a শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে দেশের বিভিন্নস্থানে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ মাঘ ১৪৩২, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে দেশের বিভিন্নস্থানে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ২৪ মে, ২০২১, ০৭:০২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে দেশের বিভিন্নস্থানে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

ফাইল ছবি

স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা। 

আজ সোমবার (২৪ মে) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে মানববন্ধন করছে ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজসহ রাজধানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল কিছু খোলা থাকতে পারলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কি দোষ করেছে? সব ধরনের পরিবহন মার্কেট,অফিস খোলা এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সম্পূর্ন অযৌক্তিক। তাই অনতিবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে ক্লাস ও পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে  শিক্ষার্থীরা। 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়া ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে ঢাকাসহ কুমিল্লা,গাজিপুর,টাঙ্গাইল,পাবনা,বগুড়া,রাজশাহী, ময়মনসিংহ, বরিশাল,সিলেট সহ আরো অন্যান্য বিভাগীয় শহরে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে উপস্থিত প্রায় সকল শিক্ষার্থীরাই বলেন, দেশের সবকিছু যেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে সেখানে আমাদের কেন বসিয়ে রাখা হচ্ছে বুঝতে পারছি না। এ সময় শিক্ষার্থীরা দ্রুত স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানান। এসময় শিক্ষার্থীরা জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে গত প্রায় দুই বছর যাবৎ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। বার বার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার তারিখ ঘোষণা করা হলেও তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। অথচ সকল কিছুই স্বাভাবিক নিয়মে চলছে। যে কারণে অনেক শিক্ষার্থী অসামাজিক কাজে লিপ্ত হওয়াসহ তাদের জীবনে নানা রকমের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ। 

শিক্ষার্থীরা দ্রুত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে, অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনের যেতে বাধ্য হবে শিক্ষার্থীরা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

আরও পড়ুন

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকীর মুখে ঠেলে দিয়েছে- আব্দুস সাত্তার


সাইফুল আলম, ঢাকা প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২৫, ০৫:২৭
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকীর মুখে ঠেলে দিয়েছে- আব্দুস সাত্তার

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সাইফুল আলম, ঢাকা:  দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি চুক্তি বাতিল এবং পাহাড়ের বিশৃঙ্খলা বন্ধের দাবিতে ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এক মানববন্ধনের আয়োজন করে জাতীয় জোট এবং এর নেতৃবৃন্দরা। গণঅধিকার পার্টি -পিআরপি

ও জাতীয় জোট এর চেয়ারম্যান সরদার মোঃ আব্দুস সাত্তার এর সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ জনপ্রিয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় জোট এর মহাসচিব সিরাজুল ইসলাম আকাশের সঞ্চালনায় আজ ০৮/১০/২০২৫ইং সকালে রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। 

গণঅধিকার পার্টির চেয়ারম্যান সরদার মোঃ আব্দুস সাত্তার ছাড়াও এখানে আরো বক্তব্য রাখেন জোটের মহাসচিব বাংলাদেশ জনপ্রিয় পার্টির সিরাজুল ইসলাম আকাশ, জোটের সিঃ কো-চেয়ারম্যান বাংলাদেশ পিপলস্ পার্টির মোঃ মোস্তফা কামাল বাদল এবং কো- চেয়ারম্যান বাংলাদেশ একুশে পার্টির রবিউল আউয়াল, ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন পার্টির মোসলেম আলী, বাংলাদেশ গ্রীন পার্টির ইঞ্জিনিয়ার মানসুর, বাংলাদেশ ন্যাশনাল রিপাবলিকেশন পার্টির মোঃ ইউসুফ পারভেজ, জাতীয় ওলামা কাউন্সিল এর মাওঃ আতাউর রহমান আতিকী, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির মোঃ আমজাদ হোসেন সজল, বাংলাদেশ মানবিক পার্টির আঃ রাজ্জাক, বাংলাদেশ ইনোভেশন পার্টির মোঃ ইসমাইল হোসেন, বাংলাদেশ জনতা লীগ এর সাংবাদিক মোঃ মানসুর রহমান পাশা, বাংলাদেশ মুক্তি পার্টির সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, বাংলাদেশ গরিব দুঃখী জনতা পার্টির নিউটন অধিকারী, ইসলামীক লিভারেল পার্টির মুফতি ফরিদ উদ্দিন কাসেমী, বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট পার্টির এ্যাডভোকেট আলমগীর, বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলনের খাজা মহিবুল্লাহ শান্তিপুরী, ন্যাশনাল সবুজ বাংলা পার্টির মোঃ শাহ আলম তাহের, বাংলাদেশ গ্রামীন কল্যান পার্টির মোঃ মজিবুর রহমান, খেলাফতে দাওয়াত ইসলামী পার্টির মুফতি মিজবাহ উদ্দিন, বাংলাদেশ সৎ সংগ্রামী ভোটার পার্টির মোবারক হোসেন বিজ্ঞানী এবং বাংলাদেশ সর্বজনীন দলের প্রিন্সিপাল নূর মোহাম্মদ (মনির স্যার)।

সভাপতি তার মূল বক্তব্যে বলেন, যুগে যুগে এদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ষড়যন্ত্র হয়েছে। যা আমাদের কারোরই কাম্য নয়। আপনারা জানেন ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি নামে একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল । যে শান্তি চুক্তি বর্তমানে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকীর মুখে ঠেলে দিয়েছে। এই শান্তি চুক্তিকে পুঁজি করে ষড়যন্ত্রকারিরা পাহাড়িদেরকে ব্যবহার করে ছোট ছোট গেরিলা সংগঠন তৈরী করেছে। প্রায়ই ঐ সংগঠনগুলি বাংলাদেশের প্রশাসন, পুলিশ বাহিনী ও সেনাবাহিনীর উপর হামলা করে। এর মূল কারণ তারা আমাদেরকে পাহাড় ছেড়ে চলে যেতে বলে, তারা এটিকে একটি স্বাধীন দেশ অথবা ভারতের অঙ্গরাজ্য হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। বাংলাদেশে আমাদের রাজনৈতিক দলের আলাদা আলাদা মতবাদ থাকতেই পারে আমরা সার্বভৌমত্ব রক্ষার খাতিরে ধর্ম, বর্ণ, দল মত নির্বিশেষে এক কাতারে দাঁড়াতে রাজী আছি । তাই সরকারকে আমরা অবহিত করতে চাই । এই মুহুর্তে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি বাতিল করেন এবং সেখানে শান্তি স্থাপনের জন্য সেনাক্যাম্প ও সেনা সদস্য বৃদ্ধি করে শুধু আমরা জাতীয় জোট নয় আমাদের সঙ্গে ১৮ কোটি বাঙালি আছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সরকার যে সহযোগিতা চাইবেন সেই সহযোগিতা করার জন্য আমরা একযোগে ঝাঁপিয়ে পড়তে রাজি আছি।

প্রিয় ভাই ও বন্ধুগণ, আপনারা অবগত আছেন বাংলাদেশের সীমারেখার ভিতরে প্রায়ই ভারতের বিএসএফ গুলি করে আমাদের বাঙালিদের হত্যা করে এবং সীমানা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করে এটা নিয়ে বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড তাদের সাথে মাঝে মধ্যে পতাকা বৈঠক করেন কিন্তু কোন লাভ হয় না। তাদের এই হত্যাকান্ড সীমানা ঠেলে বাংলাদেশের ভিতরে ঢুকে পড়া চলমান রেখেছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের বলিষ্ঠ পদক্ষেপ ও বিবৃতি দেখতে পাই না। আমরা বলতে চাই আমাদের সরকারের দূর্বলতা কোথায় দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য টেকসই পদক্ষেপ গ্ৰহন করুন । আমরা আপনাদের ডাকে যে কোন সময় সাড়া দিতে প্রস্তুত ।
প্রিয় ভাই ও বন্ধুগণ, আপনারা আরও অবগত আছেন যে বাংলাদেশের সমুদ্র সীমানায় ভারতের নৌ-সেনা এবং ভারতের জেলেরা বাংলাদেশ সমুদ্র সীমায় ঢুকে মাছ ধরে নিয়ে যায় এবং জেলেদেরকেও অপহরণ করে নিয়ে যায়। একই ভাবে আরাকান আর্মিরাও আমাদের সমুদ্র সীমানায় ঢুকে জেলেদেরকে অপহরন করে এবং মাছ ধরে নিয়ে যায়। এটা আর কোন ভাবেই বরদাশত করা যাবে না। তাদের এই অন্যায়কে শক্ত হাতে প্রতিহত করতে হবে। আমরা কোথায় দূৰ্বল আছি। আমরা ১৯৫২'র ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১'র মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের গণঅভুত্থানে আমরা প্রমান করেছি, আমরা শত্রুশক্তিকে পরাস্ত করতে পারি। সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সরকারকেও শক্ত হাতে মোকাবেলা করতে হবে । আমি বাংলাদেশ সরকারকে আবারও বলতে চাই আমরা জাতীয় জোটের ২১টি রাজনৈতিক দল নয় আমাদের সাথে ১৮ কোটি বাঙালি আছে। আমরা সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য সদা প্রস্তুত। আমরা দেশের এক ইঞ্চি মাটি ছাড় দিবোনা । তার জন্য যে পদক্ষেপ প্রয়োজন সেই পদক্ষেপ গ্রহন করুন। আমরা সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয়ে সরকারের সকল সিদ্ধান্ত মেনে নিবো এবং সরকারকে সহযোগিতা করতে সদা প্রস্তুত আছি। সরকার যখন যেভাবে আমাদেরকে ডাকবেন আমরা তখনই হাজির হব।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

এ যেন এক অন্য সদরঘাট


হানিফ,মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
মঙ্গলবার, ২৫ মে, ২০২১, ০৭:০০
এ যেন এক অন্য সদরঘাট

ছবি: এম.এস.প্রতিদিন

সদরঘাটের সাথে পরিচিত নন এমন লোক বাংলাদেশে হয়ত খুজেই পাওয়া যাবে না। সদরঘাট হলো দক্ষিণবঙ্গগামী সকল মানুষের জন্য নদীপথে ঢাকা ত্যাগের প্রধান ফটক। ২২টি জেলার মানুষের কাছে প্রধান চলাচল মাধ্যম সদরঘাট। পূর্বে সদরঘাটের নাম শুনলেই চোখে ভেসে আসতো এদিক সেদিক ময়লার ভাগাড় কিন্তু বর্তমান সদরঘাটের চিত্র দেখে অনেকেই বিশ্বাস কর‍তে পারবে না তারা কোথায় চলে এসেছে।

বাংলাদেশ সরকারের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় বিআইডব্লিউটিআইর সাবেক যুগ্ম পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিনের প্রচেষ্টায় ২০১৯ সালে দখলদারদের থেকে সদরঘাটের বিভিন্ন যায়গা উদ্ধার করে গ্রিন সদরঘাট করা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন তার সেই পদক্ষেপ আজ মানুষের সামনে দৃশ্যমান। 

বর্তমানে দেশের এই নদী বন্দরকে সর্বদা পর্যবেক্ষণ করার জন্য ৩২টি পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। যেকোনো সময় যাত্রী সেবা দিতে চালু করা হয়েছে হটলাইন নম্বর। দখলি স্থান উদ্ধার করে সেখানে লাগানো হয়েছে নানা ধরনের গাছ, ঝাউ গাছ, বট গাছ, কৃষ্ণচূড়া গাছ উল্লেখযোগ্যভাবে সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলছে। একেবারে লালকুঠি ঘাট থেকে পশ্চিমের সীমানা পর্যন্ত রাস্তার পাশে ড্রামের ভিতর লাগানো হয়েছে ঝাউ গাছ এছাড়া লালকুঠি ঘাট থেকে প্রধান ফটক পর্যন্ত ইট দিয়ে গোলা করে মাটি উচু করে বট গাছ লাগানো হয়েছে। যা টার্মিনালের সামনের সড়কের শৃঙ্খলা বজায়ে রাখতে সহায়তা করে। 

টার্মিনালের সামনেই রয়েছে পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থা যা খুব প্রয়োজন ছিল এমন গুরুত্বপূর্ণ যায়গায়। প্রধান ফটক থেকে শুরু করে আহসান মঞ্জিল পর্যন্ত প্রত্যেক গেট দিয়ে ঢুকার সময়ই মন কেড়ে নিবে বাহারি ফুলের সৌন্দর্য্যে।
বর্তমানে যাত্রীর চাপ হালকা করতে বিভিন্ন অঞ্চলের ঘাট আলাদা করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ, পূর্বে সদরঘাটে পন্টুন সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩টি উচ্ছেদ অভিযানের পর পন্টুনের সংখ্যা এখন ৩০টি। ঘাটে কমেছে কুলি ও দালালদের দৌরাত্ব।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

সর্বশেষ - সারাদেশ