a
ফাইল ছবি
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি রেল স্টেশনের অদূরে কোকতারা এলাকায় রেললাইন ভাঙা দেখে লাল গামছা উড়িয়ে ট্রেন থামায় এক যুবক। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনটির যাত্রীরা।
আজ শুক্রবার সকালে এ ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর থেকে প্রায় ২ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে হিলি থেকে মেরামত কর্মীরা এসে ভাঙা লাইন ঠিক করার পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। ট্রেন চালক শাহ আলম বলেন, প্রায় ৮ ইঞ্চি ভেঙ্গে যাওয়া রেল-লাইন দিয়ে ট্রেনটি ৮০ কিমি গতিতে চলতে গেলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা ছিল। স্থানীয় যুবকদের বুদ্ধিমত্তায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে যাত্রীরা রক্ষা পেল বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় যুবক শফিকুল বলেন, সকালে রেললাইন দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ভাতিজা নাজির রেললাইন ভাঙা দেখে আমাকে জানায়। এসময় ঘাড়ের লাল গামছা উড়িয়ে ট্রেনটি থামাতে সক্ষম হই। পাঁচবিবি স্টেশন মাস্টার আব্দুল আওয়াল বলেন, ভাঙা রেললাইনের অংশটুকু মেরামত করার ২ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত (রাত সাড়ে ১১টা) চার নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া সেল কর্মকর্তা মো. রায়হান রোববার (০৪ এপ্রিল) রাতে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মো. রায়হান বলেন, ডুবে যাওয়া লঞ্চটি ও নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে কাজ করছে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়, নৌপুলিশ, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
প্রসঙ্গত, আজ রোববার সন্ধ্যায় শীতলক্ষ্যা নদী কার্গো জাহাজের ধাক্কায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় রাবিতা আল হাসান নামের একটি লঞ্চ। নারায়ণগঞ্জ-মুন্সিগঞ্জ রুটে যাত্রী নিয়ে চলাচলকারী ওই লঞ্চটি প্রতিদিনের মতো নারায়ণগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে মুন্সিগঞ্জ টার্মিনালে যাওয়ার পথে শীতলক্ষ্যা নদীতে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লঞ্চটি ডুবে যায়।
মুক্তারপুর নৌ স্টেশনের ইনচার্জ কবির হোসেন এ বিষয়ে জানান, লঞ্চটিতে ধারণ ক্ষমতার অনেক বেশি যাত্রী ছিলেন। এদিকে নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনরা মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাট ও এর আশপাশে ভিড় করেছে।
এদিকে লঞ্চডুবির ঘটনা তদন্তে বিআইডব্লিউটিএ এর পরিচালককে প্রধান করে ৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ছবি: লাল কাপড় পড়া মহিলার স্বর্ণলংকার ছিনতাই হয়
আজ রোববার (১৪ আগস্ট) সকাল ৯ টায় বাসাবো কদমতলা রোডের উপর থেকে এক মহিলার গলা ও কানের স্বর্ণালংকার ২ মটর সাইকেল আরোহী অভিনব কায়দায় ছিনতাই করে মূহুর্তেই চম্পট দেয়।
আমাদের প্রতিনিধি উপস্থিত সেই মহিলা ও অন্যান্যদের সাথে কথা বলে জানতে পারেন, উক্ত মহিলা বাসাবো ওয়াসা সড়কের মোড় থেকে বাজার করে পূর্ববাসাবো-কদমতলা আমান মসজিদের বিপরীত ফুটপাত ধরে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ এক মটর সাইকেল আরোহী গাড়ি থামিয়ে মহিলাকে বলেন, আপা আমি সাভার থেকে এসেছি। আমি একটু সমস্যা পড়েছি, যদি আমাকে একটু সাহায্য করেন! পেছনে আরেক জন ব্যক্তি এসে হাতে রোমাল সদৃশ কিছু একটা মুখের কাছে এনে বলছেন, আপা আমিও তার সাথে এসেছি।
মহিলা বলেন, রুমালটি ধরার পর আমার মাথা কোন কাজ করছিল না। ওরা আমাকে গলা ও কানের গহনা খুলতে বললে আমি তা খুলে দেই। এরপর প্রায় ৫ মিনিট পর আমার সেন্স ফিরলে আমি চিল্লাচিল্লি করলে আশে পাশের মানুষ এসে ভীড় করে।
উপস্থিতি অন্যান্যদের সাথে কথা বললে তারা জানান, আমরা দূর থেকে দেখছিলাম মহিলাটি মটর সাইকেল ২ আরোহীর সাথে কথা বলছিলেন ও কান এবং গলা থেকে গহনা খুলে দিচ্ছেন যেন তারা একজন আরেকজনের পরিচিত। তাই আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি।
উল্লেখ্য, উপস্থিত ব্যক্তিরা আরও বলেন, বাসাবো ওয়াসা সড়কে এর আগেও কয়েকবার এরকম ছিনতায়ের ঘটনা ঘটেছে। ভদ্র মহিলার স্বামী রাজারবাগ পুলিশ লাইনে চাকুরি করেন বলে জানান এবং কদমতলা হিরাঝিলে বসবাস করেন।