a
ফাইল ছবি
মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের একাংশ যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে শিখনেতা হত্যার চেষ্টার অভিযোগে ভারতে ড্রোন বিক্রি আটকে দিয়েছে। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম দ্য ওয়্যার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
এ বিষয়ে ৩১ জানুয়ারি দ্য ওয়্যারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চুক্তি অনুযায়ী প্রস্তাবিত ড্রোনগুলোর মধ্যে ছিল ১৫টি সি গার্ডিয়ান এবং ১৬টি স্কাই গার্ডিয়ান। ভারতের নৌ, সেনা এবং বিমানবাহিনী এই ড্রোন গুলো নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এসব সরঞ্জাবগুলো কেনার কথা ছিল, যার আর্থিক মূল্য তিন বিলিয়ন ডলার।
গত বছরের জুনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে এই ড্রোন কেনার চুক্তি করেছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার দ্বৈত নাগরিক খালিস্তানপন্থী শিখ নেতা গুরপতবন্ত সিং পান্নুনকে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ভারত রাষ্ট্রীয় এজেন্টের সহযোগিতায় হত্যার চেষ্টা করছে মর্মে অভিযোগ করে মার্কিন এবং কানাডীয় গোয়েন্দা সংস্থা গুলো।
পান্নুনকে হত্যাচেষ্টার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর ভারতের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল আমেরিকা। এই খবরে মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের একাংশ ভারতের ওপর এখনো ক্ষুব্ধ। অস্ত্র বিক্রি বন্ধের বিষয়ে তারাই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তারা এই ঘটনার অর্থপূর্ণ তদন্ত চান।
ওয়্যারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—শুধু ড্রোন নয়, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সমুদ্রে টহল দেওয়ার জন্য বিমান কেনারও কথা ছিল ভারতের। ছোট-বড় সবগুলো চুক্তির বাস্তবায়নই থেমে গেল। সূত্র: বাংলা নিউজ২৪
ফাইল ছবি
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের একটি অস্ত্র কারখানায় হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে। রবিবার (২৬ জুন) আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, সামরিক স্থাপনা হিসেবে 'আর্টিয়ম ফ্যাক্টরি' লক্ষ্যবস্তু ছিল।
এছাড়া দেশটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ইউক্রেনের আবাসিক ভবনে রাশিয়া হামলা চালিয়েছে বলে ইউক্রেন যে দাবি করেছে তা মিথ্যা। রাশিয়া জানায়, ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র আবাসিক ভবনের ক্ষতির কারণ। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি'র প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি বলেছেন, ইরানিদের প্রতিটি ভোট শত্রুদের কাছে যেন একেকটি ক্ষেপণাস্ত্র। আজ শুক্রবার তেহরানে নির্বাচনে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণ বিষয়ক এক বৈঠকে অংশগ্রহণ শেষে এসব কথা বলেন।
জেনারেল সালামি আরও বলেছেন, ইরানের শত্রুরা এবারের নির্বাচনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের স্টাইলে ওঠে পড়ে লেগেছে। কিন্তু ইরানের জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে শত্রুদেরকে জবাব দিচ্ছে। একেকটি ভোট শত্রুর ওপর একেকটি ক্ষেপণাস্ত্রের মতো আঘাত হানছে, এ যেন শত্রুদের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র-বৃষ্টি।
তিনি বলেন, ব্যাপক ভোটার উপস্থিতি শত্রুদের সব অসৎ চিন্তা ও পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেবে। আইআরজিসির প্রধান বলেন, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা পুলিশ বাহিনীকে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন।
আজ ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি সিটি কাউন্সিলসহ স্থানীয় পরিষদের মূল নির্বাচন, পার্লামেন্ট ও বিশেষজ্ঞ পরিষদের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণও চলছে।
সকাল ৭টা থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের বিপুল উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তারা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ভোটার উপস্থিতি বেশি হলে প্রয়োজনে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে জানানো হয়েছে। সূত্র: বিডিপ্রতিদিন