a
ফাইল ছবি
নিজের দেশে তালেবান সৈন্যদের হাতে ইতোমধ্যে চলে গেছে। আফগানিস্তানের তারকা ক্রিকেটার নিজের দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন। এই কঠিন সময়ে দফায় দফায় রশিদের টুইটে স্পষ্ট তার দুর্ভাবনার কথা। আজ রবিবার (১৫ আগস্ট) এক টুইট বার্তায় রশিদ লিখেছেন, ‘শান্তি।’ সেই টুইটে তিনি যে ইমুজি ব্যবহার করেছেন, তা বোঝাচ্ছে আফগানিস্তানের শান্তির জন্য প্রার্থনার আহ্বান।
এর পূর্বে গত ১০ আগস্ট জোড়া টুইট করে বিশ্ব নেতাদেত দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন ক্রিকেটার রশিদ খান। আফগানিস্তানে চলমান পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে এসে নিজের নামে গড়া রশিদ খান ফাউন্ডেশনে অনুদানের আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিনই আরেক টুইটে তিনি বিশ্বনেতাদের আফগানিস্তানে শান্তি ফেরানোর আহ্বান জানান। রশিদ লিখেন, ‘প্রিয় বিশ্ব নেতারা, আমার দেশে যুদ্ধ চলছে। নারী ও শিশুসহ হাজার হাজার নিরীহ মানুষ প্রতিদিন শহীদ হচ্ছেন। বাড়িঘর সব ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। হাজারো পরিবার হয়ে পড়েছে গৃহহীন। আমাদের মারবেন না, ধ্বংস করবেন না। আমরা শান্তি চাই।’
রশিদ খানের এ টুইট বার্তায় অনেকেই দ্বিমত পোষণ করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করতেছেন যখন আফগানিস্তান আমেরিকা সেনাদের দ্বারা বিপর্যস্ত হচ্ছিলো তখন তার ভিতর এই প্রেম কই ছিলো? এখন দেশে শতভাগ ইসলামি আইন প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করে যাচ্ছে তালেবানরা যা তার কাছে যুদ্ধ মনে হয়েছে!
ফাইল ছবি
চলতি মাসের ২১ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের আন্তর্জাতিক ধারাভষ্যকার, আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারির তালিকা প্রকাশ করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি)। আজ (১৮ এপ্রিল) এসএলসি’র দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক ধারাভাষ্যকার হিসেবে বাংলাদেশ একমাত্র ধারাভাষ্যকার হিসেবে থাকছেন শামীম আশরাফ চৌধুরী। করোনার কারনে সীমিত করা হয়েছে ধারাভাষ্য প্যানেল সেই হিসেবে বাংলাদেশী দর্শকরা আতাহার আলীর কন্ঠ শুনতে পাবে না এই সিরিজে।
সিরিজে আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারির দায়িত্বে থাকা সবাই শ্রীলঙ্কান। মূলত করোনা ভাইরাস প্রভাবে গত বছর থেকেই আইসিসি নিরপেক্ষ আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারি নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়ম বেধে দিয়েছে।
সিরিজে ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করবেন ইতোমধ্যে ১৯৭ টি টেস্ট পরিচালনার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রঞ্জন মাদুগালে। মাঠের আম্পায়ারের দায়িত্বে থাকবেন কুমার ধর্মসেনা ও রুচিরা পল্লিয়াগুরুগে।
টিভি আম্পায়ারের ভূমিকায় দেখা যাবে রবীন্দ্র উইমালাসিরিকে। চতুর্থ আম্পায়ার হিসেবে থাকছেন লিন্ডোন হ্যানিবাল (১ম টেস্ট), প্রগিত রাম্বুকওয়েলা (২য় টেস্ট)। রিজার্ভ আম্পায়ার প্রগিত রাম্বুকওয়েলা (১ম টেস্ট), লিন্ডোন হ্যানিবাল (২য় টেস্ট) ও রিজার্ভ ম্যাচ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন গ্রেইম লেব্রয়।
সিরিজে টিভি ধারাভাষ্যকার হিসেবে থাকছেন সুপরিচিত ধারাভাষ্যকার সাবেক লঙ্কান ক্রিকেটার রাসেল আরনল্ড, পারভেজ মারুফ, লঙ্কান জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার রোশান আবেসিংহে, পাকিস্তানি সাবেক ক্রিকেটার আমির সোহেল ও একমাত্র বাংলাদেশি ধারাভাষ্যকার শামীম আশরাফ।
দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটি মাঠে গড়াবে ২১ এপ্রিল-২৫ এপ্রিল, দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৯ এপ্রিল-৩ মে। ম্যাচ দুইটি করোনার কারনে একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।
ছবি: সংগৃহীত
পূর্ব-মধ্যবঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি আরও সামান্য উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
এতে সাগর উত্তাল রয়েছে। জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে উপকূল। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মােংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুরোকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর চার) বলা হয়েছে, ‘গভীর নিম্নচাপটি আজ রবিবার সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯০০ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৩০ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মােংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৭৫ কি.মি. দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৩০ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।’
‘গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কি.মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কি.মি., যা দমকা অথবা ঝড়াে হাওয়ার আকারে ৬০ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।’
‘গভীর নিম্নচাপটির বর্ধিতাংশের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ৪০-৫০ কি.মি. বেগে দমকা/ ঝড়াে বাতাস বয়ে যেতে পারে, সেইসাথে ভারি (৪৪-৮৮ মি.মি.) থেকে অতিভারি (৮৯ মি.মি.) বর্ষণ হতে পারে।’
‘গভীর নিম্নচাপটির বর্ধিতাংশ, অমাবশ্যা তিথি ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরােজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভােলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নােয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ০৩-০৫ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।’
‘উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে সত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।’ সূত্র: বিডি প্রতিদিন