a
ফাইল ছবি
ইরানের শীর্ষস্থানীয় সেনা কমান্ডার মেজর জেনারেল আব্দুর রহীম মুসাভি বলেছেন, পাইলটবিহীন বিমান বা ড্রোন তার দেশের সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কোন যুদ্ধে প্রয়োজনে তা ব্যবহার করা হবে।
ইরানের জাতীয় সেনাবাহিনী দিবস উপলক্ষে রবিবার এক সামরিক কুচকাওয়াজের অবকাশে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। কুচকাওয়াজে ইরানের সর্বশেষ সামরিক অর্জন বিশেষ করে নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ড্রোন প্রদর্শন করা হয়।
জেনারেল মুসাভি বলেন, আজকের কুচকাওয়াজে আপনারা যা দেখলেন তা ইরানের সামরিক শক্তির সামান্য নমুনা মাত্র। করোনা মহামারি মাথায় রেখে স্বল্প পরিসরে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আজ আপনারা ইরানের ক্রমবর্ধমান ড্রোন শক্তি দেখেছেন। আমেরিকার কথিত সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের বছরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে এই শক্তির উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে।
জেনারেল মুসাভি বলেন, আজ ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ড্রোন একটি বড় ধরনের শক্তিমত্তা ও ‘ট্রাম্পকার্ড’ হিসেবে আবির্ভূত এবং প্রয়োজন হলে যে কোনো যুদ্ধে তা ব্যবহার করা হবে।
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে একটি লরির ভেতর থেকে ৪২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের সবাই অভিবাসী বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সান আন্তোনিও শহরের উপকণ্ঠে একটি লরিতে এসব মানুষকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। খবর: বিবিসি। প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গেছে, লরির ভেতর থেকে আরও অন্তত ১৬ জনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মেক্সিকোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্সেলো ইব্রার্ড বলেছেন, নিহতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিউইয়ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার পর থেকে গাড়ির চালক পলাতক। সান আন্তোনিওর পুলিশ কর্মকর্তারা চালককে ধরতে অভিযান শুরু করেছে।
টেক্সাসের সান আন্তোনিও শহর মার্কিন-মেক্সিকান সীমান্ত থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার (১৫০ মাইল) দূরে অবস্থিত। টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট এসব মানুষের মৃত্যুর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, বাইডেনের ‘উন্মুক্ত সীমান্ত নীতির ফলাফল’ এটি।
বিবিসি জানিয়েছে, কীভাবে এসব মানুষ মারা গেল তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয় এবং স্থানীয় পুলিশ এখনও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে চায়নি। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
আজ পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার অন্তত ৬০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। গতকাল প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার ঘোষণা দিলেও আজ শ্রমিকরা কারখানায় প্রবেশ করে আবার কারখানা থেকে বেরিয়ে আসে।
বুধবার সকাল ১০টার দিকে বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়কের বাইপাইল থেকে জিরাবো পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশের এসব কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়।
শিল্প পুলিশ জানায়, আজ সকালে যথানিয়মে কারখানায় যান শ্রমিকরা। কিন্তু কাজ না করে বিভিন্ন দাবি আদায়ে বিক্ষোভ শুরু করলে কর্তৃপক্ষ একের পর এক কারখানা ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। পরে শ্রমিকরা বেরিয়ে উৎপাদন অব্যাহত রাখা কারখানাগুলোর সামনে গিয়ে বিক্ষোভ ও ইট পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করলে সেসব কারখানায়ও ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার ছোট বড় অন্তত ৬০টি পোশাক কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের বাইপাইল এলাকায় কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হলেও বিক্ষিপ্ত অবস্থায় বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছেন শ্রমিকরা। এতে করে সড়কটিতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে শিল্প পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা।
শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার মো. সারোয়ার আলম বলেন, শ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জিরাবো এলাকা পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশে হামীম, শারমীনসহ অন্তত ৬০টি কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানা ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে। শ্রমিকরা এখনো সড়কে রয়েছেন, আমরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন