a স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ নেই সংসদে: জাতীয় পার্টির মহাসচিব
ঢাকা শনিবার, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৪ মার্চ, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ নেই সংসদে: জাতীয় পার্টির মহাসচিব


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক::
মঙ্গলবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২২, ০৩:৪২
স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ নেই সংসদে: জাতীয় পার্টির মহাসচিব

ফাইল ছবি

জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ও কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, যতক্ষণ সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ থাকবে ততক্ষণ সংসদ সদস্যদের স্বাধীন কথা বলার সুযোগ নেই। বাজেটে সংসদ সদস্যদের কোনো অংশগ্রহণ নেই। স্বাধীনভাবে (কথা) বলার সুযোগ নেই।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা হয়। এসময় একটি বিল পাসের ওপর আলোচনাকালে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরাও এসব মন্তব্য করেন।

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, সংসদের কি খুব একটা ক্ষমতা আছে? যিনি সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা তার হাতেই সকল ক্ষমতা। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কারো কিছু বলার ক্ষমতা আছে? সদস্য পদ কি থাকবে? এ সময় বিএনপির সাংসদ রুমিন ফারহানাও একই প্রশ্ন তোলেন।

প্রসঙ্গত: সংবিধানের ৭০ অনুূচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্য দলের সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিতে পারেন না। এতে বলা আছে, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী রূপে মনোনীত হয়ে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সংসদে ওই দলের বিপক্ষে ভোটদান করলে সংসদে তার আসন শূন্য হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

সঠিক দিক নির্দেশনা একটি জাতির বিকাশ ও অগ্রগতিতে অতীব গুরুত্বপূর্ণ: কর্ণেল(অব.) আকরাম


কর্নেল(অব.) আকরাম, লেখক ও গবেষক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫, ০২:০১
সঠিক দিক নির্দেশনা একটি জাতির বিকাশ ও অগ্রগতিতে অতীব গুরুত্বপূর্ণ কর্ণেল অব আকরাম

ছবি সংগৃহীত


ঢাকা প্রতিনিধি: একটি জাতির বিকাশ ও অগ্রগতিতে সঠিক দিকনির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, অন্যদিকে ভুল নির্দেশনা একটি জাতির পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পূর্ববাংলার, অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের নিরীহ বাঙালি মুসলিম জনগণ দীর্ঘদিন ধরে তাদের দুর্বল নেতৃত্বের কারণে বিভ্রান্তির শিকার হয়ে আসছে। মনে হয়, তারা যেন দুর্ভাগ্যের জন্যই নির্ধারিত, আর তাদের এই কষ্ট থেকে মুক্তির কোনো আশু সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না।

বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘ ইতিহাসজুড়ে, বিশেষ করে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর থেকে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির আগ পর্যন্ত, একটি বলের মতো টস-মস হয়েছে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে "চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত" নামক একটি নীতির দ্বারা তারা সমাজের দরিদ্র কৃষকশ্রেণিতে পরিণত হয়, অথচ পলাশীর যুদ্ধের আগে তারা সমাজের একটি সমৃদ্ধ শ্রেণি ছিল।

ব্রিটিশ শাসকদের ‘বিভাজন ও শাসন’ নীতির ফলে পূর্ববাংলার মুসলমানরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তারা রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে পড়ে। হাজী শরীয়তউল্লাহ ও পীর দুধু মিয়া ফারায়েজি আন্দোলনের মাধ্যমে ইসলামের মূল চেতনা দিয়ে মুসলিম সমাজে সংস্কার আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। তিতুমীর হিন্দু জমিদারদের অত্যাচার থেকে মুসলমানদের রক্ষার জন্য এগিয়ে আসেন এবং মুসলমানদের মধ্যে জাতীয় চেতনা ও রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। নবাব আবদুল লতিফ ও স্যার সায়েদ আমীর আলী মুসলমানদের মাঝে আধুনিক শিক্ষার প্রসারে কাজ করেন, যেমনটি উত্তর ভারতের জন্য স্যার সায়েদ আহমদ করেছিলেন।

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ, ১৯০৬ সালে ঢাকায় মুসলিম লীগের জন্ম এবং ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা মুসলমানদের মধ্যে একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক অভিজাত শ্রেণির জন্ম দেয়। এটি সম্ভব হয়েছিল নবাব আবদুল লতিফ, স্যার সায়েদ আমীর আলী ও নবাব স্যার সলিমুল্লাহর সঠিক দিকনির্দেশনার কারণে। শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, খাজা নজিমুদ্দিন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আকরাম খাঁ, এবং আবুল মনসুর আহমদ এই সময়েরই ফল। তারা সবাই মুসলিম বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থানে প্রকৃত পথপ্রদর্শক ছিলেন। তারা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নেতৃত্বে পাকিস্তান সৃষ্টিকে সমর্থন করেন এবং সফল হন, তবে কলকাতার অভিজাত হিন্দু শ্রেণি ও কংগ্রেস নেতাদের ষড়যন্ত্রে পশ্চিম বাংলা হারিয়ে ফেলেন।

পাকিস্তানের কেন্দ্র সরকার যখন পূর্ব পাকিস্তানে আন্তরিকভাবে কাজ শুরু করে, তখন একটি নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণি গড়ে ওঠে। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, বুয়েট, ক্যাডেট কলেজ, আদমজী, কর্ণফুলী কাগজ কল, খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল এবং ইস্টার্ন রিফাইনারি – এইসব উন্নয়ন জনগণের মধ্যে আশা জাগায়। এই সময় জনগণকে বিভ্রান্ত করা হয়নি, কিন্তু ভারত তাদের স্থানীয় এজেন্টদের মাধ্যমে ভাষা ও সংস্কৃতিকে হাতিয়ার বানিয়ে একটি রাজনৈতিক দল গড়ে তোলে। হতাশ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী মুসলিম লীগ নেতাদের দিয়ে আওয়ামী লীগ তৈরি করা হয়, যা অনেকে মনে করেন শুরু থেকেই ভারত-সমর্থিত দল ছিল। এদের উদ্দেশ্য ছিল সদ্য স্বাধীন পাকিস্তানে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করা, যেমন ১৯৭২ সালের শুরুতেই জাসদের সৃষ্টি করে শেখ মুজিবের নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভুল দিকনির্দেশনার ফলে সেনাবাহিনী ভুল সিদ্ধান্ত নেয় এবং পাকিস্তান ভেঙে যায়। অন্যদিকে শেখ মুজিব, যিনি বাঙালির সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বিবেচিত ছিলেন, সেই সংকটময় সময়ে স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব না দিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। চরমপন্থীরা গেরিলা যুদ্ধ সংগঠিত না করে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন এবং গোটা জাতিকে বিভ্রান্তিতে ফেলে দেন।

এই সময় জাতিকে পথ দেখান মেজর জিয়াউর রহমান, যিনি ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং জনগণের ডাকে সাড়া দিয়ে জাতীয় নেতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে রাতারাতি নায়কে পরিণত হন।

ভারত এ সুযোগটি দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল, এবং বন্ধুত্বের ছদ্মবেশে আওয়ামী লীগ নেতাদের ভুল পথে পরিচালিত করে। বিজয়ের মুহূর্তে ভারত মঞ্চে আসে এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিজয়কে নিজেদের অর্জন হিসেবে ঘোষণা করে। স্বাধীনতার নামে নিরীহ বাঙালি মুসলমান জনগণ ভারতের দাসে পরিণত হয় এবং ভারত তাদের প্রধান কর্তৃত্ব হয়ে ওঠে। শেখ মুজিব স্বাধীন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ নেতা হলেও জাতিকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হন এবং ১৯৭৫ সালের আগস্টে তার পতন ঘটে।

একটি রাজনৈতিক সমঝোতার আগেই আবারও এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী সামরিক নেতার বিভ্রান্তিকর পদক্ষেপে গোটা দেশ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়। ৭ নভেম্বর ১৯৭৫-এ সৈনিক-জনতা বিপ্লব সেই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটায় এবং জিয়াউর রহমানের ক্ষমতায় আরোহনের মধ্য দিয়ে মানুষ নতুন আশা দেখতে শুরু করে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে জিয়াউর রহমানই একমাত্র নেতা যিনি নিজেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত করে জাতিকে শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে পরিচালিত করেন। তিনি একটি আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপন করেন এবং ভারতীয় আধিপত্য থেকে দেশকে রক্ষা করেন, যদিও নিজের জীবন রক্ষা করতে পারেননি।

এরপর জাতি বারবার বিভ্রান্ত হয়েছে নেতাদের আত্মস্বার্থের কারণে। কেবল ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার প্রথম শাসনামল কিছুটা ব্যতিক্রম। তিনি প্রশাসনে ন্যায়নিষ্ঠ আচরণ করেছিলেন, যদিও আত্মীয়দের অগ্রাধিকার এবং সেনাপ্রধান বাছাইয়ে ভুল সিদ্ধান্ত তার এবং দেশের জন্য ক্ষতিকর ছিল। তবে জাতীয় স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ বা বিভ্রান্তি তিনি সৃষ্টি করেননি। কখনো কখনো কাছের আত্মীয় বা অপরিণত দলের নেতাদের দ্বারা বিভ্রান্ত হয়েছেন ঠিকই, কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে জাতিকে ঠকাননি।

বর্তমানে জাতি শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনে পুরোপুরি বিভ্রান্ত। ভারতের হস্তক্ষেপ ও দখলদারিত্বকে তিনি উন্মুক্ত চেক দিয়েছেন। এমনকি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি। সদ্য এক সেনাপ্রধান সেনাবাহিনীর ভেতরের অনেক অনিয়মের কথা প্রকাশ করেছেন, যা ফ্যাসিস্ট শাসনামলে ঘটেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে একটি পেশাদার বাহিনীতে পরিণত না করার জন্য দায়ী কারা? শুধু কি রাজনৈতিক নেতারা? সেনাপ্রধানদের ভূমিকা কী? অতীতের সব সেনাপ্রধানদের জাতিকে বিভ্রান্ত করার দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া যায় না।

বাস্তবতার নিরিখে বাংলাদেশ এক প্রকার ভারতের অধীনস্ত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল, কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব সেই আধিপত্যের অবসান ঘটায়। তবে বিপ্লবের পরবর্তী রাজনীতি এখনো মানুষকে শঙ্কামুক্ত করতে পারেনি, বরং অনিশ্চয়তা ও বিভ্রান্তি আরও গভীর হয়েছে। মানুষ আশা করেছিল রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন আসবে, কিন্তু বাস্তবতা তাদের হতাশ করেছে।

বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে নির্বাচন নিয়ে যে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, তা ভবিষ্যতের অস্থিরতার ইঙ্গিত দেয়। লন্ডনে ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যে যে সৌহার্দ্যপূর্ণ একান্ত বৈঠক হয়েছে, তা একটি রাজনৈতিক সমঝোতার জন্ম দিয়েছে এবং সম্ভবত ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উভয় নেতা দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরফলে সম্ভাব্য রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে জাতি কিছুটা মুক্তি পেয়েছে।

এটি নিঃসন্দেহে খালেদা জিয়ার পরিপক্ব ও দূরদর্শী নেতৃত্বের ফলাফল, যিনি আবারও জাতির প্রকৃত অভিভাবক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। আর কেউ যেন জাতিকে আর বিভ্রান্ত না করে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, যেন জাতি বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত থাকে। আমরা একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ দেখতে চাই, আর রাজনৈতিক নেতাদের উচিত সততার সঙ্গে জাতিকে সঠিক পথে পরিচালনা করা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সিনিয়র এডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার সায়েম ‘ল’ চেম্বার উদ্বোধন করেন


মো: সোহাগ, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫, ০২:২৬
সিনিয়র এডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার সায়েম ‘ল’ চেম্বার উদ্বোধন করেন

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা প্রতিনিধি: জেবুন ইনডেক্স ট্রেড সেন্টারের ১১তলায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘ল’ টেম্পল চেম্বার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেক গরীব মানুষ আছে। এখানে মানুষের সেবা করার যত সুযোগ আছে, এতো সুযোগ পৃথিবীতে খুব কম দেশেই আছে। গরীব মানুষের সেবা করার মধ্যে অনেক তৃপ্তি থাকে।’ কনিষ্ঠ আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেছেন সারাদেশের আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার আবু সালেহ মো. সায়েমের চেম্বার ‘ল’ টেম্পলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। 

শুক্রবার (২০ জুন) রাজধানীতে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর বিজয়নগরে অবস্থিত জেবুন ইনডেক্স ট্রেড সেন্টারের ১১তলায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই চেম্বারের পথচলা শুরু।

অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘আইন ও ন্যায়বিচার মানুষের মৌলিক অধিকার। ব্যারিস্টার সায়েম সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই এই মহৎ উদ্যোগটি নিয়েছেন। আমি তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। 

বিএনপি সবসময়ই জনগণের কল্যাণে কাজ করে। ‘ল’ টেম্পল’-এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ মানসম্মত আইনি সেবা পাবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। মানবাধিকার রক্ষায় এ প্রতিষ্ঠান কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’

ব্যারিস্টার আবু সালেহ মো. সায়েম উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, ‘আমার স্বপ্ন ছিল - আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা, যা মানুষকে কেবল পরামর্শ নয়, প্রয়োজনে সুরক্ষা ও প্রতিনিধিত্বের সুযোগও দেবে। ‘ল’ টেম্পল’-এর মাধ্যমে আমরা দেওয়ানি, ফৌজদারি, করপোরেট, মানবাধিকার, পরিবার আইনসহ বিভিন্ন শাখায় আইনি সেবা প্রদান করবো। এই প্রতিষ্ঠান হবে জনগণের কণ্ঠস্বর, ন্যায়ের প্রতিচ্ছবি।’ 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজ্ঞ আইনজীবী, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষজনের উপস্থিতিতে মিলনমেলায় রূপ নেয় জেবুন ইনডেক্স ট্রেড সেন্টার। 

ব্যারিস্টার আবু সায়েম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন এবং ইউনিভার্সিটি অব ল-এ বার ভোকেশনাল কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী ‘দ্য অনারেবল সোসাইটি অব দ্য মিডল টেম্পল’-এর সদস্য হিসেবে Barrister-at-Law হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে আইন পেশায় নিয়োজিত থাকার পাশাপাশি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই আইনজীবীর দেশে ফেরার উদ্যোগকে স্বাগতম জানিয়ে জয়নুল আবেদীন বলেন, আমাদের দেশে মেধার বিকাশের অনেক প্রয়োজন রয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি