a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ খানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গত মঙ্গলবার (০৩ আগস্ট ) সকাল ১০:৩০ মিনিটে নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের দঃ লক্ষীপুর নিজ বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে তাঁর। এর আগে গ্রামের ঈদগাহ মাঠে তাঁর প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।
মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ খানের দাফনের আগে নবীনগর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল ও কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এ সময় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের সাবেক সভাপতি, ওয়ার্ডের মেম্বার ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি দির্ঘ্যদিন যাবৎ হৃদরোগে ভুগছিলেন। গত সোমবার (০২ আগস্ট ) বিকেলে তিনি তাঁর নিজ বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট থেকে কর্পোরাল পদমর্যাদা নিয়ে অবসর গ্রহণ করেছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
ফাইল ছবি
রাজধানীর অন্তত ১৯টি থানা কোভিড-১৯ সংক্রমণের ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এসব থানায় শনাক্তের হার ৩০ শতাংশের উপরে। এরমধ্যে রূপনগর ও আদাবরে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (আইএসএস) করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার তথ্য বিশ্লেষণ করে শনিবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছে আইইডিসিআর।
আইইডিসিআর বলছে, উত্তর সিটি করপোরেশনের রূপনগর থানা এলাকায় শনাক্তের হার ৪৬ শতাংশ এবং আদাবর থানা এলাকায় শনাক্তের হার ৪৪ শতাংশ। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় সংক্রমণের হার উত্তরের চেয়ে বেশি।
সারাদেশে সংক্রমণের গড় হার ১৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ হলেও রাজধানীর অন্তত ১৭টি স্থানে সংক্রমণের হার ৩০ শতাংশেরও বেশি পাওয়া গিয়েছে। রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আরও ২৩টি এলাকায় সংক্রমণের হার ২০ শতাংশেরও বেশি।
ঢাকার ১৭টি থানায় শনাক্তের হার ৩০ শতাংশের ওপরে। ২৩টি থানা এলাকায় ২০ শতাংশের ওপরে। ৭টি থানা এলাকায় সংক্রমণের হার ১১ শতাংশের বেশি।
করোনায় উচ্চ ঝুঁকিতে রাজধানীর নিম্নের থানাগুলোতে:
সারাদেশের শনাক্তের হারের সঙ্গে তুলনা করলে ঢাকায় শনাক্তের হার অনেক বেশি। রূপনগর ও আদাবর ছাড়া যেখানে সংক্রমণের হার ৩০ শতাংশের বেশি, সেই থানাগুলো হল- শাহ আলী, রামপুরা, তুরাগ, মিরপুর, কলাবাগান, তেজগাঁও, মোহাম্মদপুর, মুগদা, গেণ্ডারিয়া, ধানমণ্ডি, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, চকবাজার, সবুজবাগ, মতিঝিল, দারুসসালাম ও খিলগাঁও।
সংক্রমণের হার ২১ থেকে ৩০ শতাংশের মধ্যে আছে এমন থানাগুলো হচ্ছে- শাহবাগ, বংশাল, লালবাগ, শাহজাহানপুর, রমনা, কামরাঙ্গীরচর, শ্যামপুর, বাড্ডা, বনানী, উত্তরখান, শেরে বাংলা নগর, সূত্রাপুর, যাত্রাবাড়ী, পল্লবী, কাফরুল, ডেমরা, ওয়ারী, ভাটারা, দক্ষিণখান, খিলক্ষেত, কদমতলী, উত্তরা পূর্ব ও পল্টন থানা এলাকা।
শনাক্তের হার ১১ থেকে ২০ শতাংশের মধ্যে পাওয়া গেছে তেজগাঁও, উত্তরা পশ্চিম, ভাষানটেক, গুলশান, ক্যান্টনমেন্ট, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এবং বিমানবন্দর থানা এলাকা।
ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বিজয় মাসের প্রথম দিনকে (১ ডিসেম্বর) জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে মুক্তযোদ্ধা কল্যাণ ফাউন্ডেশন।
আলোচনা সভাটি বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টায় বাসকপ ভিআইপি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কার্যনির্বাহী সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। অত্র ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম মমতাজুল করিমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তযোদ্ধা বিচারপতি ড. আবু তারিক ও প্রধান আলোচক বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এস.এম. জাকির হোসেন।
প্রধান আলোচক তার বক্তৃতা বলেন, আমাদের দেশের মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে বুকের তাজা রক্ত বিসর্জন দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন। এখন এদেশকে আমরা সকলে সুন্দরভাবে গড়ে তুলবো। তিনি আরো উল্লেখ করেন, এদেশের সূর্যসন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দিতে যেন কার্পণ্য না করি। তিনি বলেন, আমার দপ্তরে কোন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাপ্তরিক কাজ থাকলে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করার চেষ্টা করি। আমি আশা করি, অন্যরাও তাদের সম্মান দিতে যেন কার্পন্য না করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা ........., ........ বাঙ্গালি ও মুক্তসংবাদ প্রতিদিনের সম্পাদক ও হিউম্যান রাইটস এন্ড এনভায়রমেন্ট ডেভেলপমেন্ট-এর নির্বাহী সম্পাদক মোহা. খোরশেদ আলম প্রমুখ।