a
ছবি সংগৃহীত
লঙ্কানদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারের পর বাংলাদেশের চোখ এখন ওয়ানডে সিরিজের ওপর। সিরিজ জয়ের লক্ষে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস জিতে বাংলাদেশকে ফিল্ডিং করতে পাঠিয়েছেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস।
সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে মাঠে গড়ানোর আগে তুমুল ঝোড়ো হাওয়া বয়ে গেছে টাইগারদের শিবিরে। পরপর দুই ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়ে স্কোয়াড থেকে কাটা পড়েছেন ওপেনার লিটন কুমার দাস। তার বদলে দলে যোগ দিয়েছেন জাকের আলি অনিক। অন্যদিকে চোটে ছিটকে পড়েছে প্রথম ম্যাচে খেলার মোড় ঘুড়িয়ে দেওয়া পেসার তানজিম হাসান সাকিব। এই দুইজনের পরিবর্তে একাদশে জায়গা পেয়েছেন এনামুল হক বিজয় ও মোস্তাফিজ।
বাংলাদেশ একাদশ: নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), এনামুল হক, মুশফিকুর রহিম, তাওহিদ হৃদয়, সৌম্য সরকার, মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন, শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মাহমুদউল্লাহ ও মোস্তাফিজ।
শ্রীলঙ্কা একাদশ: পাথুম নিশাঙ্কা, আবিস্কা ফার্নান্দো, কুশল মেন্ডিস (অধিনায়ক), সাদিরা সামারবিক্রমা, চারিথ আসালাঙ্কা, জেনেথ লিয়ানাগে, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, দুনিথ ভেল্লালাগে, প্রমোদ মাদুশান, মাহেশ থিকশানা ও লাহিরু কুমারা। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
আগামী ১সেপ্টেম্বর হতে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে ঢাকায় পৌঁছেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।
আজ মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামেন তারা। জানা গেছে, দ্রুত ইমিগ্রেশন শেষ করে হোটেলে গিয়ে উঠবে টিম নিউজিল্যান্ড। এরপর তিন দিনের কোয়ারেন্টিন শেষে ২৭ আগস্ট থেকে অনুশীলনে নামবে ব্লাক ক্যাপসরা।
আজ নিউজিল্যান্ড দল পৌঁছানোর আগেই বাংলাদেশে এসেছিল তাদের দুই খেলোয়াড় কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম আর ফিন অ্যালেন। এছাড়া কোভিড প্রটোকল ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে নিউজিল্যান্ড থেকে এসেছিল আরও দুই সদস্যের একটি পর্যবেক্ষক দলও। পর্যবেক্ষক দলে ছিলেন একজন কোভিড প্রটোকল ম্যানেজার এবং একজন নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মকর্তা।
আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৫ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এরপর ৩, ৫, ৮ ও ১০ সেপ্টেম্বর সিরিজের বাকি চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। সিরিজের প্রতিটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের ম্যাচগুলোর সময় এগিয়ে আনা হয়েছে। সন্ধ্যায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সফরকারী দলের দেশের দর্শকদের কথা মাথায় রেখে ম্যাচগুলো শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায়। টম ল্যাথামের নেতৃত্বে বাংলাদেশে আসে দ্বিতীয় সারির নিউজিল্যান্ড দল। পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের স্কোয়াডে নিউজিল্যান্ডের বিশ্বকাপ স্কোয়াডের কেউই নেই। ঘোষিত এই স্কোয়াডে নেই নিয়মিত অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও।
ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে নাকানিচুবানি খাওয়ানোর পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজেও একই স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। মিরপুরের ‘হোম অব ক্রিকেট’ থেকে আবারও বাঘের গর্জন শোনাতে চায় বিশ্বকে। সে লক্ষ্যেই পরিকল্পনা আঁটছে রাসেল ডমিঙ্গোর শিষ্যরা। কিউইদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে সুখকর স্মৃতি থাকলেও টি-টুয়ান্টিতে বাংলাদেশের তেমন স্মৃতি নেই এবার হয়তো অন্যকিছু করে দেখাতে মুখিয়ে আছে টিম টাইগাররা।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ১৯ সদস্যের দল ঘোষণা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দলে ফিরেছেন মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। ফর্মের কারনে সর্বশেষ দল থেকে বাদ পড়েছে মোহাম্মদ মিঠুন। পুরনো এছাড়া চোটের কারণে কিউইদের বিপক্ষে এই সিরিজে দলে নেই বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
বাংলাদেশ দলঃ মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, সৌম্য সরকার, লিটন কুমার দাস, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আফিফ হোসেন, নাইম শেখ, নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন, রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, নাসুম আহমেদ।
নিউজিল্যান্ড দলঃ টম ল্যাথাম (অধিনায়ক), ফিন অ্যালেন, হামিশ ব্যানেট, টম ব্লানডেল, ডগ ব্রেসওয়েল, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, জ্যাকব ডাফি, স্কট কুগেলেইন, কোল ম্যাককনকি, হেনরি নিকোলস, আজাজ পেটেল, রাচিন রবীন্দ্র, বেন সিয়ারস, উইল ইয়ং, ব্লেয়ার টিকনার।
ফাইল ছবি
মহামারি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্তার গত ৮ মার্চের ঘোষণায় ধারাবাহিকতায় ১ মে থেকে পর্তুগালে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্তা সংবাদ সম্মেলনে জাতির উদ্দেশে বিস্তারিত জানান।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্পেনের সঙ্গে বন্ধ থাকা বর্ডার খুলে দেওয়া হবে। রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে, বেকারিসমূহ খোলা থাকবে রাত ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত।
রেস্টুরেন্টে একই টেবিলে ৬ জন ও বাইরে সর্বোচ্চ ১০ জন বসতে পারবে, শপিংমল রাত ৯টা পর্যন্ত এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, সুপারমার্কেট সাধারণ দিনে রাত ৯টা এবং সাপ্তাহিক ছুটি ও সরকারি ছুটির দিনে খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতি ১৫ দিন পর পর পর্যালোচনা করা হবে। পরিস্থিতি ভালো থাকলে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে, না হলে পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে হবে। সেই সাথে পর্তুগালের চলমান জরুরি অবস্থা আজ ৩০ এপ্রিল রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে।
গত জানুয়ারিতে করোনা ভাইরাস মহামারির কঠিন পরিস্থিতির পর দেশটি শুধু ইউরোপ নয় বিশ্বের সবচেয়ে কম করোনা সংক্রমণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। পর্তুগালে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩ জন, মৃত্যু হয়েছে ১৬ হাজার ৯৭৪ জন।