a
ছবি: মাছুম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
নিজস্ব প্রতিনিধি: সরিষাবাড়ি, জামালপূর যমুনা ইউরিয়া সারকারখানা সিবিএ'র সদ্য নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন অত্র কারখানার সর্বশ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
নির্বাচিত সভাপতি জনাব শফিকুল ইসলাম শফিককে ফুল দিয়ে বরণ করেন যমুনা ইউরিয়া সারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
অপরদিকে, বিগত ৪ বারে নির্বাচিত সিবিএর সফল সাধারণ সম্পাদক ও সরিষাবাড়ি শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক, সকলের পরিচিত মুখ জনাব মোরশেদ আলম তালুকদার আবারও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় তাকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।
উক্ত নির্বাচনে নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদককে ফুল দিয়ে বরণ করা হয় শ্রমিক দলের জেএফসিএল শাখার সাধারণ সম্পাদক জনাব আবুল হোসেনকে।
অনুষ্ঠানে সরিষাবাড়ির বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বেতন ভাতা না দিয়ে আত্নগোপন করেছে কটন পাওয়ার এক্সেল নিট নামে এক পোশাক কারখানার মালিক। এ অভিযোগে শ্রমিকরা অনেকদিন যাবৎ বিভিন্নভাবে আন্দোলন করেও সুফল পাচ্ছিল না।
সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) কে শ্রমিকরা এ বিষয়টি অবগত করলে এগিয়ে আসেন জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ।
আজ ১২মে বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ নিজ সম্মেলন কক্ষে নিজ থেকে ওই কারখানার ২৯ জন নারী ও পুরুষ শ্রমিককে ডেকে এনে নগদ অর্থসহ খাদ্য সামগ্রী দিয়ে মানবিক সহায়তা করেছেন।
সহায়তা পেয়ে শ্রমিকরা জেলা প্রশাসকের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় শ্রমিকরা বলেন,সামনে ঈদ আমাদের হাতে কোন আর উপায় ছিল না নিরুপায় হয়ে জেলা প্রশাসকের দ্বারস্থ হয়েছি। আমাদের পাওনা বুঝে পেয়ে আমরা সকলেই আনন্দিত।
একইসাথে আত্মগোপন করা গার্মেন্টস মালিককে খুঁজে বের করে বাকি শ্রমিকদের পাওনা আদায় করে দেয়ার জন্য জেলা পুলিশ সুপারকে অনুরোধ করেছেন।
জানা যায় লোকমান মিয়ার মালিকানাধীন কটন পাওয়ার এক্সেল নিট নামে পোশাক কারখানাটি নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইনের সামনে ফতুল্লার মাসদাইর এলাকায় অবস্থিত।
ফাইল ছবি
নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস, মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের দুই নেতা এবং বাংলাদেশে কাজ করা মানবাধিকার কর্মীদের আইনি প্রক্রিয়ায় হয়রানির বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক।
এক বিবৃতিতে তিনি মানবাধিকারকর্মী ও অন্যান্য সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের জন্য নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরির জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি ও মার্তা হুরতাদো গণমাধ্যমকে এ উদ্বেগের কথা জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রায় এক দশক ধরে ড. ইউনূস হয়রানি ও ভয়ভীতির মুখোমুখি। বর্তমানে তিনি শ্রম আইন লঙ্ঘন ও দুর্নীতির দু’টি অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। যেগুলোতে তার কারাদণ্ড হতে পারে।
হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক বলেন, বাংলাদেশে সুশীল সমাজ, মানবাধিকারকর্মী এবং ভিন্নমত পোষণকারীদের আইনি প্রক্রিয়ায় হয়রানি করা হচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। বাংলাদেশের স্বাধীন বিচার বিভাগের জন্য এ মামলাগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য অধ্যাপক ইউনূস সুপরিচিত। তিনি আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবেন।
তিনি বলেন, অধিকারের নেতা আদিলুর রহমান খান ও নাসিরুদ্দিন এলানের বিরুদ্ধে মামলা জাতিসংঘ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। যেগুলোর রায় ৭ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সঙ্গে ১০ বছর আগের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সম্পর্ক রয়েছে।
বিবৃতিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার বলেন, ইউনূসের বিরুদ্ধে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে অনেক সময়ই মানহানিকর প্রচারণা আসছে। আমরা এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন। এতে তিনি ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ণ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।
যথাযথ প্রক্রিয়া এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের বিচার বিভাগকে এই মামলাগুলোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পর্যালোচনা নিশ্চিতের আহ্বান জানান হাইকমিশনার।
বাংলাদেশের নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনটিও জাতিসংঘ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে ভলকার তুর্ক বলেন, নতুন আইনটিতে কারাদণ্ডের পরিবর্তে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি অপরাধের জন্য জামিনের সুযোগ থাকবে। তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে আটকাতে আইনের স্বেচ্ছাচারী ব্যবহার রোধ করতে সব উদ্বেগের সমাধান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সূত্র: ইত্তেফাক