a চীনের সিনোফার্মের ৫০ লাখ টিকা আসছে
ঢাকা শনিবার, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৪ মার্চ, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

চীনের সিনোফার্মের ৫০ লাখ টিকা আসছে


স্বাস্থ্য ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৭ জুন, ২০২১, ১০:০৫
চীনের সিনোফার্মের ৫০ লাখ টিকা আসছে

সংগৃহীত ছবি

চীনের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের সঙ্গে  চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে দেড় কোটি ডোজ কেনার। দু-একদিনের মধ্যে দেশে সিনোফার্মের ৫০ লাখ ডোজ টিকা আসছে।

গণটিকা কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হবে প্রথম চালান দেশে পৌঁছালেই। এছাড়া ১০ দিনের মধ্যে আসবে মডার্নার ২৫ লাখ ডোজ টিকা। এই তথ্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। 
 
এছাড়া দেশে মজুত সিনোফার্মের ১১ লাখ ডোজ পাবে শিক্ষার্থীরা। প্রথমে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে। এরপর পাবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। ফাইজারের টিকা প্রবাসী শ্রমিকদের দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দেশে কমপক্ষে ১০ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আমরা আশা করছি আগামী মাসে বেশকিছু টিকা পাব। সেই টিকা দিয়ে গণটিকা কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করা হবে। 
 
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা গেছে যে, চীনের সিনোফার্মের সঙ্গে দেড় কোটি ডোজ টিকা কেনার চুক্তি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী টিকার দাম পরিশোধ করা হয়েছে।

টিকার প্রথম চালান দেশে আসবে চলতি মাসের ২৮ বা ২৯ তারিখ। গত ২৫ জুন চুক্তির শর্ত অনুসারে প্রতি ডোজের মূল্যের হিসাবে দেড় কোটি ডোজের সমপরিমাণ টাকা চীনের ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। তারা টাকা পেয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে।

তবে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় টিকা দেশে আনতে হবে। সেজন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিমান বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

ফাইজারের টিকা প্রবাসী শ্রমিকদের দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কারণ দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বিশেষ করে সৌদি আরব, কাতার, ওমান, চীনের টিকার অনুমোদন দেয়নি। তাই তাদের ফাইজারের টিকা দিয়ে সেদেশে পাঠানো হবে। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকার এর আগেও করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে টিকাদানের সিদ্ধান্ত নেন। টিকাদানের প্রাথমিক পর্যায়েও দেড় কোটি মানুষকে টিকা দিতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

পরিকল্পনা অনুসারে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে দেড় কোটি ডোজ টিকা কিনতে চুক্তি করে সরকার।

চুক্তি অনুযায়ী জানুয়ারি থেকে প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ টিকা আসার কথা ছিল। তবে প্রথম মাসে ৫০ লাখ টিকা এলেও দ্বিতীয় মাসে আসে মাত্র ২০ লাখ ডোজ। এরপর থেকে আর টিকা আসেনি।

এক্ষেত্রে সরকার দ্বিতীয় পর্যায়ের যে পরিকল্পনা করেছে সেটি কতটা বাস্তবায়ন সম্ভব সে বিষয়ে এখনই বলা কঠিন হবে।  

মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রে জানা গেছে, ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড প্রাথমিকভাবে ১০ মিলিয়ন ডোজ টিকা রাশিয়া থেকে আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে। একই সঙ্গে অত্যাধুনিক কারখানায় কোভিড-১৯ প্রতিরোধী উৎপাদনের প্রস্তাবও দিয়েছে।

টিকার প্রাপ্তি নিশ্চিতে গত ৩০ মে তারিখে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ডা. মো. শিব্বির আহমেদ ওসমানী স্বাক্ষরিত এ চিঠিতে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। 

এদিকে শুক্রবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক গণমাধ্যমে বলেন, বিশ্বজুড়ে টিকা সরবরাহের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফরম কোভ্যাক্স থেকে পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের মডার্নার তৈরি করোনাভাইরাসের ২৫ লাখ ডোজ টিকা সর্বোচ্চ ১০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশে এসে পৌঁছবে।

শুক্রবার কোভ্যাক্স থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পেয়েছেন বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, কোভ্যাক্স থেকে আমাদের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ টিকা দেওয়ার কথা। প্রায় ৭ কোটি ডোজ (৬ কোটি ৮০ লাখ)। আমরা একটা চিঠি পেলাম কোভ্যাক্স থেকে।

তারা জানতে চেয়েছেন মডার্নার ২৫ লাখ ডোজ টিকা আমরা নেব কিনা। আমরা জানিয়ে দিয়েছি যে টিকা নেব। তিনি বলেন, টিকা নেওয়ার জন্য অন্যান্য প্রস্তুতি আমরা নেব।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মার্কিন উপসহকারী মন্ত্রী মিরা রেজনিক ঢাকায় পৌঁছেছেন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ১২:৫১
মার্কিন উপসহকারী মন্ত্রী মিরা রেজনিক ঢাকায় পৌঁছেছেন

ফাইল ছবি: মার্কিন উপসহকারী মন্ত্রী মিরা রেজনিক

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র নবম নিরাপত্তা সংলাপে অংশ নিতে ঢাকায় পৌঁছেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক সামরিকবিষয়ক ব্যুরোর উপসহকারী মন্ত্রী মিরা রেজনিক।

আজ সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) এক টুইট বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।

টুইট বার্তায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক-সামরিক বিষয়ক ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মিরা রেজনিককে স্বাগতম। তিনি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সংলাপের জন্য ঢাকায় এসেছেন।

এতে আরও বলা হয়, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে মুক্ত, অবারিত এবং শান্তিপূর্ণ রাখা নিয়ে একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল আঞ্চলিক উন্নয়ন, মানবাধিকার, নিরাপত্তা সহায়তা এবং সন্ত্রাসবাদ দমন নিয়ে আলোচনা হবে। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সপ্তাহের ব্যবধানে মিলল না অংকনের রহস্যময় মৃত্যুর আসল রহস্য


মাহাদী সিয়াম, জবি প্রতিনিধি
শনিবার, ১৩ মে, ২০২২, ০৪:৩৬
সপ্তাহের ব্যবধানে মিলল না অংকনের রহস্যময় মৃত্যুর আসল রহস্য

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইংরেজি বিভাগের ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অংকন বিশ্বাসের রহস্যময় মৃত্যুর পিছনের রহস্য উন্মোচনের দাবি জানিয়ে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীরা মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও প্লাকার্ড হাতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। কর্মসূচি পালনের মূল উদ্দেশ্য ছিল  রহস্যজনক অকাল মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি। অংকনের মৃত্যুর সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও রহস্যময় মৃত্যুর কোন হদিস মিলল না। এতে ক্ষুব্ধ সহপাঠী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
 
শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের সহপাঠী অংকন বিশ্বাসের রহস্যজনক এমন মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি না। এই মৃত্যুর পেছনে কী আছে তা খুজে বের করার জোর দাবি জানাচ্ছি।  একমাত্র জবি প্রশাসনই আইনি ব্যবস্থা গ্ৰহন করে পলাতক শাকিলকে আটক করে মৃত্যুর পিছনের আসল রহস্য উন্মোচন করতে পারবে। অংকনের রহস্যজনক মৃত্যুর সাত দিন অতিবাহিত হাওয়ার পরেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিরব কেন? এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের নিকট সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি তুলে ধরেছিলেন।

অংকন বিশ্বাস ছিল ১২তম ব্যাচের শ্রেষ্ঠতম শিক্ষার্থী। ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট! অসাধারণ বিতার্কিক!টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায়ও অংশগ্রহণ করেছে একাধিক বার৷ তার হাত ধরে ইংরেজি বিভাগে এসেছে বেশ কিছু ট্রফি৷ নাচেও চমৎকার। মানুষ হিসেবে অনন্য, অতুল্য! এমন একজন শিক্ষার্থী মৃত্যুর রহস্য এখনো উদঘাটন করার কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এমতাবস্থায় প্রশাসন নিরব ভূমিকায় রয়েছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

নাহিদ হাসান রবিন জানান, অংকনকে আমরা ফিরে পাবো না কখনোই। তবে  বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের নিকট আবেদন শীঘ্রই রহস্যজনক মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ করবে। অংকনের মৃত্যু স্বাভাবিক মৃত্যু ছিল না তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। মৃত্যুর পিছনে এক বা একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকলে শীঘ্রই শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।  

১২ তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী জানান, অংকনের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি জানাচ্ছি এমন মেধাবী শিক্ষার্থীর মৃত্যু স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে মেনে নিতে পারছি না। তার মানসিক যন্ত্রণাই মৃত্যুর অন্যতম কারণ ছিল।

উল্লেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে অংকনকে মুমূর্ষু অবস্থায় রেখে পালিয়ে গিয়েছিল তার স্বামী শাকিল আহমেদ। পরবর্তীতে স্বাস্থ্যের অবনতি হলে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আইসিইউতে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৮ মে রাত ১১ঃ৩০ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়