a
ফাইল ছবি
মৌসুম শুরুর আগেই পাকা আম আসতে শুরু করেছে দেশের বিভিন্ন নগরীর পাইকারী ও খুচরা বাজারে। হলুদ বা লাল টুকটুকে এসব আম দেখে যে কোন ক্রেতারই নজর কাড়বে। কিন্তু এসব আম বলতে গেলে অনেকাংশে বিষ।
শুক্রবার বরিশাল নগরীর তিনটি আড়তে অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যিমাণ আদালত। তখন কেমিকেল দিয়ে আম পাকানো আম বিক্রির অভিযোগে ১৪০ কেজি আম জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে তিনটি আড়তকে ২৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
শুক্রবার বিকেলে বরিশাল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল হাই ও রয়া ত্রীপুরার নেতৃত্বে নগরীর পোর্ট রোড ও ফলপট্টিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আব্দুই হাই জানান, কার্বাইড দেওয়া অপরিপক্ক এসব আম বিক্রির অপরাধে দত্ত বাণিজ্যালয়কে ১৫ হাজার টাকা, বরিশাল ট্রেডার্সকে ছয় হাজার টাকা ও আরিফ ফ্রুটসকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরে অপরিপক্ক আমগুলোকে ধ্বংস করা হয়।
ফাইল ছবি
কেরানীগঞ্জের মান্দাইল, বরিশুর, ভাগনা, খোলামুড়া ও আমিরাবাগ এলাকার বেশকিছু অসাধু ব্যবসায়ী রমজান মাসকে টার্গেট করে ময়দা, সুজি, চিনি, কৃত্রিম ফ্লেভার ও বিভিন্ন রং ব্যবহার করে তৈরি করছে নকল ট্যাং, সেমাই ও গ্লুকোজ।
জিঞ্জিরার এ ভেজাল খাদ্যসামগ্রী প্রতিদিন স্থানীয় প্রশাসনের সামনের সামনে দিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার অঞ্চলগুলোতে পাইকারী বিক্রেতাদের কাছে বিক্রির জন্য রাজধানীর চকবাজার ও মৌলভীবাজার এলাকার বিভিন্ন দোকানে ডেলিভারী করে আসছে। রং ও বাহারী ডিজাইনের বিদেশি কোম্পানির মোড়ক দেখে বোঝার কোন উপায় নেই কোনটা আসল আর কোনটা নকল।
চকবাজারের পাইকারি দোকানিরা জিঞ্জিরার তৈরি এসব ভেজাল ও নকল খাদ্যসামগ্রী বিক্রি করে দুই থেকে তিন গুণ লাভ করছেন।
বিষেশ করে রমজান উপলক্ষ্যে ভেজাল ও নকল এসব পণ্যের বাজার রমরমা ব্যবসা করছে। চিকিত্সকদের মতে, এ ধরনে ভেজাল ট্যাং, সেমাই ও গ্লুকোজ নিয়মিত খেলে ফুসফুস ও পাকস্থলিতে ক্যানসারসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার ভয়ানক ভাবে ঝুঁকি রয়েছে । তাদের পরামর্শ ইফতারে গরমে তৃষ্ণা মেটাতে লেবুর শরবত খাওয়া উত্তম।
ফাইল ছবি: শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি
আবারও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র আজ শনিবার (১৮ জুন) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জানা যায়, করোনাভাইরাসের কিছু আলামত মন্ত্রীর শরীরে থাকায় পরীক্ষা করা হয়। এরপর পরীক্ষার প্রতিবেদনে শিক্ষামন্ত্রীর করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। বর্তমানে তিনি বাসায় থেকেই চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।
উল্লেখ্য, গত ২০২০ সালে ৭ ডিসেম্বরও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। সূত্র: ইত্তেফাক