a বিষাক্ত কার্বাইডে আম পাকিয়ে বাজারে বিক্রি, ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২ মাঘ ১৪৩২, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বিষাক্ত কার্বাইডে আম পাকিয়ে বাজারে বিক্রি, ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ০১ মে, ২০২১, ০৯:৩৫
বিষাক্ত কার্বাইডে আম পাকিয়ে বাজারে বিক্রি, ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা

ফাইল ছবি

মৌসুম শুরুর আগেই পাকা আম আসতে শুরু করেছে দেশের বিভিন্ন নগরী‌র পাইকারী ও খুচরা বাজারে। হলুদ বা লাল টুকটুকে এসব আম দে‌খে যে কোন ক্রেতারই নজর কাড়বে। কিন্তু এসব আম বলতে গেলে অনেকাংশে বিষ।

শুক্রবার বরিশাল নগরীর তিনটি আড়‌তে অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যিমাণ আদালত। তখন কেমিকেল দিয়ে আম পাকানো আম বিক্রির অভিযোগে ১৪০ কে‌জি আম জব্দ ক‌রা হয়। একইসঙ্গে তিনটি আড়তকে ২৬ হাজার টাকা জ‌রিমানা করা হ‌য়।

শুক্রবার বি‌কে‌লে ব‌রিশাল জেলা প্রশাস‌নের নির্বাহী ম্যা‌জিস্ট্রেট আব্দুল হাই ও রয়া ত্রীপুরার নেতৃ‌ত্বে নগরীর পোর্ট রোড ও ফলপ‌ট্টি‌তে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আব্দুই হাই জানান, কার্বাইড দেওয়া অপ‌রিপক্ক এসব আম বিক্রির অপরা‌ধে দত্ত বাণিজ্যালয়কে ১৫ হাজার টাকা, ব‌রিশাল ট্রেডার্সকে ছয় হাজার টাকা ও আ‌রিফ ফ্রুট‌সকে পাঁচ হাজার টাকা জ‌রিমানা করা হয়ে‌ছে। প‌রে অপ‌রিপক্ক আমগুলোকে ধ্বংস করা হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

কঠোর লকডাউনে ৭ম দিনে রাজধানীতে গ্রেফতার ১১০২


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ০৭ জুলাই, ২০২১, ০৯:১২
কঠোর লকডাউনে ৭ম দিনে রাজধানীতে গ্রেফতার ১১২

ফাইল ছবি

কঠোর লকডাউনের ৭ম দিনে সরকারি নির্দেশনা ও বিধি-নিষেধ অনুযায়ী জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওযার কারণে রাজধানীতে ১১০২ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। 

এছাড়াও ২৪৫ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১ লাখ ৭১ হাজার ৯৮০ টাকা জরিমানা করেছে। অন্যদিকে ৮০৪টি গাড়িকে জরিমানা করা হয় ১৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫০০ টাকা।

বুধবার কঠোর লকডাউনের সপ্তম দিনে রাজধানীতে ডিএমপির ৮টি বিভাগের পক্ষ থেকে অভিযানের মাধ্যমে এই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।  

বুধবার বিকালে ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, লকডাউনের সপ্তম দিনে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ডিএমপির ৮টি বিভাগের রমনা, লালবাগ, মতিঝিল, ওয়ারী, তেজগাঁও, মিরপুর, গুলশান ও উত্তরা এলাকায় সরকারি নিয়ম অমান্য করে বাইরে বের হওয়ার কারণে ১ হাজার ১শ ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

আর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২৪৫ জনকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৯৮০ টাকা জরিমানা করেছে। 

এছাড়া ট্রাফিক বিভাগ ৮০৪টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলায় জরিমানা আদায় করেছে ১৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫শ টাকা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

অপারেশন বুলডোজার ও ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ির ঐতিহাসিক ধ্বংসযজ্ঞ


কর্নেল আকরাম, কলাম লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১১ ফেরুয়ারী, ২০২৫, ০৯:০৭
অপারেশন বুলডোজার ও ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ির ঐতিহাসিক ধ্বংসযজ্ঞ

ছবি সংগৃহীত

 

বুলডোজার সাধারণত ধ্বংসযজ্ঞের কাজে ব্যবহৃত হয় এবং সাম্প্রতিক সময়ে আমরা এটি ৩২ নম্বরে প্রকাশ্যে ব্যবহৃত হতে দেখেছি। হাজার হাজার মানুষ সেখানে জড়ো হয়ে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ির ঐতিহাসিক ধ্বংসযজ্ঞে অংশগ্রহণ করেছে। অনেকেই এই ধ্বংসযজ্ঞ উপভোগ করেছে আনন্দের সঙ্গে। এটি স্মরণ করিয়ে দেয় বেগম খালেদা জিয়াকে জোরপূর্বক তার বাসভবন থেকে উচ্ছেদ এবং তার বাড়ি ভেঙে ফেলার ঘটনাকে।  

একটি যুগ আগে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, এই বাড়ির সকল বাসিন্দাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। সেই সময়ে কেউ সাহস করেনি রাস্তায় নেমে এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করতে। অনেকেই এই ঘটনাকে "আগস্ট বিপ্লবের" অংশ হিসেবে দেখেছে। তবে ইতিহাসই নির্ধারণ করবে এর প্রকৃত অবস্থান এবং মূল্যায়ন।  

তবে প্রতিটি কর্মেরই একটি প্রতিক্রিয়া থাকে—এটি শুধু সময়ের ব্যাপার। ইতিহাস বারবার নিজেকে পুনরাবৃত্ত করে। সাম্প্রতিক ঘটনাবলী দেখিয়ে দিয়েছে যে, মানুষ ৩২ নম্বর বাড়িকে ধ্বংস করতে বদ্ধপরিকর। বাড়িটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং শেখ মুজিবের ম্যুরাল সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা হয়েছে। ভবনের বেসমেন্টে স্কুলছাত্রীদের ইউনিফর্ম পাওয়া গেছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে সেখানে সম্ভাব্য নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে। অনেকেই মনে করেন, ৩২ নম্বর বাড়িটি দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু ছিল।  

শেখ হাসিনা সীমা অতিক্রম করেছেন। যখন জনগণের ক্ষোভ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল, তখন তিনি তার দলের নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, এবং এটি কোথায় গিয়ে শেষ হবে তা কেউ জানে না। কিন্তু এটা নিশ্চিত যে, ভবিষ্যতের পরিণতি বিবেচনা না করেই শেখ হাসিনা নিজেই আগুনে ঘি ঢেলেছেন।  

ভারতের আশীর্বাদ নিয়ে শেখ হাসিনা যদি আরও পদক্ষেপ নেন, তবে তার অনুসারীদের জানমাল হুমকির মুখে পড়বে। বিপ্লবের সময় এবং বিজয়ের পরও "বিপ্লববিরোধী" শক্তির বিরুদ্ধে তেমন হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়নি। অথচ ওবায়দুল কাদের নিজেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে সরকার পরিবর্তনের পর প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ নিহত হতে পারে।

শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক পদক্ষেপ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা, যা দেশকে আরও সংকটে ফেলতে পারে। জনগণ এবং শিক্ষার্থীরা যে কোনো সময় রাস্তায় নেমে বিপ্লববিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে। যারা দেশের শান্তি বিনষ্ট ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে মানুষ জেগে উঠছে।  

জনগণ এখনও ভুলে যায়নি কিভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল এবং কিভাবে তার বাড়ি গুঁড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেই জায়গায় উচ্চ ভবন নির্মাণ করে কর্মকর্তাদের আবাসন ব্যবস্থা করা হয়েছে।  

এখন জনগণের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে শহীদ হওয়া পরিবারগুলোর জন্য ৩২ নম্বরে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হোক। যারা অতীতে বাড়ি ধ্বংস ও নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিল, তারা এর দায় এড়াতে পারবে না। ইতিহাসের পরিহাস—যারা একসময় অন্যের বাড়ি ধ্বংস করেছিল, আজ তাদেরই বাড়ি একই পরিণতির শিকার হয়েছে।  

আমাদের জানতে হবে, যেসব জেনারেল ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে উচ্ছেদ করেছিল এবং জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষা করেছিল, তারা প্রতারক ও বিশ্বাসঘাতক। জনগণ কখনোই এই ষড়যন্ত্রকারীদের ক্ষমা করবে না।  

২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব এখনো শেষ হয়নি। এটি পরিপূর্ণ রূপ নিতে আরও কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।* আজ নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপই বিপ্লবের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে যতক্ষণ না বিপ্লবের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয় এবং রাষ্ট্র কাঠামোতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সংস্কার সম্পন্ন হয়।  

কলাম লেখক: প্রফেসর ড. এস কে আকরাম আলী

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ