a
ফাইল ছবি
পুলিশ কর্মকর্তা ইমরান হত্যা মামলার আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খানের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করেছে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা (ইন্টারপোল)। তবে দুবাই পুলিশ তাকে এখনো গ্রেফতার করেনি বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, আরাভ খানের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির জন্য ইন্টারপোলকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। তাই নোটিশ জারি হলো। তবে এখনো তাকে গ্রেফতারের কোনো খবর আমাদের কাছে আসেনি।
রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খান যেহেতু ভারতের নাগরিক এ ক্ষেত্রে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কোনো সমস্যা হবে কিনা জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। এই মুহূর্তে পুরো বিষয়টি বলতে পারব না।
এদিকে শুক্রবার সকালে ইন্টারপোলের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, ওয়ান্টেড বাই বাংলাদেশির তালিকার শুরুতেই আরাভ খান ওরফে রবিউলের নাম। সেখানে একটি ছবিও যুক্ত করা রয়েছে তার। ইন্টারপোলের ওয়েবসাইটে মোস্ট ওয়ান্টেডের তালিকায় আসামি রবিউলের নাম, ছবি ও পরিচয় সংযুক্ত করে প্রকাশ করা হয়েছে। তার বয়স ৩৫ বছর দেখানো হয়েছে। জাতীয়তা দেখানো হয়েছে বাংলাদেশি। তার জন্মস্থান বাগেরহাটে। সূত্র: যুগান্তর
ছবি: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে গণহত্যার দায়ে শুধু শেখ হাসিনার নয়, দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগেরও বিচার হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বেশি রোষানলের শিকার বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল বিএনপি।
আজ বুধবার সকালে রাজধানীর নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. আবদুল কুদ্দুসের শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, সর্বশেষ গণহত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন শেখ হাসিনা। গণহত্যার দায়ে শুধু শেখ হাসিনা নয়, দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগেরও বিচার হওয়া উচিত।
বিএনপি সব সময়ই সংস্কারের পক্ষে জানিয়ে তিনি বলেন, 'যারা মনে করেন নির্বাচন প্রয়োজন নেই। তাদের বলব, নির্বাচন প্রয়োজন জনগণের জন্য। নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে জনগণের সর্ম্পক থাকে।'
অপর এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিন বলেন, সংস্কার এবং নির্বাচন দুইটি একসঙ্গে চলতে পারে।
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্কঃ আজ ঐতিহাসিক এইদিনে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করলেন দেশের প্রধান উপদেষ্টা ও রাজনীতিদলের প্রধানগণ। এই স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
সনদটির উদ্দেশ্য—দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তারা একমত হন যে, জাতীয় স্বার্থই সবার ঊর্ধ্বে। প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই সনদ হবে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার মাইলফলক। রাজনীতিবিদেরা প্রতিশ্রুতি দেন, দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের উন্নয়নে কাজ করবেন তারা।
সনদের ধারাগুলোতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও নাগরিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি জাতিকে বিভেদের বদলে ঐক্যের পথে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। নেতৃবৃন্দ বিশ্বাস করেন, এই সনদ দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। সামাজিক ন্যায়বিচার, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক সংস্কারের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনগণ আশাবাদী মনোভাব প্রকাশ করেন। তারা মনে করেন, এই উদ্যোগ জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি স্থাপিত হবে। প্রধান উপদেষ্টা সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
এটি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গণমাধ্যমে ইতোমধ্যে এ স্বাক্ষরকে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বলা হচ্ছে। তরুণ সমাজও এ উদ্যোগে নতুন আশার আলো দেখছে। জুলাই সনদ তাই আজ দেশের ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে উঠেছে। এটি জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের এক উজ্জ্বল প্রতীক।