a
ফাইল ছবি
কোভিড–১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যু এবং শনাক্তের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রমণ বিস্তার রোধে চলমান লকডাউন আরও ১ সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন জানান, চলমান পরিস্থিতির কারনে লকডাউন আরও ১ সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সোমবার (১৯ এপ্রিল ২০২১ইং) মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগে সোমবার দুপুরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শানুযায় সরকার দেশে আরও এক সপ্তাহ সর্বাত্মক লকডাউন বাড়ানোর চিন্তা করছে।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল ২০২১ ইং ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। লকডাউন ঘোষণা করে গত ১২ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। লকডাউন পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেওয়া হয়, তারমধ্যে কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়।
চলমান লকডাউনে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থলবন্দর এবং এ সংক্রান্ত অফিসগুলো এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রয়েছে। শিল্পকারখানা গুলো চলছে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায়। তবে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় সর্বাত্মক লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করে করোনা মোকাবিলা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।
এরও আগে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। ওই সময়ে গণপরিবহন, মার্কেট সীমিত সময়ের জন্য চালু রাখা হয়।
ফাইল ছবি
টানা ভারি বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্বের পার্বত্য অববাহিকার কিছু স্থানে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। শহরের পথঘাট-সড়ক পানিতে ডুবে গেছে।
আবহাওয়া অধিদফতর পূর্বাভাস বলছে, চট্টগ্রাম বিভাগে আরও দু’দিন অতিভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ অঞ্চলের প্রধান নদী মুহুরী, ফেনী, হালদা, কর্ণফুলী, সাঙ্গু ও মাতামুহুরীর পানি বাড়ছে। এতে ফেনী, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও বান্দরবান জেলার নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। বান্দরবান ও কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি ঘটেছে। তুমুল বৃষ্টি,পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের পানিতে কক্সবাজারে নতুন করে বহু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
কক্সবাজারসহ পার্বত্য জেলাগুলোতে পাহাড় ধ্বস এবং মাটি চাপায় প্রতিদিন বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। বন্যা ও জলাবদ্ধতায় লক্ষ লক্ষ মানুষ পানি বন্দী। রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় কয়েকটি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বিদ্যুৎ সরবরাহ। পার্বত্য ৪ জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধের মেয়াদ আরও দুই দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম ও বান্দরবানে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত জেলার সাতটি উপজেলার কমপক্ষে ৪৫টি ইউনিয়নের সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক বন্ধ রয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ছবি: সোনিয়া হক
ঝরছে পাপড়ি বইছে দেখ বসন্ত বাতাস
বুকের পাঁজড় ভাঙে তবু বৈরী বাতাস।
কোথা থেকে এলো হঠাৎ কাল বৈশাখী ঝড়
উড়িয়ে নিলো নিমেষে ভালোবাসার ঘর।
সমুদ্রের বুক যখন শান্ত শীতল
কোথা হতে সুনামী এলো পাড় ভাসাতে বল ?
যে নদী দিলো পলি ভরা মাঠ
বেনোজলে তার ভেসে গেলো মাঠ -ঘাট।
সুপ্ত আগ্নেয়গিরী কখন খুলবে তার মুখ
উত্তপ্ত লাভা ছড়িয়ে কেড়ে নেবে সুখ,
খানিক আগেও তো যায়না বোঝা
বুকে তার এত আগুন করেছিলো জমা।
চারিদিকে কেবল বন আর বন
কোথা থেকে জ্বলে গেলো দাউদাও আগুন,
সে আগুন নেভাতে দমকল মানে হার
গাছের জ্বলন দেখে হলো আকাশের বুক ভার।
কান্না হয়ে নেমে এলো বৃষ্টির ফোটায়,
এ ভাবেই আকাশ বনের আগুন নেভায়।
প্রকৃতিতে চলে নিয়ত ভাঙা-গড়ার খেলা
আমার মনে লাগে কেবল ভাঙনের দোলা।