a
ছবি সংগৃহীত
লঙ্কানদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারের পর বাংলাদেশের চোখ এখন ওয়ানডে সিরিজের ওপর। সিরিজ জয়ের লক্ষে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস জিতে বাংলাদেশকে ফিল্ডিং করতে পাঠিয়েছেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস।
সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে মাঠে গড়ানোর আগে তুমুল ঝোড়ো হাওয়া বয়ে গেছে টাইগারদের শিবিরে। পরপর দুই ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়ে স্কোয়াড থেকে কাটা পড়েছেন ওপেনার লিটন কুমার দাস। তার বদলে দলে যোগ দিয়েছেন জাকের আলি অনিক। অন্যদিকে চোটে ছিটকে পড়েছে প্রথম ম্যাচে খেলার মোড় ঘুড়িয়ে দেওয়া পেসার তানজিম হাসান সাকিব। এই দুইজনের পরিবর্তে একাদশে জায়গা পেয়েছেন এনামুল হক বিজয় ও মোস্তাফিজ।
বাংলাদেশ একাদশ: নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), এনামুল হক, মুশফিকুর রহিম, তাওহিদ হৃদয়, সৌম্য সরকার, মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন, শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মাহমুদউল্লাহ ও মোস্তাফিজ।
শ্রীলঙ্কা একাদশ: পাথুম নিশাঙ্কা, আবিস্কা ফার্নান্দো, কুশল মেন্ডিস (অধিনায়ক), সাদিরা সামারবিক্রমা, চারিথ আসালাঙ্কা, জেনেথ লিয়ানাগে, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, দুনিথ ভেল্লালাগে, প্রমোদ মাদুশান, মাহেশ থিকশানা ও লাহিরু কুমারা। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
মহামারী করোনাভাইরাসের জন্য দীর্ঘ বিরতি দিয়ে নিজ দেশ ভারত থেকে সরিয়ে আইপিএল এর বাকি অংশ মাঠে গড়াচ্ছে দুবাইতে। কিন্তু সেখানে করোনার হানা। আরব আমিরাতের পর্ব শুরুর চতুর্থ দিনেই ধরা পড়েছে করোনাভাইরাস। কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়েছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের পেসার থাঙ্গারাসু নাটরাজন।
আরটি-পিসিআর টেস্টে নাটরাজনের পজিটিভ ফল আসার কথা গতকাল বুধবার বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ। আপাতত নাটরাজনকে সেলফ কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। তবে, আক্রান্ত হলেও তাঁর কোনো উপসর্গ নেই। নটরাজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদেরও রাখা হয়েছে আইসোলেশনে। এঁদের মধ্যে ক্রিকেটার আছেন একজন। তিনি হলেন বিজয় শঙ্কর। বাকিরা হলেন—দলের ম্যানেজার বিজয় কুমার, ফিজিওথ্যারাপিস্ট শ্যাম সুন্দর জে, চিকিৎসক অঞ্জনা ভান্না, লজিস্টিক ম্যানেজার তুষার খেদকার এবং নেট বোলার পেরিয়াস্বামি গানেসান।
তবে, সবার টেস্টই নেগেটিভ এসেছে। তবে, দলের বিপদের দিন মাঠে নেমেও হতাশ হয়েছে হায়দরাবাদ। দুবাই পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আট উইকেটে দিল্লির কাছে হেরেছে তারা। টুর্নামেন্টে খুব একটা স্বস্তিতে নেই তারা। আট ম্যাচ খেলে জিতেছে কেবল একটিতে। দুই পয়েন্ট নিয়ে তাদের অবস্থান টেবিলের তলানিতে। গত মে মাসে করোনার প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় মাঝপথে স্থগিত হয়ে যায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের এবারের আসর। ভেন্যু বদলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গত রোববার শুরু হয় আইপিএলের বাকি অংশ। ভারতে প্রথম অংশে ২৯টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। চার মাস পর স্থগিত হওয়া আইপিএলের বাকি ৩১টি ম্যাচ হচ্ছে এবার মরুর দেশে।
ফাইল ছবি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর কাজী নূর হোসেনের বিরুদ্ধে উপাচার্য বরাবর অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মোঃ মাজহারুল ইসলাম।
অভিযোগপত্র থেকে জানা, ২৬ জুলাই আনুমানিক সকাল ১১:৩০ ঘটিকায় মােঃ আনিছুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মনােবিজ্ঞান বিভাগে লাইট এবং ফ্যান, সংশ্লিষ্ট বিভাগকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য যান। তিনি বিভাগের চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে বেরিয়ে আসার সময় উক্ত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর জনাব মােঃ কাজী নূর হােসেন তাকে প্রশ্ন করেন কেন তার রুমের কাজ হয়নি। প্রতিউত্তরে আনিছুর বলেন, কি কাজ সেটা আমি জানিনা। তারপর, কাজী নুর হােসেন বলেন “তাের দপ্তরের দাড়িওয়ালা একটা আছে না, প্রধান প্রকৌশলীর সাথে ঘুরে, তাকে (মােঃ মাজহাল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী, বিদ্যুৎ) ধরে নিয়ে এসে উল্টো করে ঝুলিয়ে পাছার ছাল তুলে ফেলব এবং ইলেকট্রিশিয়ান পাঠিয়ে আধা ঘন্টার মধ্যে কাজ না করে দিলে তাের খবর আছে। আমি যে মেসেজটা দিলাম সেটা তাের প্রধান প্রকৌশলীকে জানিয়ে দিবি।
মনােবিজ্ঞান বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতিতে একজন সম্মানিত শিক্ষক হয়ে পাশাপাশি প্রশাসনিক দায়িত্বে থেকে একজন কর্মকর্তার সাথে মানহানিকর মন্তব্য করায় খুবই মর্মাহত, মানসিক ভাবে বিপর্যন্ত এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে লিখিত অভিযোগে জানান মো মাজহারুল ইসলাম। এমতাবস্থায়, উক্ত ঘটনার প্রতিকার এবং উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।
এবিষয়ে মোঃ মাজহারুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। ভিসি স্যার বিষয়টি সুরাহা করবেন বলে জানিয়েছেন। পূর্বের বিরোধ আছে কিনা জিজ্ঞাসা করলে বলেন, স্যারের সাথে আমার পূর্বের কোনো বিরোধ নেই।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ ইমদাদুল হক বলেন, আগামীকাল উভয়পক্ষকে ডেকে বিস্তারিত জানব। অভিযোগ যেহেতু এসেছে সমাধান করে দিব।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, বিষয়টি ভিসি স্যার আগামীকাল ১টায় বসে সমাধান করতে চেয়েছেন।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু শিক্ষার্থী কাজী নূর হোসেন সম্পর্কে বলেন, তিনি আমাদের সাথেও অকারণে রূঢ় ব্যবহার করেন।
এসব বিষয়ে কাজী নূর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হন নি।
মনোবিজ্ঞান বিভাগের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলিং সেন্টারের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ মনে করেন, সকল শিক্ষকদেরকে বিশেষ করে মনোবিজ্ঞানের শিক্ষকদের আচার ব্যবহারে দায়িত্বশীল হতে হবে যেন তারা রোল মডেল হিসেবে সকলের কাছে অনুকরণীয় হয়।