a
ফাইল ছবি
দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। যা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮টি ইউপির তফসিল ঘোষণা করা হলেও ভোট হচ্ছে মোট ৮৩৮ ইউপিতে। চারটির কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। একটির ভোট বাতিল করেছে ইসি। আর পাঁচটিতে সব প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এদিকে ২৬টি ইউপিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে।
ফাইল ছবি
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে পরিচিতি পাওয়া রাণী গতকাল বৃহস্পতিবার মারা গেছে। গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ডে রেকর্ড এ বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে রেকর্ড গড়তে যাওয়া আর হলো না আশুলিয়ার রাণীর।
তবে রাণীর মৃত্যু নিয়ে খামার কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার বিকেলে সাভার উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: সাজেদুল ইসলাম রাণীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু রাণী, যেটা আশুলিয়ার চাড়িগ্রামে শিকড় এগ্রোতে ছিল এতোদিন। সেটি বৃহস্পতিবার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যায়, পেট ফুলে যায়। পেট ফুলার সাথে সাথে সেটাকে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাভার উপজেলা প্রাণিসম্পদ কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। পরে যথাসাধ্য চেষ্টা করা হয়, চিকিৎসা দেয়া হয়, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়ার পরেও গরুটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
গরুটি ১২টা সোয়া ১২টার দিকে মৃত্যুবরণ করে। গরুটি মারা যাওয়ার পরে খামারের মালিক ওনাদের খামারে নিয়ে গেছেন বলে জানান তিনি। রাণীর মৃত্যুর ব্যাপারে জানতে শিকড় এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো: আবু সুফিয়ান কোন মন্তব্য করেননি এখনো।
উল্লেখ্য, পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ডের স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয়েছিল রাণীর জন্য। আর এক/দেড় মাস হলেই গিনেজ বুকে নাম থাকতো রাণীর। ‘রাণী’র উচ্চতা ২০ ইঞ্চি ও ওজন মাত্র ছিল ২৬ কেজি। রাণীকে নওগাঁর একটি প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে এনেছিল খামার কর্তৃপক্ষ। গত ২ জুলাই গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ডে নাম লেখানোর জন্য আবেদন করেছিল ফার্ম কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকে দেশের গণমাধ্যমসহ বিশ্ব মিডিয়ায় রাণীকে নিয়ে সংবাদ প্রচার হলে পরিচিতি লাভ করে রাণী।
ফাইল ছবি
ভারতে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে করোনার ভাইরাস সংক্রমণ। বিভিন্ন রাজ্যে দেখা দিয়েছে অক্সিজেনের ব্যাপক ঘাটতি। এই পরিস্থিতিতে অনেক জায়গাতেই কালোবাজারি হচ্ছে অক্সিজেনের। কোথাও কোথাও তা বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার প্রতি ৩০ হাজার টাকায়। ফলে বিপাকেও পড়েছেন করোনা রোগীরা।
এর মধ্যেই দাতা হিসেবে দেখা দিয়েছেন উত্তর প্রদেশের হামিরপুরের একজন ব্যবসায়ী। তিনি করোনা আক্রান্তদের জন্য মাত্র এক টাকায় নিজের কারখানা থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার ভরে দিচ্ছেন। আর তার এই কাজকে স্যালুট জানিয়েছে সবাই।
দেশটির সংবাদ মাধ্যম ‘সংবাদ প্রতিদিন’ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামিরপুরের সুমেরপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় মনোজ গুপ্তার ইস্পাত ফ্যাক্টরি আছে। গত বছরই করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় তিনি আক্রান্ত হয়েছিলেন। আর এবার নিজেই কোভিড আক্রান্তদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।