a আফগানিস্তান আইপিএলের প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে তালেবান সরকার
ঢাকা শনিবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

আফগানিস্তান আইপিএলের প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে তালেবান সরকার


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:০৭
আফগানিস্তান আইপিএলের প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে তালেবান সরকার

ফাইল ছবি

চলতি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) দেখতে পারবেন না আফগানিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীরা। কেননা দেশটির নতুন তালেবান সরকার আফগানিস্তানে আইপিএল প্রচার নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। তাদের মতে, আইপিএলে ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড থাকে। তাই এটি প্রচার করা যাবে না।

গত রবিবার চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে আইপিএলের বাকি থাকা দ্বিতীয় পর্ব। সোমবার খেলেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। টুর্নামেন্টে বাকি রয়েছে আরও ২৯টি ম্যাচ। কিন্তু কোনোটিই দেখতে পারবে না আফগানরা। খবরটি নিশ্চিত করেছেন আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের সাবেক মিডিয়া ম্যানেজার ও বর্তমানে সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ইব্রাহিম মোমাদ।

তিনি জানিয়েছেন, মূলত ইসলামবিরোধী হওয়ার কারণেই আইপিএল প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া নারীদের নৃত্য, খোলা চুলে দর্শকসারিতে নারীদের উপস্থিতি দেখানোর পক্ষে নয় তালেবান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে ইব্রাহিম লিখেছেন, ‘আফগানিস্তানের জাতীয় টেলিভিশনে আইপিএল দেখানো হবে না।

সম্ভাব্য ইসলামবিরোধী কন্টেন্ট, মেয়েদের নাচ এবং খোলা চুলে নারীদের উপস্থিতির কারণে তালেবান ইসলামিক প্রজাতন্ত্র এটি নিষিদ্ধ করে দিয়েছে।’ অথচ গত কয়েক আসরের মতো এবারও আইপিএলে খেলবেন আফগানিস্তানের তিন তারকা ক্রিকেটার রশিদ খান, মোহাম্মদ নাবি ও মুজিব উর রহমান। কিন্তু তাদের সাফল্য-ব্যর্থতা সরাসরি দেখতে পারবে না আফগানিস্তানের মানুষ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, এতে হতাশা প্রকাশ করেছেন রশিদ-নাবিরা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

৪৯ রানে আউট হওয়ায় প্রতিপক্ষকে ব্যাট দিয়ে মাথায় আঘাত!


ক্রীড়া ডেস্ক:
সোমবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৩৫
৪৯ রানে আউট হওয়ায় প্রতিপক্ষকে ব্যাট দিয়ে মাথায় আঘাত

ফাইল ছবি

বয়স মাত্র ২৩ বছর। নাম সঞ্জয় পালিয়া। ভারতের মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে ব্যাট হাতে স্থানীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টে খেলছিলেন। নিজের ৪৯ রানের মাথায় হঠাৎ আউট হয়ে যান। সহজ বলে ক্যাচ তুলে দেন পালিয়া। বিপক্ষ দলের ২৩ বছর বয়সী তরুণ শচীন পরাসর সহজেই ক্যাচটি তালুবন্দি করেন।

এরপরই আউট হয়ে যাওয়ায় রাগে শচীনের দিকে তেড়ে যান পালিয়া। শচীনকে ব্যাট দিয়ে মারতে শুরু করেন তিনি। মাথাতেও সজোরে আঘাত করেন তিনি। 

মাঠেই লুটিয়ে পড়েন শচীন। এরপর সতীর্থরা এসে তাকে উদ্ধার করলে মাঠ থেকে পালিয়ে যান ঘাতক ব্যাটসম্যান সঞ্জয় পালিয়া। হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আহত ক্রিকেটার শচীন পরাসরকে। পলাতক পালিয়ার খোঁজে রীতিমত তল্লাসি চালাচ্ছে স্থানীয় পুলিশ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হাসপাতালে অজ্ঞান হয়ে আছেন শচীন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

দৈত্যকে আলিঙ্গন করছে বাংলাদেশ:চীন ইস্যুতে ডেকান হেরাল্ড


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৪ জুন, ২০২৪, ০৫:২৮
দৈত্যকে আলিঙ্গন করছে বাংলাদেশ:চীন ইস্যুতে ডেকান হেরাল্ড

ফাইল ছবি


একটি সাবমেরিন ঘাঁটি, ৫০০ কোটি ডলার সহায়তা, ভারতের শিলিগুড়ির কাছে অবকাঠামো প্রকল্প, বাংলাদেশের সঙ্গে অস্ত্র বাণিজ্য ও সামরিক এক্সারসাইজের মাধ্যমে বেইজিং ভারতকে খুব পরিষ্কার করে তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানিয়ে দিচ্ছে। তা হলো এ অঞ্চলে ক্ষমতার কাঠামো বদলে যাচ্ছে। বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারের অংশ হিসেবে দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বের বেশ কিছু অঞ্চলে চীন তার এ অভিযান পরিচালনা করছে। সর্বাবস্থায় বন্ধু পাকিস্তান ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটানের দিকে সমন্বিত পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা এখন বাংলাদেশের ওপর আধিপত্য বিস্তার ও তা শক্তিশালী করছে।

শিলিগুড়ি করিডোর কন্টিনজেন্সি দিয়ে তার প্রস্তুতি শুরু করেছে চীন। তারা তখনকার বাংলাদেশি প্রেসিডেন্ট জেনারেল এরশাদকে দিয়ে ১৯৮৭ সালে বেইজিংয়ে একটি বিবৃতি দিতে বাধ্য করেছে যে, তিনি বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ভিতর দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারতীয় সেনা পরিবহনে অনুমতি দেবেন না। এক্ষেত্রে স্যামডুরোং চু ঘটনার উল্লেখ করা হয়। তখন সেখানে ২০০ সেনাকে মোবিলাইজ করেছে চীন। তারা ‘নির্ভরযোগ্য বন্ধু’ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে ২০০২ সালের ডিসেম্বরে একটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। বাংলাদেশের কাছে চীন কমপক্ষে ৫০০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি করে।
   
বিশ্বব্যাপী যে অস্ত্র বিক্রি করে বেইজিং তার মধ্যে বাংলাদেশে বিক্রি করা হয় শতকরা প্রায় ১০ ভাগ। শিলিগুড়ি করিডোর নেপাল এবং বাংলাদেশকে পৃথক করেছে। এই করিডোর ভারতের বাকি অংশের সঙ্গে উত্তর পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ রক্ষা করেছে। এই শিলিগুড়ি করিডোরের খুব কাছে তিস্তা নদীতে ১০০ কোটি ডলারের ড্রেজিং প্রকল্পে চীন ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। ২০১৭ সালে ভারতের সঙ্গে দোকলামে অচলাবস্থার পর চীন জামফেরি রিজে একটি সড়ক নির্মাণে অগ্রসর হয় এবং নির্মাণ করে। এটা শিলিগুড়ি করিডোর থেকে খুব বেশি দূরে নয়। বাংলাদেশে বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পে বেইজিং খরচ করেছে ৪০০ কোটি ডলার। সামনের বছরগুলোতে তাদের কমপক্ষে মোট ৫০০০ কোটি ডলার খরচের পরিকল্পনা আছে। দুই দেশের মধ্যে ২০ বছর আগে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ছিল ১২০ কোটি ডলার। তা গত বছরে বেড়ে হয়েছে ২২০০ কোটি ডলার। এর মধ্য দিয়ে ভারতকে সরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হয়ে উঠেছে চীন। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ঘাটতি প্রায় ২১০০ কোটি ডলার এবং তা বৃদ্ধি পাচ্ছেই।

বস্ত্র, পাট ও অন্যান্য পণ্য সহ বাংলাদেশি পণ্যের জন্য বাজার উন্মুক্ত করে দেয়ার জন্য চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা। কিন্তু এক্ষেত্রে বেইজিং কর্ণপাত করছে না।

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছেই। মে মাসে তা ১৯ বিলিয়ন ডলারের নিচে ছিল। এ অবস্থায় চীনের কাছে ৫০০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়ার চেষ্টা করছে ঢাকা। তাদের উদ্দেশ্য এই অর্থ দিয়ে কাঁচামাল কেনা এবং বাজেটে সাপোর্ট দেয়া। পছন্দের শতকরা এক ভাগ সুদে ঢাকা যখন দীর্ঘ মেয়াদী ঋণ চাইছে, তখন বেইজিং সুদের হার বাড়াতে চায়, আরও  শর্ত দিতে চায়- যা তারা অন্য দেশগুলোর সঙ্গে করেছে। বিআরআইভুক্ত কমপক্ষে ১৬টি দেশের উচ্চ পর্যায়ে ঋণ আছে। পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার আর্থিক পতন থেকে শিক্ষা নিতে পারে ঢাকা। বাংলাদেশকে এরই মধ্যে ৩০০ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে চীন। মোট যে ঋণ আছে বাংলাদেশের তার মধ্যে এই ঋণ শতকরা ১০ ভাগ।  

চীনের আরেকটি দুঃসাহসী প্রকল্প হলো কক্সবাজারের পেকুয়ায় বিএনএস শেখ হাসিনা সাবমেরিন ঘাঁটি। এটি এ বছর মার্চে উদ্বোধন করা হয়েছে। এটি নির্মাণে চীনের ১২১ কোটি ডলার তহবিল ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে একসঙ্গে ৬টি সাবমেরিন এবং আটটি যুদ্ধজাহাজ নোঙর করতে পারে। ২০১৬ সালের শুরুর দিকে চীনের কাছ থেকে ২০ কোটি ৫০ লাখ ডলারে দুটি মিং-শ্রেণির সাবমেরিন কেনে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের এই চয়েস ছিল বিস্ময়কর। কারণ, মিং শ্রেণির সাবমেরিন ২০০৩ সালের এপ্রিলে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ভয়াবহ এক দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে থাকা ৭০ নৌসেনার সবাই নিহত হন।

অন্য দেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে তারা হস্তক্ষেপ করে না- এটা বলা সত্ত্বেও, যেসব দেশ তাদের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছে তাদেরকে বাধ্য করা চীনের একটি আর্টে পরিণত হয়েছে। এর আগে তাইওয়ান, তিব্বত ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে বিরোধে এক চীন নীতিতে অন্য দেশগুলোকে শ্রদ্ধাশীল হতে বলে চীন। বেইজিং শেষের দিকে অন্য দেশগুলোর তাদের নিরাপত্তা নীতি প্রসারিত করার দাবি করেছে। ২০২১ সালের মে মাসে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং ঢাকাকে সতর্ক করে দেন যুক্তরাষ্ট্র-ভারত-জাপান-অস্ট্রেলিয়ার সমন্বয়ে কোয়াডে যোগ দেয়ার বিষয়ে। কারণ, এতে তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানান তিনি। উপরন্তু বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে ২০২২ সালের জুনে বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা লিউ জিনসং ‘শীতল যুদ্ধের মানসিকতা’ প্রত্যাখ্যান করতে এবং ওই ‘ব্লক রাজনীতিতে’ যুক্ত না হতে বলেন। এসব দাবি পূরণের ক্রমবর্ধমান চায়না রাডারের অধীনে এখন ঢাকা। ঢাকাকে আরও গভীরে টেনে নিতে বেইজিংয়ের প্রচেষ্টাকে নয়া দিল্লি কিভাবে প্রতিহত করে সেটাই এখন দেখার বিষয়। সূত্র: মানবজমিন

লেখক: শ্রীকান্ত কোন্দাপাল্লি

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বোচ্চ পঠিত - ক্রিকেট

ক্রিকেট এর সব খবর