a
ফাইল ছবি
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি রেল স্টেশনের অদূরে কোকতারা এলাকায় রেললাইন ভাঙা দেখে লাল গামছা উড়িয়ে ট্রেন থামায় এক যুবক। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনটির যাত্রীরা।
আজ শুক্রবার সকালে এ ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর থেকে প্রায় ২ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে হিলি থেকে মেরামত কর্মীরা এসে ভাঙা লাইন ঠিক করার পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। ট্রেন চালক শাহ আলম বলেন, প্রায় ৮ ইঞ্চি ভেঙ্গে যাওয়া রেল-লাইন দিয়ে ট্রেনটি ৮০ কিমি গতিতে চলতে গেলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা ছিল। স্থানীয় যুবকদের বুদ্ধিমত্তায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে যাত্রীরা রক্ষা পেল বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় যুবক শফিকুল বলেন, সকালে রেললাইন দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ভাতিজা নাজির রেললাইন ভাঙা দেখে আমাকে জানায়। এসময় ঘাড়ের লাল গামছা উড়িয়ে ট্রেনটি থামাতে সক্ষম হই। পাঁচবিবি স্টেশন মাস্টার আব্দুল আওয়াল বলেন, ভাঙা রেললাইনের অংশটুকু মেরামত করার ২ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ফাইল ছবি
কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির থেকে স্বেচ্ছায় পঞ্চম দফায় (প্রথম অংশ) ৪৫টি বাসে ৪৬২ পরিবারের দুই হাজার ৫৫৫ রোহিঙ্গা ভাসানচরের উদ্দেশে চট্টগ্রামে রওনা দিয়েছেন। ষষ্ঠ দফায় যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন আরও চার হাজারের বেশি। এর আগে মোট ১৩ হাজার ৭২৩ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে ভাসানচরের উদ্দেশে রোহিঙ্গারা সপরিবারে উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে আসতে থাকেন। পরে দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত আড়াই হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ৪৫টি বাসে চট্টগ্রাম রওনা হন। তারা রাতে চট্টগ্রামের বিএন শাহীন কলেজের ট্রানিজট ক্যাম্পে থেকে বুধবার অথবা বৃহস্পতিবার নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় ভাসানচরে পৌঁছাবেন।
রাত ৯টার দিকে মোবাইল ফোনে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক কমডোর রাশেদ সাত্তার বলেন, ষষ্ঠ দফায় ভাসানচরে চার হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে স্বেচ্ছায় হস্তান্তর প্রস্তুতি রয়েছে। মঙ্গলবার দুই হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ভাসানচরের উদ্দেশে উখিয়া ত্যাগ করেছে।
কক্সবাজারের শরণার্থী কমিশনার কার্যালয়ের তথ্যমতে, গত ডিসেম্বর থেকে পাঁচ দফায় ভাসানচরে গেছেন মোট ১৩ হাজার ৭২৩ রোহিঙ্গা। এর আগে গত বছরের মে মাসে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার চেষ্টা করা ৩০৬ রোহিঙ্গাকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে সেখানে নিয়ে রাখা হয়।
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান খান বলেন, ট্যাক্স হচ্ছে জনগণের হক। কারণ এই ট্যাক্স জমা হয় সরকারের ট্রেজারিতে। আর সরকারের এই টাকার মালিক দেশের ১৮ কোটি জনগণ। ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া মানে ১৮ কোটি জনগণকে ফাঁকি দেওয়া।
একজন মানুষকে ঠকানোর পর যখন আপনার বোধহয় আপনি ঠকিয়েছেন তখন তার কাছে মাফ চাইতে পারেন। ওই ব্যক্তি যদি মারা যায় তাহলে ওই জেনারেশনের কাছে মাফ চাইতে পারবেন। কিন্তু আপনি যখন দেশের ১৮ কোটি মানুষকে ঠকাবেন তখন কতজনের কাছে আপনি মাফ চাইবেন। আপনি কিন্তু এই মাফ পাবেন না। তাই আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব আইন মেনে চলা।
গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিন নারায়ণগঞ্জ ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন এর সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন এবং ২০২৫-২০২৬ এর অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, আমাদের রাষ্ট্র ১৮ কোটি মানুষের পরিবার। ১৮ কোটি মানুষই রোজগার করবে না। কেউ অনেক বেশি রোজগার করবে। সে অনেক বেশি ট্যাক্স দিবে। যে তার চেয়ে কম রোজগার করবে সে কম ট্যাক্স দিবে। যে কোনো রোজগারই করবে না সে কোনো ট্যাক্সই দিবে না। বরং সরকার তাকে দিবে। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের দেশে এখনো সেই কালচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয় নি।
নারায়ণগঞ্জ ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মালিক সোহেল সারোয়ারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আলী জিন্নাহ খানের সঞ্চালনায় এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য একেএম বদিউল আলম, ব্যারিস্টার মতাসিম বিল্লাহ ফারুকী, নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চলের কর কমিশনার রওশন আখতার, নারায়ণগঞ্জ ট্যাক্স ল ‘ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো.মাজম আলী খান, নারায়ণগঞ্জ ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রুহুল আমীন, নারায়ণগঞ্জ ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএসএ মনির, বিকেএমইএ’র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, সহ-সভাপতি মোরশেদ সারোয়ার সোহেল, নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সভাপতি এম সোলায়মান প্রমুখ। সূত্র: যুগান্তর