a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ খানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গত মঙ্গলবার (০৩ আগস্ট ) সকাল ১০:৩০ মিনিটে নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের দঃ লক্ষীপুর নিজ বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে তাঁর। এর আগে গ্রামের ঈদগাহ মাঠে তাঁর প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।
মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ খানের দাফনের আগে নবীনগর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল ও কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এ সময় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের সাবেক সভাপতি, ওয়ার্ডের মেম্বার ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি দির্ঘ্যদিন যাবৎ হৃদরোগে ভুগছিলেন। গত সোমবার (০২ আগস্ট ) বিকেলে তিনি তাঁর নিজ বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট থেকে কর্পোরাল পদমর্যাদা নিয়ে অবসর গ্রহণ করেছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
ফাইল ছবি । লকডাউনে আইন অমান্যকারীদের লঘু শাস্তি
গতকাল বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে সারাদেশে সরকার ঘোষিত ৭ দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়েছে। সরকারি বিধিনিষেধ এবং মানুষের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে মাঠে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি, র্যাব, আনসার এবং সেনা সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।
কঠোর লকডাউনের প্রথম দিনে সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারীদের গ্রেফতার করা হয় ৫৫০ জনকে। সাজা দেওয়া হয়েছে ৮ ব্যক্তিকে। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ ৯২ হাজার ৫০৭ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ২৭৪টি গাড়িকে মামলা দেওয়া হয়েছে। আটক করা হয়েছে ৬টি গাড়ি। রেকারিং করা হয়েছে মোট ৭৭টি গাড়ি। ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক জরিমানা করা হয়েছে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৫০ টাকা।
এ ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার ইফতেখায়রুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, যৌক্তিক কারণ ছাড়া যারাই বের হবে তাদেরকেই মামলার মুখোমুখি হতে হবে।
গ্রেফতারকৃতদের বাইরে যারা আটক হয়েছেন তারা যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারলে তাদের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে। আর যদি যৌক্তিক কারণ দেখাতে না পারে সেক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যতদিন লকডাউন চলবে ততদিন পুলিশের এ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
ফাইল ছবি
ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যের রায়পুরের একটি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ রোগী মৃত্যু হয়। শনিবার রাতে শহরটির রাজধানী হাসপাতালের তিনতলায় আগুন লাগে বলে ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম জানায়। তবে আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং হাসপাতালটির অন্য রোগীদের আশপাশের হাসপাতালগুলোতে স্থানাস্তর করা হয়।
পুলিশ কর্মকর্তা তারকেশ্বর প্যাটেল বলেন, আগুন লেগে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য রোগীদের অন্যান্য হাসপাতালগুলোতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে কীভাবে হাসপাতালটিতে আগুন লেগেছে সে বিষয়ে তারা জানাতে পারেননি।
পুলিশ জানিয়েছে, হাসপাতালটির মালিকের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ এনে একটি মামলা করা হবে। এদিকে, মারা যাওয়া প্রত্যেক পরিবারকে ৪ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেশ বাঘেল।