a
আইজিপি বেনজীর আহমেদ
হরতালে নাশকতা ও হামলার মামলায় হেফাজতে ইসলামের ঊর্ধ্বতন নেতারা জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ।
আজ বুধবার ঢাকার সিএমএইচে চিকিৎসাধীন আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন।
মামলায় হেফাজতের ঊর্ধ্বতন নেতাদের নাম কেন আসেনি, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নাম না থাকলে যে তদন্তে তাদের নাম আসবে না, এমন কোনো কথা নেই। আমরা কোনো কিছুকে প্রভাবিত করতে চাই না। আমাদের দেশে একটি কাজ করলে দশ রকমের সমালোচনা শুরু হয়। আমরা মনে করি, যারা হামলা করেছে, তাদের মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যদি কেউ নির্দেশদাতা থাকে, নিশ্চয় তাদের নামও আসবে। কাউকে বাদ দিচ্ছি, এমন কোনো কথা বলছি না। আমরা বলছি, যারা অনস্পট ছিল, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তদন্তের সময় যারা নির্দেশ দিয়েছেন, তারাও আসবেন আমরা মনে করি। তারা স্বাধীনতাকে কলুষিত করার চেষ্টা করেছেন।’
ফাইল ছবি
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবারো উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছায় বিচারক ও আইনজীবীদের নতুন নির্দেশনা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। নির্দেশনায় বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টসহ অধস্তন আদালতের বিচারক ও আইনজীবীরা কালো কোট এবং গাউনের পরিবর্তে সাদা ড্রেস ও নেক ব্যান্ড, কালো টাই পরবেন। মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) সুপ্রিম কোর্ট এ নির্দেশনা প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রীম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের আলোচনাক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরিবর্তিত এ পরিস্থিতিতে বিচারক এবং আইনজীবীদের সাদা শার্ট বা সাদা শাড়ী/সালোয়ার কামিজ ও সাদা নেক ব্যান্ড/কালো টাই পরিধান করবেন।
এ ক্ষেত্রে কালো কোট এবং গাউন পরিধান করার প্রয়োজনীয়তা নেই। এই নির্দেশনা বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট এবং দেশের সকল অধস্তন আদালতে অবিলম্বে কার্যকর হবে।
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পুনরায় বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এর আগে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব অফিস ও কারখানা অর্ধেক জনবল দ্বারা পরিচালনা, উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানা, জনসমাগম সীমিত করা, গণপরিবহনে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনসহ ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
ফাইল ছবি
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে (ইউএনজিএ) রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিরাপদে, স্বেচ্ছায় এবং সম্মানের সঙ্গে মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার পক্ষে রয়েছে তুরস্ক, যারা বাংলাদেশে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে বসবাস করছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘অতি জরুরি’ ভিত্তিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন জোরদার করার দাবি জানিয়ে বলেছেন, এ সংকট প্রশ্নে প্রধান আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর নিষ্ক্রিয়তা বাংলাদেশকে মর্মাহত করেছে। অথচ, সীমিত সম্পদ সত্ত্বেও মানবিক দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশ শরনার্থীদের আশ্রয় দিয়েছিল।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনের ফাঁকে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের উচ্চ পর্যায়ের এক আলোচনায় তিনি বলেন, ‘আমি বারবার বলেছি, তারা (রোহিঙ্গারা) মিয়ানমারের নাগরিক। সুতরাং, তাদেরকে অবশ্যই নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে তাদের জন্মভূমি মিয়ানমারেই ফিরে যেতে হবে।’
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র মানবিক সংকট মোকাবেলায় মিয়ানমারের ভেতরে এবং বাইরে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ক্ষতিগ্রস্থ রোহিঙ্গাদের জন্য অতিরিক্ত সহায়তা হিসেবে প্রায় ১৮ কোটি মাকিন ডলার প্রদানের ঘোষনা দিয়েছে।
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস গ্রিনফিল্ড মঙ্গলবার বলেছেন, ‘এই সহায়তার ১৫ কোটি ৮ লাখ মার্কিন ডলার বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জন্য।’