a বিদেশি আক্রমণ ঠেকাতে ৫১টি শহরে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে ইরান
ঢাকা শনিবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

বিদেশি আক্রমণ ঠেকাতে ৫১টি শহরে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে ইরান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৫:৩১
বিদেশি আক্রমণ ঠেকাতে ৫১টি শহরে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে ইরান

ফাইল ছবি

বিদেশি আক্রমণ ঠেকাতে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে বিদেশি আক্রমণ ঠেকাতে ৫১টি শহরে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে ইরান। বার্তা সংস্থা রয়টার্স শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।  

ইরানের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেহেদি ফারাহির বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যমগুলো জানায়, বেসামরিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের মাধ্যমে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ‘সার্বক্ষণিক সফটওয়্যার ব্যবহার করে হুমকি ও ঝুঁকির ধরন অনুযায়ী এসব হুমকি ও ঝুঁকি শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম হবে’।

ফারাহি বলেন, সম্প্রতি দেশগুলোর শক্তির উপর নির্ভর করে, যুদ্ধের ধরণ আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের চিরাচরিত ধরনগুলোর জায়গা দখল করছে সাইবার, জৈবিক এবং তেজস্ক্রিয় আক্রমণসহ যুদ্ধের হাইব্রিড ধরন।

সম্প্রতি সিরিয়া যুদ্ধ ও পরমাণু চুক্তি নবায়নের ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ যাচ্ছে ইরানের।

যুক্তরাষ্ট্র চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো ইরানকে মার্কিন সামরিক ড্রোন ছেড়ে দিতে বাধ্য করেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে, লোহিত সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ড্রোন আটক করেছিল ইরানের নৌ বাহিনী। কিন্তু সেগুলো আবার ছেড়েও দিয়েছে তারা।

এদিকে, ইরানকে চাপে ফেলতেই সম্প্রতি সিরিয়ায় বিমানবন্দরগুলোতে হামলার তীব্রতা জোরদার করেছে ইসরাইল। আঞ্চলিক কূটনৈতিক ও গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স শুক্রবার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

আঞ্চলিক কূটনৈতিক ও গোয়েন্দা সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ইসরাইল সম্প্রতি সিরিয়ায় বিমানবন্দরগুলোতে হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে। হিজবুল্লাহসহ সিরিয়া ও লেবাননের মিত্রদের কাছে অস্ত্র সরবরাহে ব্যবহৃত ইরানের বিমানগুলোকে বাধা দিতেই এসব হামলা চালানো হয়।  যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইসরায়েল অভিমুখী ব্রিটিশ তেলের ট্যাংকারে মিসাইল হামলা করলো হুথি বিদ্রোহীরা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৯:৫৭
ইসরায়েল অভিমুখী ব্রিটিশ তেলের ট্যাংকারে মিসাইল হামলা করলো হুথি বিদ্রোহীরা

ছবি সংগৃহীত

ইসরায়েল অভিমুখী একটি ব্রিটিশ তেলের ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘হুথি’। এডেন উপসাগরে চালানো এই হামলায়  ট্যাংকারটিতে আগুন ধরে যায়। এরই মধ্যে হামলার দায় স্বীকার করে হুথির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের নৌ শাখা এই হামলা চালিয়েছে।

হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, বেশ কয়েকটি উপযুক্ত নৌ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ‘মারলিন লুয়ান্ডা’ নামের ব্রিটিশ ট্যাংকারটিতে সরাসরি আঘাত করা হয়েছে।

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে লোহিত সাগর দিয়ে চলাচল করা পশ্চিমা জাহাজগুলোতে সরাসরি হামলা শুরু করেছে গত দুই মাস যাবত। ফলে গত ২ মাসে সেখান দিয়ে সব ধরণের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ৪৫ শতাংশ কমে এসেছে।

আমেরিকার নানা পদক্ষেপেও কমানো যাচ্ছে না বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির হামলা। হুদিদের দাবি, গাজায় যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তা দ্রুত কার্যকর করা। সূত্র: প্রেসটিভি, বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রাজনৈতিক দলগুলো পরিপক্ক নেতৃত্ব ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে, এটাই সবার প্রত্যাশা


কর্নেল(অব.) আকরাম, অধ্যাপক ও কলাম লেখক
শনিবার, ০৩ মে, ২০২৫, ১১:৫১
রাজনৈতিক দলগুলো পরিপক্ক নেতৃত্ব ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে, এটাই সবার প্রত্য

ছবি সংগৃহীত

 


নিউজ ডেস্ক: বর্তমান বিশ্বে প্রতিটি জাতির জন্য রাজনীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং রাজনীতিবিদরাই একটি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রধান খেলোয়াড়। কোনো কোনো সময় একটি দেশের রাজনীতি পুরোনো ধারা থেকে সরে নতুন মোড় নেয় এবং তখন জনগণ ভবিষ্যতের রাজনীতিতে কিছু ভালোর আশায় থাকে। একটি দেশের ভবিষ্যৎ—ভালো হোক বা খারাপ—সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে সেই দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণ ও ভূমিকার উপর। রাজনৈতিক দলগুলো যদি সঠিক পথে না গিয়ে ভুল পথে চলে, তবে শেষ পর্যন্ত জাতিকেই তার খেসারত দিতে হয়।

আমরা একটি জাতি হিসেবে অতীতে রাজনৈতিক দলগুলোর ভুল সিদ্ধান্তের জন্য অনেক ভোগান্তির শিকার হয়েছি। পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেছিল গণতন্ত্র, সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচারের আশায় কিন্তু স্বাধীনতার শুরু থেকেই তারা হতাশ হয়। আওয়ামী লীগ সরকার বিদেশি শক্তির পরামর্শে কিছু ভুল পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রিয় মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে।

যিনি সারা জীবন গণতন্ত্রের জন্য লড়েছেন, তিনি একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে গণতন্ত্রকে হত্যা করে বাকসাল গঠন করেন। শেখ মুজিবের এই পদক্ষেপ জনগণের অনুভূতি ও স্বার্থ এবং তার দীর্ঘদিনের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রকেও উপেক্ষা করে বলেই বিবেচিত হয়েছে।

বাংলাদেশের জনগণ এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয়েই শেখ মুজিবের এই অস্বাভাবিক আচরণে অসন্তুষ্ট ছিল এবং তার পতনের জন্য অপেক্ষায় ছিল। এরই মাঝে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় এবং কয়েক হাজার মানুষ না খেয়ে মারা যায়।

বাংলাদেশের রাজনীতি হঠাৎ করেই এক অপ্রত্যাশিত মোড় নেয় ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে, এবং রক্তক্ষয়ী ঘটনার মাধ্যমে শেখ মুজিবের যুগের অবসান ঘটে। এরপর খন্দকার মোশতাকের উত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায় শুরু হয়, যিনি শেখ মুজিবের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগী এবং যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু তার শাসনকাল ছিল স্বল্পস্থায়ী।

আবার রাজনীতিতে নতুন মোড় আসে ৩ নভেম্বর ১৯৭৫, যখন খালেদ মোশাররফ খন্দকার মোশতাকের কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তিনি নিজ বাহিনীর হাতে নিহত হন, কারণ দেখানো হয় তিনি ভারতের এজেন্ট। দেশের রাজনীতি বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ে, কিন্তু সিপাহি-জনতা এগিয়ে আসে এবং ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ সালের বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দিত্ব থেকে মুক্ত করে আনে এবং তাকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আনে।

এইভাবে ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক সিপাহি-জনতা নেতৃত্বাধীন বিপ্লবের ফলে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন মোড় নিয়ে আসেন। ইতিহাসের সেই সংকটময় মুহূর্তে জিয়াউর রহমান দেশ পরিচালনার জন্য সঠিক ব্যক্তি হিসেবে প্রমাণিত হন। তিনি বাংলাদেশকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে অসামান্য অবদান রাখেন। জিয়াউর রহমান জাতির রক্ষক ও আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি হিসেবে বিবেচিত হন। দেশ ও জাতি প্রকৃত অর্থে ভারতীয় আধিপত্যবাদী রাজনীতি থেকে মুক্ত হয় কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তিনি নিজেকে সেই আধিপত্যবাদী শক্তির হাত থেকে রক্ষা করতে পারেননি।

এরপর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন মোড় আসে স্বৈরাচার এরশাদের শাসনামলে। তিনি দেশের উন্নয়নে অনেক কাজ করলেও গণতান্ত্রিক চর্চাকে হত্যা করে স্বৈরশাসন কায়েম করেন। কিন্তু ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে গণজাগরণে তার পতন ঘটে এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় সূচিত হয়। প্রথমবারের মতো দেশে দ্বিদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতির যাত্রা শুরু হয় এবং সংসদীয় সরকারব্যবস্থা চালু হয়।

কিন্তু অচিরেই আওয়ামী লীগ জামায়াত একসঙ্গে জোট করে বিএনপিকে ক্ষমতা থেকে সরে যেতে বাধ্য করে। এরপর বিএনপি সরকার সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তন করে পদত্যাগ করে।

২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি আবার ক্ষমতায় ফিরে আসে জামায়াতের সমর্থনে, কিন্তু আগের মতো সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। জেনারেল মইন উদ্দীন বিএনপির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেন এবং বাংলাদেশে নিজেকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেন, কিন্তু ব্যর্থ হয়ে ভারতের পরামর্শে ডিসেম্বর ২০০৮ এর এক প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা আওয়ামী লীগের হাতে তুলে দেন।

ভারতের আশীর্বাদপুষ্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশে একটি ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেন এবং দেশ এক দীর্ঘ দমন-পীড়নের রাজনীতির নতুন মোড়ে প্রবেশ করে, যা ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে অবসান ঘটে।

জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ রাজনীতিতে নতুন এক আশাবাদী যুগে প্রবেশ করে। গত পনেরো বছর ধরে শেখ হাসিনার পুতুল সরকারের অধীনে গভীরভাবে প্রোথিত ভারতীয় আধিপত্যবাদী রাজনীতিকে উৎখাত করা সম্ভব হয়েছে এই বিপ্লবের মাধ্যমে।

জুলাই বিপ্লবকে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি মোড় পরিবর্তনের ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এই বিপ্লবের মাধ্যমে দেশটি দীর্ঘ সময় পর স্বৈরাচার মুক্ত হয়। এটি সম্ভব হয়েছে জনগণের ঐক্যের মাধ্যমে, তবে বিপ্লব-পরবর্তী রাজনীতি আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দোলাচলেই আছে।

যদিও ছাত্রসমাজ বিপ্লবে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে, তবে বিএনপি ও জামায়াতের ত্যাগ ও অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নেই। নিঃসন্দেহে ধাপে ধাপে বিএনপি, জামায়াত এবং হেফাজতই বিপ্লবের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে।

কিন্তু কিছু জাতীয় ইস্যুতে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে মতভেদ দেখে জনগণ হতাশ হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সংস্কার ও নির্বাচন ঘিরে সম্ভাব্য বিরোধের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

তবে সম্প্রতি লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার বাসভবনে খালেদা জিয়া ও জামায়াতের আমির ড. শফিকুর রহমানের মধ্যে যে বৈঠক হয়েছে, তা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে নতুন এক ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

লন্ডনে সংবাদমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। অনেকেই এটিকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে একটি নতুন মোড় বলে মনে করছেন এবং এটি জামায়াতের রাজনৈতিক আন্তরিকতা সম্পর্কে জাতিকে একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়। সম্ভবত তারা দেশের বৃহত্তর স্বার্থে নিজেদের মধ্যে ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি দেরিতেও হলেও বুঝতে পেরেছে।

এই দুটি রাজনৈতিক দলের ঐক্য দেশের ওপর যে কোনো অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক হুমকি থেকে জাতিকে রক্ষা করতে পারে। উভয় দলের নেতৃত্বের উচিত জাতীয় স্বার্থে ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করা এবং অতীতের বিভাজন ভুলে গিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া।

নতুন প্রজন্মের ছাত্রদের নেতৃত্বে গঠিত এনসিপিকে ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে কিছু জায়গা দেয়া উচিত, তবে তাদের অতিরিক্ত উচ্চাশী হওয়া ঠিক নয়। তাদের রাজনীতি শিখতে হবে এবং উপযুক্ত সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। ইতিহাস সবসময় তাদের ত্যাগকে সম্মান ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

জাতি প্রত্যাশা করে যে, সকল রাজনৈতিক দল পরিপক্ক নেতৃত্ব ও প্রজ্ঞার সঙ্গে দেশের জন্য কাজ করবে। কোনো ভুল পথে নয়, বরং সঠিক পথে এগিয়ে যাওয়াই হবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের প্রত্যাশা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক