a ঢাকা ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট নিশতিয়াক রাখি ডেঙ্গুতে মারা গেলেন
ঢাকা শুক্রবার, ৩০ মাঘ ১৪৩২, ১৩ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ঢাকা ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট নিশতিয়াক রাখি ডেঙ্গুতে মারা গেলেন


খোরশেদ আলম:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১০ আগষ্ট, ২০২১, ০৪:৩০
ঢাকা ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট নিশতিয়াক রাখি ডেঙ্গুতে মারা গেলেন

ফাইল ছবি । নিশতিয়াক আহমেদ রাখি

ঢাকা ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মাদারবক্স হলের সাবেক এজিএস নিশতিয়াক আহমেদ রাখি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। 

মাত্র ৫২ বছর বয়সে আজ ভোর ৭টায় গ্রীন লাইফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানান তার পরিবার।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন রাখি। তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে দায়িত্ব পালন করেন। তার মৃত্যুতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সাবেক সংসদ সদস্য নাদিম মোস্তফা প্রমুখ শোক প্রকাশ করেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার ডেঙ্গজ্বরে আক্রান্ত হয়ে স্ত্রী, দুই ছেলেমেয়েসহ গ্রীন লাইফ হাসপতালে ভর্তি হন। গতকাল অবস্থা খারাপ হলে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। আজ সকাল ৭টায় তার মৃত্যু হয়।

নিশতিয়াক আহমেদ রাখির বাবা হামিদ সাহেব ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ব্যক্তি জীবনে নিশতিয়াক আহমেদ রাখি অনেক সহজ সরল ও বন্ধু-বৎসল ছিলেন। এলাকায় সকল ধরণের মানুষের সাথে তার উঠাবসা ছিল। গরীব, অসহায় ব্যক্তিদের তিনি উদারহস্তে সাহায্য করতেন। 

১/৬, পূর্ব বাসাবো পৈত্রিক বাসার পাশে কদমতলা স্কুল এন্ড কলেজের সন্নিকটে নিজ ফ্লাটে বসবাস করছিলেন। তার স্ত্রী সরকারি স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক এবং দুই মেয়ে ও ৪ বছরের এক ছেলে সন্তান রয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাস-মাইক্রোবাস-লেগুনার ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১৭


নিউজ ডেস্ক:
শুক্রবার, ২৬ মার্চ, ২০২১, ০৫:২০
বাস-মাইক্রোবাস-লেগুনার ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১৭

সংগৃহীত ছবি

রাজশাহীতে বাস-মাইক্রোবাস ও লেগুনার ত্রিমুখী সংঘর্ষে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে রাজশাহী মহানগরীর উপকণ্ঠ কাটাখালী এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। এদের মধ্যে তিনজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুর রউফ জানান, দুপুরে রংপুর থেকে একটি হায়েস মাইক্রোবাস রাজশাহী আসছিল। পথে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কে কাটাখালী থানার সামনে বিপরীত দিক থেকে আসা হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। 

মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরেকটি হিউম্যান হলারকে (লেগুনা) ধাক্কা দেয়। এ সময় মাইক্রোবাসটির গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। ফলে গাড়ির ভেতরে সবাই দগ্ধ হয়ে মারা যায়।

তিনি আরও জানান, মাইক্রোবাসটির ভেতরে চারটি পরিবারের ১৩ জন ব্যক্তি ছিলেন। সবাই মারা গেছেন। এছাড়া বাসের আরও চারজন মারা গেছেন। এদের মধ্যে রামেক হাসপাতালে নেয়ার পর পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। 

ঘটনাস্থলে মাইক্রোবাসের ভেতর থেকে ১১ জনের লাশ বের করা হয়। আগুনে মাইক্রোবাস ও হিউম্যান হলারটিও (লেগুনা) পুড়ে গেছে। রামেক হাসপাতালে গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে আহত-নিহতদের নাম ঠিকানা জানাতে পারেনি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের সেই শিক্ষকের সন্ধান মিলেছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ০৭ ফেরুয়ারী, ২০২২, ১২:৪৪
মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের সেই শিক্ষকের সন্ধান মিলেছে

ফাইল ছবি

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মো. হারুনুর রশীদের সন্ধান মিলেছে। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সায়েদাবাদে নিখোঁজের ছয় দিন পর তার খোঁজ পায় পুলিশ।

পুলিশ বলছে, নিখোঁজ নয়, মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। হারুন রাজধানীর সবুজবাগ থানার মাদারটেক শাপলা কানন আবাসিক এলাকায় স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে থাকেন।

এর আগে ৩১ জানুয়ারি সবুজবাগের মাদারটেক এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি শিক্ষক হারুন। তাকে না পাওয়ায় পরদিন ১ ফেব্রুয়ারি সবুজবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি)  করে তার পরিবার। পরে ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ দেখতে পায়, হারুন ঘটনার দিন একটি ব্যাগ নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান। ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের সবুজবাগ জোনের এসি মনতোষ বিশ্বাস বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় শিক্ষক হারুনকে সায়েদাবাদ থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে উদ্ধারের পর কাউন্সিলিং করে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শিক্ষক হারুনের পরিবার ও স্বজনরা জানিয়েছেন, তিনি মানুষ হিসেবে খুব ভালো এবং ধার্মিক। তিনি তিন সন্তানের জনক। এর মধ্যে এক ছেলে চিকিৎসক, অন্য ছেলে বুয়েটের শিক্ষার্থী। ছোট মেয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষক হারুনের পরিবারের সদস্যরা সবাই ব্যস্ত থাকেন। আবার করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে কলেজ বন্ধ। ফলে তিনি হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি পরিবার ও পেশাগত জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। ব্যক্তিজীবনে তিনি মোবাইল ফোনও ব্যবহার করতেন না। হারুন পুলিশকে জানিয়েছেন, স্কুলে যাওয়ার জন্য সকালে বের হয়ে মনে হলো কোনদিকে যাব? এরপর সায়েদাবাদে গিয়ে সন্ধ্যা হয়ে গেলে একটি হোটেলে উঠে পড়ি। ৩১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হারুন কোথায় ছিলেন জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তা মনতোষ বলেন, আত্মগোপনে থাকা কয়েক দিন তিনি হোটেলেই ছিলেন। তার পরিবার কিংবা অন্য কোনো আত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। মোবাইল ব্যবহার না করার কারণে তাকে খুঁজে পেতে কিছুটা সময় লেগেছে।

এসি মনতোষ বলেন, আত্মগোপনে থাকা শিক্ষকের পকেটে তার অফিসের একটি ই-মেইল ও ই-মেইলের পাসওয়ার্ড এবং বাসার মোবাইল নম্বর ছিল। শনিবার সারাদিন ওই শিক্ষক একজন পান দোকানদারের সঙ্গে বসেছিলেন। এরপর দোকানদার তার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন তিনি বাসা থেকে চলে এসেছেন। পান দোকানদারই পুলিশকে শিক্ষকের তথ্য দেয় এবং তাকে উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করেন মো. হারুনুর রশীদ। এরপর ১৯৯০ সাল থেকে মতিঝিল আইডিয়ালে শিক্ষকতা করেন। তিনি মাধ্যমিক পর্যায়ের ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে ক্লাস নেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ