a
ফাইল ফটো:একুশে বইমেলা
আজ অমর একুশে বইমেলা-২০২১ শুরু হচ্ছে। বিকাল ৩টায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনের পরই মেলা উন্মুক্ত করে দেয়া হবে সকলের জন্য।
প্রত্যেক বছর ফেব্রুয়ারি মাসে বইমেলা শুরু হলেও এবার মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বইমেলা হচ্ছে মার্চের ১৮ তারিখ থেকে এবং চলবে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত।
গত মঙ্গলবার মেলার বিস্তারিত তুলে ধরে বাংলা একাডেমি। সেদিন জানানো হয়, ১৮ মার্চ বিকাল ৩টায় বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই অনুষ্ঠানে দেওয়া হবে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এবার শিক্ষার্থীদের মনে পাঠের খোরাক জোগাবে বইমেলা। মেলা শুরুর বেশ আগেই পাঠক প্রিয় অনেক দর্শনার্থী মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে যাচ্ছেন। আগাম এসব পাঠকের পদচারণায় আনন্দের দোলা দিচ্ছে প্রকাশকদের মনে।
ছবি সংগৃহীত
নির্মল ভালোবাসা
ম.খ আলম
হঠাৎ আমায় প্রশ্ন করলে
তোমাকে আমি কেমন ভালোবাসি?
ভালোবাসি তোমায় ভোরের আলোর মতো!
সু-মধুর পাখির গানের মতো!
ক্লান্ত দুপুরের শীতল ছায়ার মতো!
ভোরের ফুরফুরে নির্মল বায়ুর মতো!
জান! আমার ভালোবাসা অনন্য তুলনাহীন...
নি:শ্বাসে-প্রশ্বাসে দিবারাতি প্রতিদিন।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা: আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে বিএনপির সাবেক মহাসচিব প্রয়াত খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত দোয়া ও স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, গত ১৬ বছর মানুষ ভোটের অধিকার পায়নি, সেই অধিকার বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ফিরিয়ে দেবে এটাই এদেশের মানুষের প্রত্যাশা। যারা স্বৈরাচারী ছিল তারা পালিয়ে গেছে। কিন্তু তারা এখনো বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে এবং নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করেও যাচ্ছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় এসেই জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিল স্মরণ করিয়ে দিয়ে খন্দকার মোশাররফ বলেন, আমরা জনগণের অধিকার বলতে ভোটের অধিকারকে বুঝি। আপনারা অতি দ্রুত নির্বাচনের দিন তারিখ ঘোষণা করুন। তাহলে জনগণ নির্বাচনমুখী হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছরের শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে দেশের জনগণ যে আন্দোলন করছিল, সেটির চূড়ান্ত ফসল হচ্ছে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট। ওই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে ও তার সরকার পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে। এটা গত ১৬ বছরের আন্দোলনের ফসল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, সব সমস্যার সমাধান হবে নির্বাচনের মাধ্যমে। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা যে সুফল পেয়েছি, সেটিকে ধরে রাখতে হলে প্রয়োজন নির্বাচন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের উদ্দেশে জয়নুল আবদিন বলেন, আপনাকে তো ১৮ তলা পর্যন্ত হাঁটিয়ে উঠিয়েছে শেখ হাসিনা। আপনিও তো বলেছেন হাসিনা ফ্যাসিস্ট। কিন্তু, ফ্যাসিস্টকে রুখতে এই মুহূর্তে প্রয়োজন ঐক্য। আপনি বলেছেন, আপনি যখন সব দলকে একসঙ্গে দেখেন তখন আপনার নাকি সাহস বেড়ে যায়। আর যখন একা হয়ে যান, তখন নাকি নিরাশ হয়ে যান। নিরাশ হওয়ার কিছু নেই।
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, দল হবে, কিংস পার্টি হবে, আরও নতুন দল হবে, তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। আপনি (ড. ইউনূস) বিশ্ব দরবারে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। আপনি কারো কথায় কান না দিয়ে স্পষ্টভাবে একটি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে দেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের বড় ছেলে ও ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আকবর হোসেন বাবলু। এ সময় খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের অন্যান্য সন্তান ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।