে সকাল সাড়ে ৭ টার সময় উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছিছে। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে বেলা ১২ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
ফাইল ছবি
কয়েকদিন ধরে দুঃসহ গরমে মানুষ হাসপাস করছেন। কী দিন কীবা রাত, কিংবা ঘরের ভেতরে বা বাইরে; কোথাও স্বস্তি নেই।
বর্তমানে মৃদু থেকে মাঝারি পর্যায়ের তাপপ্রবাহ আছে। এটা সর্বোচ্চ মাঝারি পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি গরমের এই ঊর্ধ্বমুখী পরিস্থিতি ২১ এপ্রিল পর্যন্ত একইরকম বিরাজ করতে পারে।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙায়। সেখানে ব্যারোমিটারের পারদ উঠেছিল ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ দিন ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটা গত ৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এরআগে ২০২১ সালের এপ্রিলে ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। এই দুই স্থানের তাপমাত্রাই আগের দিনের চেয়ে বেশি ছিল। বুধবার দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৩৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকায় বুধবার ছিল ৩৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এপ্রিল বাংলাদেশের উষ্ণতম মাসগুলোর একটি। খরতাপে প্রকৃতি পাগলা হাতির মতো নেচে উঠবে-এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এর মধ্যেও কখনো স্বস্তির বৃষ্টি হবে। এতে শান্তি আর স্বস্তি খুঁজে পাবে মানুষ। কিন্তু দেশের বিভিন্ন অঞ্চল টানা গরমে পুড়ছে। আবহাওয়া বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৫৬ জেলার উপর দিয়ে মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বইছে।