a সাবেক কেবিনেট সচিব ও বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন-এর চেয়ারম্যান জনাব এএসএম আব্দুল হালিম-এর ৩ দিনব্যাপী এক কর্মযজ্ঞ ভ্রমণসূচী
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১১ চৈত্র ১৪৩২, ২৬ মার্চ, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সাবেক কেবিনেট সচিব ও বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন-এর চেয়ারম্যান জনাব এএসএম আব্দুল হালিম-এর ৩ দিনব্যাপী এক কর্মযজ্ঞ ভ্রমণসূচী


সোহাগ খান লোহানী, ইসলামপুর প্রতিনিধি
বুধবার, ০২ জুলাই, ২০২৫, ০১:২৩
সাবেক কেবিনেট সচিব ও বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান জনাব এএসএম আব্দুল হালিম-এ

ছবি সংগৃহীত

 

ইসলামপুর প্রতিনিধি: জামালপুর জেলার অন্যতম উপজেলা ইসলামপুরের কৃতি সন্তান, সাবেক কেবিনেট সচিব, বিএনপি’র খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান জনাব এএসএম আব্দুল হালিম-এর ইসলামপুর উপজেলায় ৩ দিনব্যাপী এক কর্মযজ্ঞ ভ্রমণসূচী ঘোষণা করা হয়েছে।

জনাব আব্দুল হালিম আগামী ৪ জুলাই, শুক্রবার সকাল ৬টায় ঢাকা থেকে ইসলামপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। তিনি ইসলামপুরে ধর্মকুড়া মডেল মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করবেন। বিকাল ৪ ঘটিকায় হাড়িয়াবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ক্রিকেট ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

তিনি এদিন বিকাল ৫.৩০ ঘটিকায় বোয়ালমারী, পাগলাপাড়া গ্রামে জনসংযোগ করবেন এবং সন্ধ্যা ৭.৩০ ঘটিকায় মোশারফগঞ্জ বাজারে পথসভায় যোগ দেবেন।

আগামী ৫ জুলাই শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় মলমগঞ্জ বাজার, মুজাআটা, শশারি বাড়ি, খানাপাড়ায় জনসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করবেন। বিকাল ৫ ঘটিকায় বানিয়াবাড়ি, বড়দেলিতে লিফলেট বিতরণ ও জনসংযোগ করবেন। সন্ধ্যা ৬ টায় ছোটদেলি হয়ে বামনা বাজারে পথসভা করবেন।

আগামী ৬ জুলাই রবিবার সকাল ৯ ঘটিকায় রেলগেট হইতে নটারকান্দা শেষ পর্যন্ত লিফলেট বিতরণ করে বিকাল ৩টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

টিকা নেওয়ার পরও বিরোধী দলীয় হুইপ সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ২০ মার্চ, ২০২১, ০৯:৪২
টিকা নেওয়ার পরও বিরোধী দলীয় হুইপ সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত

অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি

সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভপুর) আসনের জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি এবং তার স্ত্রী মাকসুরা হোসাইন দীনা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

সারাদেশব্যাপী টিকা গ্রহণের প্রথম দিন গত ৭ ফেব্রুয়ারি জেলায় প্রথম পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি ও তার স্ত্রী মাকসুরা হোসাইন দীনা ২ মার্চ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে কোভিড-১৯ টিকা নেন। 

এরপর শরীরে হালকা জ্বর অনুভব করলে করোনা টেস্ট করালে ১৯ মার্চ শুক্রবার সন্ধায় তাদের রিপোর্ট পজিটিভ আসে।  

শনিবার ভোররাতে গণমাধ্যমকে পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ বলেন,  ১৭ মার্চ সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে করোনা টেস্টের জন্য আমি ও আমার স্ত্রী দু’জনের নমুনা দেই।  ১৯ মার্চ শুক্রবার সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যারয় (শাবির) পিসিআর ল্যাব হতে দু’জনেরই রিপোর্ট পজেটিভ আসে। 

তিনি আরও জানান, এখন হালকা জ্বর অনুভব করলেও অন্য আর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। শুক্রবার রাত হতে ঢাকায় ন্যাম ভবনে আইসোলেশনে থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন এই দম্পতি।

তাদের সুস্থতার জন্য দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ। সূত্র: যুগান্তর
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

এডিসি হারুনের ওপরই প্রথমে হামলা হয়েছে, জানালেন ডিবির হারুন


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০৬:৫৭
এডিসি হারুনের ওপরই প্রথমে হামলা হয়েছে, জানালেন ডিবির হারুন

ফাইল ছবি: ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ

ডিএমপির রমনা বিভাগের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া এডিসি হারুন অর রশিদের ওপর প্রথমে হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।  এ হামলার নেতৃত্বে ছিলেন রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হক।

মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, এ ঘটনার সূত্রপাত যে কারণে হয়েছে, যিনি সূত্রপাত করেছেন, তিনিও (রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক) একজন সরকারি কর্মকর্তা। উনি আমাদের পুলিশের ওপর হামলাটি করেছেন। তিনি তো ইচ্ছে করলে আমাদের (পুলিশ) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারতেন, অবহিত করতে পারতেন। অথবা তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারতেন। সেটি না করে হাসপাতালের ভেতরে অসংখ্য মানুষের সামনে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে ধাওয়া করা, তার চশমা ভেঙে ফেলা, তার ওপর আঘাত করা—এটা সঠিক করেছেন কি না, আমি জানি না। তবে এটা তদন্ত হওয়া উচিত।

ডিবি প্রধান মনে করেন, ঘটনার নেপথ্যের কারণ খুঁজে বের করা দরকার। ঘটনার সূত্রপাত বারডেম হাসপাতালে। সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল তার তদন্ত হওয়া দরকার।

পুলিশ কখনোই কোনো কর্মকর্তার ব্যক্তিগত দায় নেয় না উল্লেখ করে অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন–অর–রশীদ বলেন, পুলিশ বাংলাদেশে একমাত্র প্রতিষ্ঠান, যেখানে যারা, যে অপরাধ করছেন, সেই অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

আমি মনে করি, এ ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তারা স্বাধীনভাবে তদন্ত করছেন এবং করবেন। তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা যখন প্রতিবেদন দেবেন, তখনই বুঝতে পারবেন প্রকৃত পক্ষে কী ঘটনা ঘটেছে।

গত শনিবার রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় ছাত্রলীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠে পুলিশের রমনা বিভাগের এডিসি হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে।

আহতরা হলেন— ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন নাঈম এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাবির শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিম।

ভুক্তভোগী ও তাদের সহপাঠীদের অভিযোগ, পুলিশের রমনা বিভাগের এডিসি হারুন অর রশিদ তাদের থানায় নিয়ে বেদমভাবে পিটিয়েছেন। ছাত্রলীগের নেতা পরিচয় দেওয়ার পরেও হারুনের সঙ্গে ১০-১৫ জন পুলিশ সদস্য মিলে তাদেরকে পেটান। এরমধ্যে নাঈমের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার মুখমণ্ডল মারত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ