a
ফাইল ছবি
বান্দরবানের ৪জনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার জেরিন আক্তার সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে পুলিশ অস্থান করছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।
তিনি আরও জানান, আজ রবিবার সকালে রোয়াংছড়ি ও রুমা সীমান্তবর্তী এলাকার গভীর জঙ্গলে মরদেহগুলো দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন।
ফাইল ছবি
টানা ভারি বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্বের পার্বত্য অববাহিকার কিছু স্থানে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। শহরের পথঘাট-সড়ক পানিতে ডুবে গেছে।
আবহাওয়া অধিদফতর পূর্বাভাস বলছে, চট্টগ্রাম বিভাগে আরও দু’দিন অতিভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ অঞ্চলের প্রধান নদী মুহুরী, ফেনী, হালদা, কর্ণফুলী, সাঙ্গু ও মাতামুহুরীর পানি বাড়ছে। এতে ফেনী, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও বান্দরবান জেলার নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। বান্দরবান ও কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি ঘটেছে। তুমুল বৃষ্টি,পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের পানিতে কক্সবাজারে নতুন করে বহু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
কক্সবাজারসহ পার্বত্য জেলাগুলোতে পাহাড় ধ্বস এবং মাটি চাপায় প্রতিদিন বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। বন্যা ও জলাবদ্ধতায় লক্ষ লক্ষ মানুষ পানি বন্দী। রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় কয়েকটি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বিদ্যুৎ সরবরাহ। পার্বত্য ৪ জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধের মেয়াদ আরও দুই দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম ও বান্দরবানে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত জেলার সাতটি উপজেলার কমপক্ষে ৪৫টি ইউনিয়নের সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক বন্ধ রয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
গতকাল রাজধানীর গুলশান-২ এ অভিযান চালিয়ে তারকা দম্পতি ওমর সানি ও মৌসুমীর ছেলে ফারদিন এহসান স্বাধীনের মন্টানা লাউঞ্জ নামে একটি সিসা বার থেকে গতকাল ১৮ মে ১১ জনকে আটক করেছে গুলশান থানা পুলিশ। অভিযানে সিসা ও সিসা সেবনের বিভিন্ন জিনিসপত্র জব্দ করা হয়। মন্টানা লাউঞ্জ নামে সিসা বারের মালিক তারকা দম্পতি ওমর সানি ও মৌসুমীর ছেলে ফারদিন এহসান স্বাধীন।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এক অনলাইন গণমাধ্যমের কাছে স্বয়ং এ তথ্য স্বীকার করেন ওমর সানি।
তিনি জানান, মন্টানা লাউঞ্জ আসলে একটি খাবারের রেস্তোরাঁ। এর মালিক আমার ছেলে এবং তার দুই বন্ধু। খাবারের পাশাপাশি এখানে সিসা সেবনের ব্যবস্থা ছিল। এখানে কোনো বেআইনি বা অবৈধ কিছু ঘটছিল না। আমরা দেশের আইন অনুযায়ী চলেছি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সিসা সেবন নিষিদ্ধ জানিয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন গুলশান থানা ওসি আবুল হাসান। উক্ত ঘটনায় থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশের আইনে সিসা সেবন নিষিদ্ধ তাই রেস্তোরাঁয় সিসা সেবনের ব্যবস্থা কেন ছিল? এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে বাংলা সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়েন, সিগারেট অবৈধ না হলে সিসা কেন অবৈধ?
তিনি যুক্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, গুলশান বনানীতে প্রায় ৪০টির মতো সিসা লাউঞ্জ আছে। যদি সরকার ঐগুলোসহ আমার ছেলেরটা বন্ধ করে দেয় তাহলে আমাদের আপত্তি নেই। আমাদের রেস্তোরাঁয় শুধু খাবারের ব্যবস্থাই থাকবে।