a
ফাইল ছবি : বাংলাদেশে সর্ববৃহৎ যমুনা সার কারখানায়
গ্যাস-সংকটে ৪০ দিন ধরে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানা কোম্পানি লিমিটেডে সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কারখানাটিতে গ্যাস সরবরাহ করা না হলে আগামী রবি মৌসুমে সারসংকটের আশঙ্কা প্রকাশ করছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।
যমুনা সার কারখানা কোম্পানি লিমিটেড সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে ওই কারখানায় তিতাস গ্যাসের সংকট চলে আসছিল। হঠাৎ গত ২১ জুন দুপুরে কারখানায় তিতাস গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় ইউরিয়া প্ল্যান্ট বন্ধ হয়ে যায়। এর পর থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত ইউরিয়া প্ল্যান্টটি বন্ধই আছে।
গত অর্থবছরে বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থা (বিসিআইসি) যমুনা সার কারখানাকে ৩ লাখ ৩০ হাজার টন সার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেয়। গ্যাস-সংকটের জন্য উৎপাদন বন্ধ থাকায় ৩০ জুন পর্যন্ত কারখানায় ২ লাখ ৪৪ হাজার ২৫৯ টন সার উৎপাদিত হয়েছে। ফলে কারখানায় গত অর্থবছর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।
এদিকে চলতি জুলাইয়ের শুরু থেকে তিতাস গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে কারখানায় প্রতি মাসে সার উৎপাদনে লোকসান গুনতে হবে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিসিআইসি ৪ লাখ ৫০ হাজার টন সার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছে। বর্তমানে কারখানায় সার মজুত রয়েছে ৭০ হাজার ৬৪ টন।
কারখানার মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) আবদুল হাকিম প্রথম গণমাধ্যমকে বলেন, কারখানায় তিতাস গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় ৪০ দিন ধরে সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। শিগগিরই কারখানায় গ্যাসের সরবরাহ দিয়ে উৎপাদন চালু করা না হলে আগামী রবি মৌসুমে সারসংকটের আশঙ্কা রয়েছে। সূত্র: প্রথম আলো
ফাইল ছবি
অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা গুলি করে হত্যা করেছে রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিবুল্লাহকে (৫০)। বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে নয়টার দিকে কক্সবাজারের কুতুপালং ক্যাম্প-১-এর উয়েস্ট’ ডি-৮ ব্লকে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। কুতুপালং ক্যাম্পে কর্মরত-৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) কমান্ডার (পুলিশ সুপার ) শিহাব কায়সার খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, মুহিবুল্লাহ মিয়ানমারের আরকান মংডু এলাকার মৌলভী ফজল আহম্মদের ছেলে। তিনি ‘আরকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইট’(এআরএসপিএইচ) -এর চেয়ারম্যান ছিলেন।
রোহিঙ্গাদের বরাত দিয়ে এপিবিএন-এর এসপি শিহাব কায়সার খান বলেন, ‘এশার নামাজের পরে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ নিজ অফিসে অবস্থান করছিলেন। রাত পৌনে নয়টার দিকে একদল অস্ত্রধারী অকস্মাৎ এসে মুহিবুল্লাহকে লক্ষ করে পরপর ৫ রাউন্ড গুলি করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে সাধারণ রোহিঙ্গাদের সহযোগিতায় এপিবিএনের সদস্যরা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুতুপালং এমএসএফের হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুহিবুল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন। ৫ রাউন্ড গুলিতে তিনটি তার বুকে বিঁধেছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। পরে নিহতের লাশ উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।’
ফাইল ছবি
আগামী ১ জুলাই দেশে অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধের কার্যক্রম শুরু হলেও বর্তমানে গ্রাহকের ব্যবহৃত কোন মোবাইল ফোন সেট বন্ধ হবেনা বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তবে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) তালিকায় যেসব ফোন থাকবে না সেগুলো অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে এবং সেগুলো আর চালু করা যাবে না।
এ বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিটিআরসি জানায়, বর্তমানে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত গ্রাহকের হ্যান্ডসেটগুলো ৩০ জুনের মধ্যে বিটিআরসির সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। ফলে ১ জুলাই থেকে এ সেটগুলো বন্ধ হবে না। তাই সবাইকে এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করা হলো।
বিটিআরসি কর্মকর্তারা এ বিষয়ে বলছেন, এ প্রক্রিয়ায় অবৈধ ও নকল মোবাইল হ্যান্ডসেটগুলো বন্ধ করা হবে। তবে বিদেশ থেকে কেনা বা উপহার হিসেবে পাওয়া মোবাইল সেটগুলোকে নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হবে। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অবৈধ ও নকল মোবাইল হ্যান্ডসেটের বিক্রয়, আমদানি ও বাজারজাতকরণে নিরুৎসাহিত করতে এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, একই আইএমইআই নম্বরের সেটগুলোর তালিকা করে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চালু থাকবে। তারপর সরকারের নির্দেশনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আর পুরনো সেটের বিষয়ে বিটিআরসির সিস্টেমে ভেরিফাই করে চালু করা হবে। বিদেশ থেকে পাওয়া উপহারের সেটগুলোকে নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হবে। তারা কাগজপত্র দেখিয়ে নিজেই ওয়েবসাইট, মোবাইল ফোন অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার থেকে নিবন্ধন করে নিতে পারবেন।
জানা গেছে, গত বছরের ২৫ নভেম্বর দেশীয় আইটি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটির সঙ্গে একটি চুক্তি সই করে বিটিআরসি। অবৈধ হ্যান্ডসেটের ব্যবহার ঠেকাতেই এ চুক্তি করা হয়।
এদিকে এনইআইআর সিস্টেম সম্পন্ন হলে সরকার প্রতি বছর চার হাজার কোটি টাকার মত বাড়তি রাজস্ব পাবে বলে জানায় বিটিআরসি।