a
ফাইল ছবি
স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা।
আজ সোমবার (২৪ মে) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে মানববন্ধন করছে ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজসহ রাজধানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল কিছু খোলা থাকতে পারলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কি দোষ করেছে? সব ধরনের পরিবহন মার্কেট,অফিস খোলা এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সম্পূর্ন অযৌক্তিক। তাই অনতিবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে ক্লাস ও পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়া ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে ঢাকাসহ কুমিল্লা,গাজিপুর,টাঙ্গাইল,পাবনা,বগুড়া,রাজশাহী, ময়মনসিংহ, বরিশাল,সিলেট সহ আরো অন্যান্য বিভাগীয় শহরে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধনে উপস্থিত প্রায় সকল শিক্ষার্থীরাই বলেন, দেশের সবকিছু যেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে সেখানে আমাদের কেন বসিয়ে রাখা হচ্ছে বুঝতে পারছি না। এ সময় শিক্ষার্থীরা দ্রুত স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানান। এসময় শিক্ষার্থীরা জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে গত প্রায় দুই বছর যাবৎ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। বার বার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার তারিখ ঘোষণা করা হলেও তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। অথচ সকল কিছুই স্বাভাবিক নিয়মে চলছে। যে কারণে অনেক শিক্ষার্থী অসামাজিক কাজে লিপ্ত হওয়াসহ তাদের জীবনে নানা রকমের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ।
শিক্ষার্থীরা দ্রুত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে, অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনের যেতে বাধ্য হবে শিক্ষার্থীরা।
ফাইল ছবি
জামালপুরের মেলান্দহে ট্রাক ও পিকআপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পিকআপের চালকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আজ রবিবার ভোরে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ সড়কের মালঞ্চ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেলান্দহ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘আজ ভোরে মালঞ্চ এলাকায় ট্রাকের সঙ্গে পিকআপের সংঘর্ষ হয়। এতে তিনজন নিহত হয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নিহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। নিহতদের মধ্যে পিকআপটির চালক রয়েছেন। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।’ ওসি জানান, মরদেহগুলো উদ্ধার করে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। তাছাড়া ট্রাক ও পিকআপ পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, পিকআপটি ময়মনসিংহ থেকে দেওয়ানগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল আর ট্রাকটি দেওয়ানগঞ্জ থেকে জামালপুরের দিকে যাচ্ছিল। পরে গাড়ি দুটি জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ সড়কের মালঞ্চ এলাকায় এলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়। আরেকজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নিলে কর্ত্যবরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র সংগঠন হামাস বলেছে, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় স্থল হামলার ইসরায়েলি হুমকিতে তারা ভীত নয়। এসব হামলা প্রতিহত করতে তারা প্রস্তুত আছে।
গতকাল সোমবার হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবাইদেহ এসব কথা বলেছেন।
টেলিভিশনে প্রচারিত বিবৃতিতে আবু ওবাইদেহ বলেন, ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ব্যাপক হামলার পর হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাসাম ব্রিগেড ২০০ জন ইসরায়েলিকে বন্দী করে। এ ছাড়া গাজার অন্যান্য প্রতিরোধ দলের হাতে প্রায় ৫০ জন ইসরায়েলি বন্দী আছে।
আবু ওবাইদেহ বলেন, ‘আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে স্থল হামলা শুরু করার বিষয়ে দখলদারেরা (ইসরায়েল) যে হুমকি দিয়েছে, তাতে আমরা ভীত নই। আমরা এর জন্য প্রস্তুত।’
গাজায় স্থল হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। এই হামলা চালানোর জন্য তারা ইতিমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে হামাসের কাছ থেকে এই বক্তব্য এল।
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, হামাসের হামলায় ইসরায়েলে ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ড্যানিয়েল হ্যাগেরি গতকাল বলেন, ইসরায়েলের ১৯৯ নাগরিককে হামাস জিম্মি করেছে বলে তারা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হয়েছেন।
হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র বলেছেন, পরিস্থিতি অনুকূলে এলে তাঁরা বিদেশি বন্দীদের মুক্তি দেবেন।
আবু ওবাইদেহ জানান, গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত ২২ জন ইসরায়েলি বন্দী নিহত হয়েছেন।
হামাসের কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ২ হাজার ৭৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
৭ অক্টোবর গাজা থেকে ইসরায়েলে হাজার হাজার রকেট ছোড়ে হামাস। একই সঙ্গে সীমান্ত পেরিয়ে ইসরায়েলের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে হামলা চালান হামাসের যোদ্ধারা। এ সময় তাঁরা বিদেশি নাগরিকসহ অনেক ইসরায়েলিকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যান।
জবাবে ৭ অক্টোবর থেকেই পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এর পর থেকে তারা গাজায় টানা বিমান হামলা চালিয়ে আসছে। অবরুদ্ধ গাজায় দেখা দিয়েছে চরম মানবিক সংকট। সূত্র: প্রথম আলো